ফসলঘূর্ণিঝড় ইসাইয়াস: ফসলের ক্ষতি ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জানাতে কৃষকদের বলল ইউএসডিএ
ঘূর্ণিঝড় ইসাইয়াস এগিয়ে আসায় পথে থাকা কৃষক, খামারি ও বাসিন্দাদের দুর্যোগ সহায়তা কর্মসূচি এবং ফসলের ক্ষতি জানানোর সময়সীমার কথা মনে করিয়ে দিয়েছে মার্কিন কৃষি বিভাগ।
ফসলঘূর্ণিঝড় ইসাইয়াস এগিয়ে আসায় পথে থাকা কৃষক, খামারি ও বাসিন্দাদের দুর্যোগ সহায়তা কর্মসূচি এবং ফসলের ক্ষতি জানানোর সময়সীমার কথা মনে করিয়ে দিয়েছে মার্কিন কৃষি বিভাগ।
অ্যাগ্রিবিজনেস গ্লোবালে এক কলামে আর্থডেইলির আন্দ্রেস উমানা লিখেছেন, ক্ষতির আশঙ্কা যখন সবচেয়ে বেশি তখনই বিমার চাহিদা বাড়ছে; তাই বিমা প্রতিষ্ঠানগুলো ঝুঁকি সীমিত করছে, সময়সীমা কড়া করছে আর স্যাটেলাইট তথ্যে ঝুঁকছে।
ছবিভিত্তিক শস্য বিমা, এআই পরামর্শ ও কণ্ঠস্বর চেনার প্রযুক্তি তখনই নারী কৃষকের কাজে আসে, যখন নকশা, তথ্য ও নিয়ন্ত্রণে নারীরা ভূমিকা রাখেন, কিগালির আফ্রিকা ফুড সিস্টেমস ফোরামে এ কথা বলেছেন সিজিআইএআরের গবেষকেরা।
এগ্রোবিজযোগ্য জমি জাতীয় সীমা ছাড়িয়ে যাওয়ায় এফএসএ প্রতিটি নতুন বরাদ্দ ৩.৬৯ শতাংশ কমাচ্ছে; উৎপাদকেরা কর্মসূচি বদলাতে, ২০৩১ পর্যন্ত বহুবর্ষী চুক্তি করতে এবং যে কর্মসূচিই বাছুন এসসিও বিমা যোগ করতে পারবেন।
২০ বছরে প্রথমবার ৩ কোটির বেশি বেস একর যোগ করার পর মার্কিন কৃষি বিভাগ ২০২৬ ফসল বছরের জন্য এগ্রিকালচার রিস্ক কভারেজ ও প্রাইস লস কভারেজ কর্মসূচিতে ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্বাচন ও নিবন্ধনের সুযোগ দিচ্ছে।
দুই দশকের সবচেয়ে বড় সম্প্রসারণের পর ২০২৬ ফসলবর্ষের জন্য ARC ও PLC কর্মসূচিতে নিবন্ধন চলবে ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে ১১ ডিসেম্বর; আবেদন ৩ কোটি একরের সীমা ছাড়ানোয় নতুন বেস একর ৩.৬৯ শতাংশ ছাঁটা হয়েছে।
এগ্রোবিজমিনেসোটা ফার্মফেস্টে কৃষিমন্ত্রী Brooke L. Rollins প্রিমিয়াম পরিশোধে ছাড়, ৫ শতাংশ অতিরিক্ত প্রিভেন্টেড প্ল্যান্টিং কভারেজ ফিরিয়ে আনা এবং ইউএসডিএর তথ্য নিয়ে দেশজুড়ে মতবিনিময় সভার ঘোষণা দিয়েছেন।
এগ্রোটেক২০২৫ সালের ১১ ডিসেম্বর জাগো নিউজে প্রকাশিত লেখায় কৃষি ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞ সমীরণ বিশ্বাস যুক্তি দেন, আবহাওয়া ও স্যাটেলাইট তথ্যনির্ভর সূচকভিত্তিক শস্য বিমা জলবায়ু পরিবর্তনের ধকলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের আর্থিক সুরক্ষা দিতে পারে।
এগ্রোটেককৃষি ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞ সমীরণ বিশ্বাস ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে জাগো নিউজ ২৪-এ লেখেন, যান্ত্রিকীকরণ, স্মার্ট ফার্মিং, গবেষণা, ডিজিটাল বাজার, জৈব কৃষি, কৃষকবীমা ও প্রশিক্ষণে উন্নত দেশের পথ অনুসরণ করলে বাংলাদেশের কৃষি আরও আধুনিক ও লাভজনক হতে পারে।
জলবায়ু পরিবর্তন, ফসল সংরক্ষণ ব্যবস্থাপনার অভাব, নেই শস্যবীমার আওতায়। তারপরও কৃষক টিকে থাকার চেষ্টা করে যাচ্ছেন নিরন্তর। নানা কৌশলে যুক্ত আছেন খাদ্য উৎপাদনের সঙ্গে। কৃষক বলছেন, পণ্যের বাজারে কৃষকের কার্যকর অবস্থান নিশ্চিত করতে পারলে কৃষক যেমন লাভবান হবেন, লাভবান হবেন ভোক্তা।
কৃষিপ্রধান বাংলাদেশের পুরো জনগোষ্ঠীর খাদ্য চাহিদা পূরণের মূল ঝুঁকিটি নিতে হয় কৃষককে। কারণ, কৃষি উৎপাদন বিষয়টিই ঝুঁকিপূর্ণ একটি প্রক্রিয়া। যার সঙ্গে মাটি, পানি ও জলবায়ুর নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। সম্পর্ক রয়েছে যত্ন ও পরিচর্যার। সম্পর্ক রয়েছে সঠিক সময়ে সঠিক উপকরণ প্রয়োগের। আবার প্রকৃতির প্রতিটি অ