ছাদকৃষিশেকড় প্রযুক্তিতে ছাদকৃষির বিপ্লব: যশোরের ইবাদ আলীর গল্প | পর্ব ৩৪১
শেকড় প্রযুক্তিতে ছাদকৃষির বিপ্লব: যশোরের কৃষিবিদ ইবাদ আলীর গল্প
ছাদকৃষিশেকড় প্রযুক্তিতে ছাদকৃষির বিপ্লব: যশোরের কৃষিবিদ ইবাদ আলীর গল্প
শহরের বাড়ি বা আঙিনায় শুধু ফল ফসল উৎপাদন কিংবা সবুজের আশ্রয়ের খোঁজার প্রয়াসে নয় বরং নগরে বসেও পারিবারিক সম্পর্ক উন্নয়নে ভালোবাসা ও সম্পৃতির বন্ধন সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখছে ঘরোয়া ফসলি উদ্যানগুলো। ফলে নাগরিকদের মাঝে পারস্পারিক বন্ধন ও ভাগাভাগির দারুণ এক দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করছে ছাদকৃষি আয়োজন।
নতুন কিংবা পুরানো সব ধরনের আবাসন এলাকাতেই দিনে দিনে বাড়ছে ছাদকৃষি। ঢাকার অভিজাত আবাসিক এলাকা বারিধারা ডিওএইচএস-এ এমনই এক আয়োজন করেছেন সালমা মান্নান। দুই দশক ধরে কৃষি ও প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা থেকে তিনি গড়ে তুলেছেন এক সবুজ ছাদকৃষি।
অপরিকল্পিত নগরায়নে ভরে উঠছে দেশের জেলা শহর। নতুন ভবন আর অবকাঠামোয় দখল হচ্ছে কৃষি জমি। বাড়ছে পরিবেশ দূষণ, প্রকৃতি হারাচ্ছে তার স্বাভাবিক সৌন্দর্য। ফলে নাগরিকরা বাঁধাপ্রাপ্ত হচ্ছেন মুক্ত বাতাস আর নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তিতে। প্রভাব পড়ছে জীববৈচিত্রেও। এই সংকট প্রশমনে নড়াইলের তনিমা আফরীন নিয়েছেন এক অন
মাত্র ১০০ টাকা দিয়ে চারটি তেঁতুল গাছের চারা কিনে বনসাই গাছ বানিয়ে এখন সাফল্যের শীর্ষে সবুজ। ২৯ বছরে বহু ঘাত প্রতিঘাত পেরিয়ে তিনি তার নার্সারিতে ৪৫০টি প্রজাতির প্রায় ২০ হাজার ছোট-বড় বনসাই প্রক্রিয়াধীন রেখেছেন। তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা দিয়ে বনসাইয়ের জন্য বাজার তৈরিসহ নানা বিষয়ে কাজ করছেন।
নগরে ভবনের উপরে ছাদকৃষির আয়োজনে নিরাপদ সবজি ও ফসল উৎপাদনে উদ্যোক্তাদের আছে ভিন্ন ভিন্ন উপলব্ধি। রাজধানীর উত্তরায় কানিজ জাহান ফেরদৌস এর ছাদকৃষি শুরু ১৬ বছর আগে। যে উদ্যোগটিতে তার ব্যস্ততা তাকে দিয়েছে একাকীত্ব থেকে মুক্তি।
ফরিদপুর শহরের গৃহলক্ষ্মীপুর মহল্লার আয়েশা আশরাফী ফলের বাগান করে বেশ সফলতা পেয়েছেন। তার দুটি ছাদ বাগানে শোভা পাচ্ছে নানা ধরনের ফল গাছ। গাছে গাছে ঝুলছে কাঁচা-পাকা বর্ণিল ফল। পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে বাজারে বিক্রিও করছেন তিনি। ছাদ বাগান ও গাছের চারা থেকে আয় করে রীতিমতো সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। গ্রাফ
শাকসবজিছাদ বা বারান্দার কয়েকটি টবেই ফলানো যায় ঘরের কাঁচা মরিচ: জাত, টব, মাটি ও রোদ বাছাই, নিরাপদে পানি ও সার দেওয়া, আর পাতা কোঁকড়ানো ও জাব পোকা আগেভাগে চেনার উপায়।
আঙিনা কৃষিশহরে খোলা জমি কমে আসায় ছাদ ও বারান্দার বড় টবে থাই মিষ্টি তেঁতুল চাষ ছাদবাগানিদের কাছে জনপ্রিয় হয়েছে; কলমের চারা লাগালে গাছটি বছরে দুবার, বর্ষা ও শীতে, ফল দেয়।
এখন গ্রামে ও শহরে ছাদ বাগান জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বিষমুক্ত ফল ও সবজি পেতে দেশের মানুষ ছাদ বাগানের দিকে ঝুঁকছে। ছাদে লাগানোর জন্য ফুল ও বাহারি গাছের চেয়ে ফল ও সবজি লাগানো ভালো। ফল হি
দেয়ালে ঘেরা অবরুদ্ধ নগরেও বাড়ির পরিবেশকে সুন্দর ও মনোরম রাখার ক্ষেত্রে সহায়কের ভূমিকা রাখছে ছাদকৃষি। কৃষি অন্তপ্রাণ দু’য়েকজন উদ্যোক্তার হাত ধরে ছাদকৃষির পাশাপাশি চলছে আঙিনা, বারান্দা এবং বাসার ভেতরেও সবুজের চর্চা। নগর জীবনেও এমনি এক ফসলি বেস্টনি গড়েছেন হবিগঞ্জের মনির হোসেন ও তার পরিবার। বিস্তার
শহর বাড়ছে, তৈরি হচ্ছে নতুন রাস্তাঘাট, পরিবর্তনের ছোঁয়ায় পাল্টে যাচ্ছে উত্তরের ট্রানজিট শহর বগুড়া। এই পরিবর্তনের মাঝেও শহরের সবুজ অক্ষুণ্ণ রাখতে অনেকেই উদ্যোগ নিয়েছেন নিজের বাসভবনে সবুজের সমারোহ ঘটাতে। বগুড়ার জলেশ্বরীতলার জি সি পালিত শংকর তেমনই এক উদ্যোক্তা।
বিষমুক্ত ফল, সবজি আর বিশুদ্ধ নিঃশ্বাসের খোঁজে ছাদকৃষি গড়ে তুলেছেন ব্যাংক কর্মকর্তা মাসুদুল হাসান মাসুদ। ফ্ল্যাট বাসায় বসবাসের বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতাকে অতিক্রম করে কৃষিচর্চায় নিয়োজিত থেকে নানাভাবে উপকৃত হচ্ছেন তিনি। তবে নার্সারি থেকে বিভিন্ন উদ্ভিদের চারা সংগ্রহ নিয়ে সংশয় রয়েছে তার।