মৌলভীবাজারে বন্যায় চার হাজার ঘর ক্ষতিগ্রস্ত
মৌলভীবাজারে বন্যায় চার হাজার কাঁচা ও আধাপাকা ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন বাসিন্দারা।
মৌলভীবাজারে বন্যায় চার হাজার কাঁচা ও আধাপাকা ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন বাসিন্দারা।
মৌলভীবাজারে বন্যায় ৯৫ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সড়কের কোথাও কোথাও ভাঙন, আবার কোথাও খানাখন্দ তৈরি হয়েছে। এতে চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
টানা আট দিনের ভারী বর্ষণ শেষে কক্সবাজারে প্লাবিত এলাকার পানি নামতে শুরু করেছে। রোববার (১২ জুলাই) রাত থেকে বৃষ্টি না হওয়ায় প্লাবিত এলাকার পানি নামতে শুরু করে।
পরিবেশ২০২৬ সালের জুলাইয়ের বন্যার পানি নামতে শুরু করলেও বান্দরবান পৌর এলাকার সড়ক, ড্রেন ও বাড়িঘরে জমে থাকা কাদা ও পচা বর্জ্যের দুর্গন্ধে ভোগান্তিতে পড়েন বাসিন্দারা; পানিবাহিত রোগ ছড়ানোর আশঙ্কাও দেখা দেয়।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় ভারতের উজান থেকে নেমে আসা ঢলের পানিতে তলিয়ে গেছে প্রায় সাড়ে ৪০০ বিঘা জমির আধাপাকা ধানক্ষেত। মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুর পর্যন্ত তিনদিনে উপজেলার সীমান্তঘেঁষা রাধানগর ইউনিয়নের বিল তিলনা, তিলকুচ, সুখডোবা ও গুমরোহিল এলাকার বিস্তীর্ণ জমিতে পানি ঢুকে অন্তত ৬০ হেক্টর জমির ধান
খলায় স্তূপ করে রাখা ভেজা ধান। রোদ না থাকায় সেগুলোতে গজিয়েছে অঙ্কুর। পাশে দাঁড়িয়ে হতাশ চোখে তাকিয়ে আছেন ইটনার কৃষক কামরুল হাসান। তিন একর জমিতে বোরো আবাদ করতে প্রায় দেড় লাখ টাকা খরচ করেছিলেন তিনি। কিন্তু অতিবৃষ্টি আর উজানের ঢলে অর্ধেক ফসল তলিয়ে গেছ, যা বাঁচানো গেছে, তা-ও আধাপাকা অবস্থায় কাটতে হয়েছে। এ
হাওরবাসীর কাছে বৈশাখ মানেই উৎসবের মাস। দীর্ঘ তিন মাসের ঘাম ঝরানো সোনালি ফসল ঘরে তোলার মাহেন্দ্রক্ষণ এটি। একদিকে নতুন ধানের ঘ্রাণ, অন্যদিকে পিঠাপুলির আমেজে জমে ওঠে গ্রামীণ উৎসব। শহুরে স্বজনরাও সেই আনন্দ ভাগাভাগি করতে ছুটে আসেন গ্রামে। কিন্তু এবারের চিত্র একেবারেই ভিন্ন, উৎসবের সেই চিরাচরিত প্রাণচাঞ্চ
ফসলটানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে কিশোরগঞ্জে নতুন করে আরও আড়াই হাজার হেক্টরের বেশি জমির বোরো ধান তলিয়ে গেছে; এতে জেলায় পানিতে তলিয়ে যাওয়া জমি দাঁড়িয়েছে সাড়ে ১২ হাজার হেক্টরে, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক প্রায় ৪৯ হাজার, ২০২৬ সালের ৪ মে জানায় জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
টানা ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে মৌলভীবাজারের বিভিন্ন উপজেলায় আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। কুলাউড়া, কমলগঞ্জ ও সদর উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে হাজারো পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১১৫টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
'বাপুরে, দেড় একর জমিতে ১০০ মণ ধান পেতাম। এখন ১ মণও পামু না। একেবারে খুন কইরা ফালাইছে। এবার খামু কী? আর সামনে আবাদ কী দিয়ে করমু? চিন্তায় মাথা খারাপ হয়ে গেছে। এই খারাপ অবস্থা ভেজাল ধান বীজের কারণে। আর কৃষি অফিসার এদিকে আসে না। পাকা রাস্তা থেকেই ঘুরে চলে যায়।'
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাঙ্গা এলাকায় একটি ইটভাটার চিমনি থেকে বের হওয়া ধোঁয়ায় প্রায় দুইশো বিঘা জমির ধান নষ্ট হয়ে গেছে। একই কারণে ভাটাসংলগ্ন এলাকায় গাছ থেকে ছোট ছোট আম ঝরে যাচ্ছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের বরেন্দ্র অঞ্চলে দ্রুত নিচে নেমে যাচ্ছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর। ফলে একদিকে সেচ সংকটে পড়ছেন কৃষকরা, অন্যদিকে বিশুদ্ধ পানির তীব্র অভাবে ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিশেষ করে সদর, নাচোল ও গোমস্তাপুর উপজেলায় প্রতিবছর পানির স্তর কমে যাওয়ার হার উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। এতে ভবিষ্যতে খাদ
পবিত্র রমজান মাস শুরু হওয়ার পর থেকেই লালমনিরহাটের ফলের বাজারগুলোতে ফলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও, সিন্ডিকেটের কারসাজি ও উচ্চ শুল্ক হারের অজুহাতে সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে আপেল, আঙুর ও মাল্টার মতো বিদেশি ফলমূল।