মৎস্য১০৩টি অনাপত্তি সনদ বাতিল, ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ
মৎস্য অধিদপ্তর ২২ সেপ্টেম্বর ইলিশ আমদানির ১০৩টি অনাপত্তি সনদ বাতিল করায় বেনাপোল দিয়ে ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ হয়ে গেছে; চলতি অর্থবছরে অনুমতির ১,৭৩৯.৫০ টনের মধ্যে এসেছে ৫৩৫ টন।
মৎস্যমৎস্য অধিদপ্তর ২২ সেপ্টেম্বর ইলিশ আমদানির ১০৩টি অনাপত্তি সনদ বাতিল করায় বেনাপোল দিয়ে ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ হয়ে গেছে; চলতি অর্থবছরে অনুমতির ১,৭৩৯.৫০ টনের মধ্যে এসেছে ৫৩৫ টন।
মন্ত্রণালয়কে না জানিয়ে গুজরাট থেকে ইলিশ আমদানির অনুমোদন দেওয়ায় মৎস্য অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনককে রোববার কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়; এনবিআরের হিসাবে জুলাই-আগস্টে বেনাপোল দিয়ে ২২টি প্রতিষ্ঠান ৩ লাখ ৫২ হাজার ৭৮৬ কেজি ইলিশ এনেছে, আমদানিমূল্য
ব্যবসায়ীদের আবেদনে মৎস্য অধিদপ্তর ভারত থেকে ইলিশ আমদানির অনুমতি দিলেও মন্ত্রণালয় তা জানত না; বিষয়টি জানার পর মন্ত্রী ব্যাখ্যা চেয়েছেন এবং নতুন করে কোনো অনুমতি না দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
বেনাপোল বন্দর দিয়ে জুলাই-অগাস্টে ১৯টি প্রতিষ্ঠান প্রায় সাত কোটি টাকার ইলিশ আমদানি করেছে, যার বেশিরভাগই ভারতের গুজরাট থেকে আসা।
বেনাপোল বন্দর দিয়ে অনায়েসেই আমদানি হচ্ছে ভারত ও মিয়ানমারের ইলিশ। গত দুই মাসে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে তিন লাখ ৫২ হাজার ৭৮৭ কেজি ইলিশ আমদানির তথ্য পাওয়া গেছে। এসব ইলিশ দেখতে দেশি ইলিশের মতোই। ৫০০ টাকায় কেনা ভারতীয় ও মিয়ানমারের ইলিশ 'পদ্মার ইলিশ' বলে ১৪০০-১৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে বেনাপোল, যশোরসহ
ফল২০২৬ সালের জুনে জ্যৈষ্ঠের খরতাপে যশোরের শার্শা ও বেনাপোলে কচি তালের শাঁসের চাহিদা বেড়েছিল; ফলন কম থাকায় দাম ছিল কিছুটা চড়া, আর জাগো নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী এই মৌসুমি ব্যবসায় জীবিকা চলছিল স্থানীয় প্রায় শতাধিক পরিবারের।
যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরের কার্গো ইয়ার্ড টার্মিনালে হাই-মাস্ট লাইট পোস্টে বিদ্যুতায়িত হয়ে অসংখ্য অতিথি পাখির মৃত্যু হয়েছেন। এ ঘটনায় প্রকৌশলীর অবহেলা ও ত্রুটিপূর্ণ নকশার অভিযোগ উঠেছে।
মৎস্য২০২৬ সালের ১৩ জানুয়ারি রাতে বেনাপোল স্থলবন্দরে মিঠাপানির মাছের ঘোষণা দিয়ে আনা একটি চালানে ভারতীয় ইলিশ পাওয়ার কথা জানিয়ে তা জব্দ করে কাস্টমস। কাস্টমসের ভাষ্যে জব্দ ইলিশের বাজারমূল্য প্রায় ৩০ লাখ টাকা।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের শর্ত অনুযায়ী রোববার (৫ অক্টোবর) ছিল ভারতে ইলিশ রপ্তানির শেষদিন। এবার অনুমতির ১২০০ টনের মধ্যে মাত্র ১০৭ টন ২২৬ কেজি ইলিশ ভারতে রপ্তানি হয়েছে। দেশের ৩৭ জনের মধ্যে মাত্র ১৬ জন রপ্তানিকারক ইলিশ রপ্তানি করতে পেরেছেন। এরমধ্যে বেনাপোল বন্দর দিয়ে রপ্তানি হয়েছে ১০৬ টন ৩৪ কেজি। আর আখাউড়া
বেনাপোল বন্দর দিয়ে সাতদিনে ১০৩ মেট্রিক টন ইলিশ ভারতে রপ্তানি হয়েছে। দেশের বিভিন্ন বন্দর দিয়ে রপ্তানি হয়েছে এক হাজার ২০০ টন।
ভারতের কলকাতায় বাংলাদেশি উপ-দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ৪০০ কেজি মৌসুমি ফল আম পাঠিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
দুর্গোৎসবে ভারতের বাঙালিদের ইলিশের স্বাদ দিতে শর্তসাপেক্ষে দুই হাজার ৪২০ মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন পেলেও শেষমেষ বেনাপোল দিয়ে গেলো মাত্র ৫৩৩ মেট্রিক টন। এবার সরকারের দেওয়া রপ্তানি আদেশের মাত্র ২২ শতাংশ ইলিশ ভারতে গেলো। সময়স্বল্পতা, বাজারে ইলিশ সংকট ও অস্বাভাবিকভাবে মূল্যবৃদ্ধি পাওয়ায় অনেকে ইল
যশোরের বেনাপোল বন্দর দিয়ে আরও ৪৫ টন ২০০ কেজি ইলিশ ভারতে রপ্তানি হয়েছে। শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে মান যাচাই শেষে ছাড়পত্র দেয় বন্দর কর্তৃপক্ষ।