সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১৮ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা৩০°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৫৯%বাতাস ৮ কিমি/ঘ

১ কেজি ক্যাপসিকাম ২০০ টাকা, লাভবান চাষিরা

ভোলার চরাঞ্চলগুলোতে মাটি ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় দিন দিন বাড়ছে বিদেশি সবজি ক্যাপসিকামের আবাদ। কম খরচ ও পরিশ্রমে বেশি লাভজনক হওয়ায় ক্যাপসিকাম চাষে আগ্রহী হচ্ছেন কৃষকরা। গত বছরে

ভোলার চরাঞ্চলগুলোতে মাটি ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় দিন দিন বাড়ছে বিদেশি সবজি ক্যাপসিকামের আবাদ। কম খরচ ও পরিশ্রমে বেশি লাভজনক হওয়ায় ক্যাপসিকাম চাষে আগ্রহী হচ্ছেন কৃষকরা। গত বছরের চেয়ে চাষ হয়েছে দ্বিগুণ। এ সবজি চাষ করে ভাগ্য বদলেছে অনেক চাষির। তবে সরকারি সহযোগিতা পেলে এ চাষে বিপ্লব ঘটানো সম্ভব বলে মনে করছেন চাষিরা। অন্যদিকে মাঠ পর্যায়ে সঠিক পরামর্শ ও তদারকির ফলে চাষিরা সফল হচ্ছে বলে দাবি কৃষি বিভাগের।

কৃষকরা জানান, ভোলা সদরের মাঝের চরে প্রায় ৬-৭ বছর আগে কাচিয়া ইউনিয়নের মনির পাঠান নামের এক ব্যক্তি ১০ শতক জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে ক্যাপসিকাম চাষ করেন। তাতে সফলতা পেয়েছেন তিনি। পরের বছরই তিনি বড় পরিসরে চাষ শুরু করেন। তখনও বেশ লাভবান হন। তার দেখাদেখি অন্য চাষিরাও আগ্রহী হয়ে ওঠেন। ভোলার মাঝের চরে বর্তমানে ১৫০-২০০ জন চাষি ক্যাপসিকাম চাষ করছেন। এ বছরও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ব্যাপক ফলন হয়েছে। আর পাইকারি বাজারেও ভালো দাম পাচ্ছেন।

ভোলা সদরের কাচিয়া মাঝের চরের ক্যাপসিকাম চাষি মো. হান্নান জানান, তিনি প্রায় ২ একর জমিতে ক্যাপসিকাম চাষ করেছেন। এতে তার প্রায় ৩ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। এ পর্যন্ত তিনি প্রায় ৫ লাখ টাকার ক্যাপসিকাম বিক্রি করেছেন। ক্ষেতে যে ফসল আছে তাতে আরও ৫ লাখ টাকা বিক্রি করতে পারবেন।

চাষি হাসেম কেরানী জানান, এ বিদেশি সবজি চাষ করে অনেক লাভ হয় শুনে তিনি এবছর ৩ একর জমিতে চাষ করেছেন। শ্রমিকের মজুরি, বীজ, সার, ওষুধ ও জমির লগ্নিসহ সব মিলিয়ে ৩ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। তিনি ৭ লাখ টাকার সবজি বিক্রি করেছেন। আরও ৭ লাখ টাকা বিক্রি করতে পারবেন।

চাষি মো. সিদ্দিক জানান, আগে ভোলার এ চরে ২৫-৩০ জন এর চাষ করতেন। এখন ১৫০-২০০ জন রয়েছেন। দিন দিন চাষির সংখ্যা বাড়ছে। কারণ এটি লাভজনক একটি ফসল।

হাসেম ব্যাপারী জানান, পাইকারি বাজারে এর চাহিদা অনেক। প্রতি কেজি ১৫০-২০০ টাকা বিক্রি হয়। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় এটি রফতানি হয়।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর জানায়, এ বছর জেলায় ক্যাপসিকাম চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৪ হেক্টর। আবাদ হয়েছে দ্বিগুণ। এর মধ্যে ভোলা সদর উপজেলায় ১৫ হেক্টর ও দৌলতখান উপজেলায় ১৫ হেক্টর চাষ হয়েছে।

ভোলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক বিনয় কৃষ্ণ দেবনাথ জানান, এ বছর ক্ষেতে কোনো প্রকার পোকার আক্রমণ নেই। তাই চাষিরা আগের চেয়ে অনেক লাভবান হবেন। ক্যাপসিকাম চাষ করে অনেকেই তাদের ভাগ্য বদল করেছেন।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

এগ্রোবিজ

সম্পর্কিত খবর

ফসল

পিরোজপুরে সুপারির ফলন কম, দাম ৩০ শতাংশ বাড়লেও লোকসানে অনেক চাষি

পিরোজপুরে ৪ হাজার ৬৬৯ হেক্টরে সুপারির আবাদ হলেও লবণাক্ততাসহ নানা কারণে এবার সাত উপজেলায় ফলন কমেছে; কাউখালীর হাটে কাঁচা সুপারির দাম গত বছরের চেয়ে অন্তত ৩০ শতাংশ বেশি।

এগ্রিকেয়ার২৪১৮ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

কৃষিযন্ত্র কেনায় ব্যাংকঋণ মাত্র ২-৭ শতাংশ, যন্ত্রের ৯৮ শতাংশ চলে ভাড়ায়

বিআইডিএস-আইএফপিআরআইয়ের গবেষণা বলছে, মাত্র ২ শতাংশ কৃষকের নিজের ট্রাক্টর বা যন্ত্র আছে; কম্বাইন হারভেস্টারে ধান কাটা ২০১৮ সালের ১ থেকে ২০২৩ সালে ২০ শতাংশে উঠলেও যন্ত্র কিনতে ব্যাংকঋণ মেলে সামান্যই।

প্রথম আলো১৮ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

৭০ হাজার টাকার পুঁজিতে নার্সারি, এখন মাসে ৩ লাখ চারা বিক্রি করেন মেহেদী

পটুয়াখালীর বাউফলের মেহেদী হাসান ৩৩ শতকে নার্সারি শুরু করে এখন ১২৫ শতকে প্রায় ৩ হাজার ৫০০ প্রজাতির গাছের চারা তৈরি করছেন; মাসে প্রায় ৩ লাখ ঔষধি চারা বিক্রি হয়।

কৃষি সময়১৮ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)