ফসলপানছড়িতে প্রথমবার কালো ধান, ১২ শতকে চার মণ ফলনের আশা তরুণ এনামুলের
খাগড়াছড়ির পানছড়িতে পরীক্ষামূলকভাবে ১২ শতক জমিতে ব্ল্যাক রাইস চাষ করেছেন তরুণ উদ্যোক্তা এনামুল হক; বগুড়া থেকে কেজি ৫০০ টাকায় বীজধান এনেছিলেন, এখন শিষ বের হচ্ছে।
ফসলখাগড়াছড়ির পানছড়িতে পরীক্ষামূলকভাবে ১২ শতক জমিতে ব্ল্যাক রাইস চাষ করেছেন তরুণ উদ্যোক্তা এনামুল হক; বগুড়া থেকে কেজি ৫০০ টাকায় বীজধান এনেছিলেন, এখন শিষ বের হচ্ছে।
ফলউদ্ভিদবিদ্যায় পড়া আবু রায়হান ফারুক বাড়ির আঙিনার একটি কমলাগাছ থেকে শুরু করে কুড়িগ্রাম সদরের বেলগাছায় গড়েছেন কমলা, আঙুর, আম, সুপারির সমন্বিত খামার ও নার্সারি; গত বছর বিক্রি করেছেন প্রায় ৩২ লাখ টাকার ফল ও চারা।
ছাদকৃষিযশোরের অভয়নগরের কলেজছাত্র আব্দুর রহমান ২০২১ সালে ফেসবুক দেখে মুক্তা চাষ শুরু করেন; এখন ছাদের কৃত্রিম জলাধারে দুই হাজার আর বোনের বাড়ির পুকুরে সাড়ে তিন হাজার ঝিনুক আছে তাঁর।
ফলকুষ্টিয়ার ভেড়ামারার কাজীহাটায় মধুপুরের চারা দিয়ে নেপালি সাগর জাতের কলা চাষ করেছেন আসিফ আওয়াল উৎস; একবার রোপণে তিন দফা ফলন মেলে বলে জানান তিনি।
শাকসবজিতানজানিয়ার বিতুরানা ওয়ার্ডের অ্যালবিনিজমে আক্রান্ত তরুণ কৃষক মারুদিও অ্যান্ডারসন ইয়েফা কর্মসূচির প্রশিক্ষণ এবং বীজ ও সার সহায়তা নিয়ে পেঁয়াজের ব্যবসা দাঁড় করিয়েছেন, এখন পাঁচজনকে কাজ দেন।
শাকসবজিগরুর খামারের ৮-১০ লাখ টাকা জোগাড় করতে না পেরে ২৭০ বর্গফুটের ঘরে অয়েস্টার মাশরুম চাষ শুরু করেছেন শ্রীমঙ্গলের পশ্চিম ভাড়াউড়ার তিন তরুণ; তাপ সামলাতে এগজস্ট ফ্যান, পানি ছিটাতে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা।
ফলজুনে পরীক্ষামূলকভাবে দেড় লাখ টাকা খরচে শুরু করে জসিম হোসেন ও রাজিব হাসান অনলাইনে ১০০ টাকা কেজিতে ফল বেচছেন; উপজেলায় এখন ৬০ থেকে ৭০ বিঘায় রক মেলনের চাষ।
ফলনলেয়া গ্রামের তরুণ তাওহিদুল ইসলাম তাওহিদ ১০ শতক জমিতে ৮৫টি গাছ দিয়ে বাণিজ্যিক আঙুর চাষ শুরু করে ফলন পেয়েছেন; এখন প্রায় চার বিঘায় বাগান করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।
ফুড ফর মজান্সিতে এক কলামে সাকাউয়ের প্রধান নির্বাহী ইসমাইল সুঙ্গা লিখেছেন, তরুণ ও নারী পরিচালিত পোলট্রি উদ্যোগকে টিকে থাকার চাষ থেকে মাঝারি ব্যবসায় তুলতে মিশ্র অর্থায়ন, যৌথ অবকাঠামো ও নিশ্চিত ক্রয়চুক্তি দরকার।
ফসলকরোনাকালে টিউশনি করে জমানো টাকায় বাড়ির পাশে ছোট একটি ফলবাগান শুরু করেছিলেন বরিশাল সদরের সৈকত রায়হান সাকিন। ২০২৬ সালের মে মাসে সেটি ৮০টির বেশি জাতের আমসহ এক একরের নার্সারি ও মিশ্র ফলবাগান; সাকিন জাগো নিউজকে জানান, এ থেকে বছরে ৫ থেকে ৭ লাখ টাকা আয় সম্ভব।
ফলঝিনাইদহের মহেশপুরের যোগীহুদা গ্রামের দাওরায়ে হাদিস পড়ুয়া আবদুল্লাহ ২০২২ সালের শেষদিকে এক বিঘা জমিতে ভারতীয় ভাগওয়া জাতের আনারের চারা লাগান। দুই বছর পর সব গাছে ফল এসেছে; তাঁর ভাষ্য, স্থানীয় বাজারে কেজিপ্রতি ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
শাকসবজিচট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে উপজেলা কৃষি অফিসের প্রদর্শনী প্লটে ৫০ শতক জমিতে ব্রোকলির ভালো ফলন পান তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা মোহাম্মদ মামুন। এসএসিপি প্রকল্পের আওতায় সে মৌসুমে উপজেলায় ১৫ জন কৃষক ৫ একরে ব্রোকলি চাষ করেন।