সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

জাটকা রক্ষায় দুই মাস সব ধরনের মাছ ধরা বন্ধ

জাটকা সংরক্ষণ ও উৎপাদন বৃদ্ধি লক্ষ্যে চাঁদপুর জেলার পদ্মা-মেঘনা নদীসহ দেশের অন্যান্য অভয়াশ্রম এলাকায় দুই মাসের জন্য সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে সরকার।

জাটকা সংরক্ষণ ও উৎপাদন বৃদ্ধি লক্ষ্যে চাঁদপুর জেলার পদ্মা-মেঘনা নদীসহ দেশের অন্যান্য অভয়াশ্রম এলাকায় দুই মাসের জন্য সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে সরকার।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাত থেকে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে এবং আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত তা বলবৎ থাকবে।

প্রতি বছর মার্চ ও এপ্রিল মাসে জাটকার নিরাপদ বিচরণ ও ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির স্বার্থে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়। এর অংশ হিসেবে চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল এলাকা থেকে চর আলেকজেন্ডার পর্যন্ত প্রায় ১০০ কিলোমিটার নদী এলাকায় জাল ফেলা, মাছ আহরণ, ক্রয়-বিক্রয়, মজুত ও পরিবহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে জেলা টাস্কফোর্স ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। দুই মাসব্যাপী নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করবে জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে মাছ শিকার করতে গিয়ে ধরা পড়লে কমপক্ষে এক বছর থেকে সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার বিধান রয়েছে।

এদিকে নিষেধাজ্ঞার কারণে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন জেলার ৪০ হাজারেরও বেশি নিবন্ধিত জেলে। সরকার নিবন্ধিত জেলেদের জন্য ৪০ কেজি করে চার কিস্তিতে মোট ১৬০ কেজি চাল সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। তবে জেলেদের দাবি, সংসারের ব্যয়ভার বিবেচনায় এ সহায়তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। তারা খাদ্য সহায়তার পরিমাণ বৃদ্ধির পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞাকালীন সময়ে এনজিওর ঋণের কিস্তি আদায় সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার দাবি জানিয়েছেন।

নদীতে মাছ ধরা বন্ধ থাকায় অনেক জেলে ইতোমধ্যে নৌকা ও জাল মেরামতের কাজ শুরু করেছেন। তারা বলছেন, বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ না থাকায় দুই মাস পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়।

চাঁদপুর সদরের মেঘনা পাড়ের জেলে মুকবুল মাঝি ও সাইফুল ইসলাম বলেন, আমরা সব সময় অভিযান মেনে চলি কিন্তু সরকার আমাদের যে চাল দেয়, তা দিয়ে কিছু হয়না। চালের সাথে তেল নুন অন্যান্য তরিতরকারি লাগে, সেই খরচ কে দিবে। তাই আমাদের দাবি সরকার যাতে সহায়তা আরো বাড়িয়ে দেয়।

জেলেরা বলেন, দুইমাস আমাদের ধারদেনা কিস্তি নিয়ে চলতে হয়। এই সময়ে প্রশাসন যদি এনজিওর কিস্তি টাকা বন্ধ রাখে, তাহলে আমাদের অনেক উপকার হবে। আবার যখন মাছধরা শুরু হবে, তখন কিস্তি টাকা আমরা দিবো। এখন যেহেতু ইনকাম নেই, আমাদের পক্ষে টাকা দেওয়া সম্ভব না।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. নাজমুল ইসলাম সরকার বলেন, জাটকা সংরক্ষণে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি ও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। জেলেদের সার্বিক সহযোগিতার মাধ্যমেই অভিযান সফল করা সম্ভব হবে।

তিনি আরও বলেন, সরকার নির্ধারিত যে প্রণোদনা আছে, ৪০ কেজি করেই চাল দেওয়া হবে। তবে জেলেদের জন্য আলাদা বিশেষ কোন প্রণোদনা নেই। তবে একটি প্রকল্প আছে তার আওতায় চাঁদপুর সদর, হাইমচর ও মতলব উত্তরের সাড়ে ৮ হাজার জেলে আছে, যাদের জন্য চালের পাশাপাশি অন্যান্য খাদ্য সহায়তা রয়েছে।

শরীফুল ইসলাম/আরএইচ/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

কেরালার উপকূলীয় নারীদের ৮৪টি মাছের ব্যবসা, পারিবারিক আয় বেড়েছে ৩০-৩৫ শতাংশ

আইসিএআর-সিএমএফআরআইয়ের এক কর্মসূচির সহায়তায় ২০২২ থেকে ২০২৬ সালে কেরালার আট জেলায় ৮৪টি মৎস্যভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোগ গড়ে উঠেছে; সরাসরি উপকৃত ৪৬৯ জন, যাঁদের বেশির ভাগ তফসিলি জাতিভুক্ত।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

সৌরশক্তির রিসার্কুলেটিং ট্যাংকে পাহাড়ে ট্রাউট চাষ, পানি লাগবে ৮০ শতাংশ কম

ভারতের উত্তরাখণ্ডের এক খামারে সৌরশক্তিচালিত হাইব্রিড রিসার্কুলেটিং অ্যাকুয়াকালচার সিস্টেম চালু করেছে আইসিএআর-সিআইসিএফআর; প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এতে পানি প্রায় ৮০ শতাংশ কম লাগে এবং একজন ট্রাউটচাষি বছরে ৪ থেকে ৫ লাখ রুপি উদ্বৃত্ত পেতে পারেন।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

আট পদের পাঁচটিই শূন্য, তিনজনে চলছে শায়েস্তাগঞ্জের সরকারি মৎস্য বীজ খামার

১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ সরকারি মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারে ১২টি পুকুরে পোনা উৎপাদন চললেও আট পদের পাঁচটি শূন্য, নৈশপ্রহরী নেই, বরাদ্দ না থাকায় চাষি প্রশিক্ষণও বন্ধ।

মানবজমিন১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)