তিন দেশ থেকে এক লাখ ১০ হাজার টন সার কিনবে সরকার
বেলারুশ, মরক্কো ও সৌদি আরব থেকে এক লাখ ১০ হাজার টন সার আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ৩০ হাজার টন এমওপি, ৪০ হাজার টন ডিএপি এবং ৪০ হাজার টন ইউরিয়া সার রয়েছে।
বেলারুশ, মরক্কো ও সৌদি আরব থেকে এক লাখ ১০ হাজার টন সার আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ৩০ হাজার টন এমওপি, ৪০ হাজার টন ডিএপি এবং ৪০ হাজার টন ইউরিয়া সার রয়েছে।
কৃষি উৎপাদন অব্যাহত রাখা ও কৃষকদের চাহিদা মেটাতে মরক্কো থেকে ৭০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি ও টিএসপি সার আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি এবং ৩০ হাজার মেট্রিক টন টিএসপি সার রয়েছে। দুই ধরনের সার আমদানিতে মোট ব্যয় হবে ৬৮৮ কোটি ৭০ লাখ টাকা।
নিম্ন আয়ের এক কোটি পরিবারের মধ্যে ভর্তুকি মূল্যে বিক্রির জন্য ২ কোটি লিটার পরিশোধিত পাম অলিন ও ১০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে মোট ব্যয় হবে ৪৪৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা।
২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে সরকারি পর্যায়ে বিভিন্ন দেশ ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ২৬৯৫ কোটি টাকা দিয়ে ৩ লাখ ৬৫ হাজার মেট্রিক টন সার কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ইউরিয়া ৭০ হাজার মেট্রিক টন, এমওপি ১ লাখ ১৫ হাজার মেট্রিক টন, ডিএপি ১ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন এবং টিএসপি ৬০ হাজার মেট্রিক টন।
দেশের কৃষি খাতে সারের চাহিদা পূরণে রাশিয়া থেকে ৩৫ হাজার (±১০ শতাংশ) টন এমওপি (মিউরেট অব পটাশ) সার আমদানির এক প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের (কাফকো) কাছ থেকে প্রথম লটে ৩০ হাজার টন ব্যাগজাত দানাদার ইউরিয়া সার কিনবে সরকার।
ফসলঅভ্যন্তরীণ বোরো সংগ্রহ-২০২৬ মৌসুমে খাদ্যশস্য সংরক্ষণ ও বস্তাবন্দী করার জন্য ১ কোটি ৬০ লাখ হেসিয়ান পাটের বস্তা কেনার প্রস্তাব ২০২৬ সালের ২২ জুলাই অনুমোদন দেয় সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। ব্যয় ধরা হয় ১১১ কোটি ৬ লাখ ৪০০ টাকা।
আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। এর ফলে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।