সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৩%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

কালীগঞ্জে ‘বড়শি মৌসুমে’ মাছ শিকারিদের উৎসব

মূলত বর্ষাকালেই শুরু হয় মাছ ধরার আয়োজন। তবে অক্টোবর থেকে মার্চ সময়টা মাছ শিকারিদের কাছে আনন্দের মৌসুম। কেউ জীবিকার তাগিদে, কেউবা নিছক শখে ছুটে যান জলাশয়ের ধারে। গাজীপুরের কালীগঞ্জের বিল-ঝিল, নদী-নালা আর খালের পাড়ে জমে উঠেছে বড়শি দিয়ে মাছ ধরার উৎসব।

মূলত বর্ষাকালেই শুরু হয় মাছ ধরার আয়োজন। তবে অক্টোবর থেকে মার্চ সময়টা মাছ শিকারিদের কাছে আনন্দের মৌসুম। কেউ জীবিকার তাগিদে, কেউবা নিছক শখে ছুটে যান জলাশয়ের ধারে। গাজীপুরের কালীগঞ্জের বিল-ঝিল, নদী-নালা আর খালের পাড়ে জমে উঠেছে বড়শি দিয়ে মাছ ধরার উৎসব।

কালীগঞ্জ উপজেলার বেলাই বিল, আফাইন্নার বিলসহ অন্য জলাশয় ও শীতলক্ষা নদীতে বর্ষায় শুরু হওয়া এই উৎসব অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত চলে। স্থানীয় ভাষায় যাকে বলা হয় ‌'বড়শি মৌসুম'। সকাল থেকেই ডিঙি নৌকা, বাঁশের চেয়ার, ছাতা, টিফিনবক্স নিয়ে হাজির হন শিকারিরা। পেশায় ব্যবসায়ী, শিক্ষক, চাকরিজীবী সবারই এক পরিচয়, তারা বড়শির টানে ছুটে আসেন জলভরা মাঠে।

সৌখিন শিকারিরা মৌসুমি অভিযানে নামেন। কেউ বড়শি ফেলে নদীর ধারে বসে থাকেন। কেউ আবার ডিঙি নৌকা ভাড়া করে চলে যান জলাশয়ের গভীরে। 'মাছ ধরার আনন্দটাই আলাদা'। বলছিলেন বেলাই বিলের এক নিয়মিত শিকারি। 'দিনভর বসে থেকেও যদি একটা বড় মাছ পাই, তাতেই সারাদিনের ক্লান্তি মুছে যায়। টাকা-পয়সা ওঠে কি না, সেটা ভাবি না।' জানালেন তিনি।

অনেকে জানান, টোপ বানাতে কেউ কেউ শত-হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ করেন। কারও কাছে এটি প্রতিযোগিতা, কারও কাছে ধ্যানের মতো অভ্যাস। বিকেল গড়ালে পাড়ে ভিড় জমে দর্শকদেরও। কেউ কৌতূহল নিয়ে দেখেন, কেউ পরামর্শ দেন আবার কেউ মাছ ধরার মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করেন।

আরও পড়ুনপাহাড়ের জাম্বুরার কদর বাড়ছে সারাদেশে আলু বীজের দাম সর্বনিম্ন হলেও সারের দাম বেশি

কালীগঞ্জ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুলতানা রাজিয়া বলেন, 'শখের মাছ শিকার আমাদের গ্রামীণ সংস্কৃতির অংশ। এতে মানুষ প্রকৃতির সঙ্গে মিশে যায়। আমরা চাই, সবাই নিয়ম মেনে শিকার করুক। ছোট মাছ ছেড়ে দিক। জলাশয়ের ভারসাম্য বজায় থাকুক।'

মাছ ধরা শুধু জীবিকার বিষয় নয়; হয়ে উঠেছে গ্রামীণ বিনোদনের অনন্য মাধ্যম। ছুটির দিনে অনেকে পরিবার নিয়ে আসেন, কেউ রান্না করেন ধরা মাছ দিয়েই। কেউবা বন্ধুর সঙ্গে ছোটখাটো প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন।

সূর্যের আলো ঝলমল করলে জলের ওপর বাতাস দুলে উঠলে শুরু হয় বড়শির খেলা। হঠাৎ বড় মাছ টোপে ধরা পড়লে পারে ছড়িয়ে পড়ে উচ্ছ্বাস। কেউ হাসে, কেউ চিৎকার দেয় আবার কেউ বলেন, 'এই আনন্দের দাম টাকায় মাপা যায় না!'

জল কমে এলেও শিকারিদের মন থেকে বড়শির টান যায় না। তারা বলেন, 'মাছ না ধরলে দিনটা অসম্পূর্ণ লাগে।' কালীগঞ্জের জলাশয়গুলো তাই শুধু জীবিকার উৎস নয়; মানুষ ও প্রকৃতির সংযোগের প্রতীক। বড়শির ফাঁদে শুধু মাছ ধরা পড়ে না, ধরা পড়ে আনন্দ, ধৈর্য আর জীবনের রং।

আব্দুর রহমান আরমান/এসইউ/জিকেএস

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

কেরালার উপকূলীয় নারীদের ৮৪টি মাছের ব্যবসা, পারিবারিক আয় বেড়েছে ৩০-৩৫ শতাংশ

আইসিএআর-সিএমএফআরআইয়ের এক কর্মসূচির সহায়তায় ২০২২ থেকে ২০২৬ সালে কেরালার আট জেলায় ৮৪টি মৎস্যভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোগ গড়ে উঠেছে; সরাসরি উপকৃত ৪৬৯ জন, যাঁদের বেশির ভাগ তফসিলি জাতিভুক্ত।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

সৌরশক্তির রিসার্কুলেটিং ট্যাংকে পাহাড়ে ট্রাউট চাষ, পানি লাগবে ৮০ শতাংশ কম

ভারতের উত্তরাখণ্ডের এক খামারে সৌরশক্তিচালিত হাইব্রিড রিসার্কুলেটিং অ্যাকুয়াকালচার সিস্টেম চালু করেছে আইসিএআর-সিআইসিএফআর; প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এতে পানি প্রায় ৮০ শতাংশ কম লাগে এবং একজন ট্রাউটচাষি বছরে ৪ থেকে ৫ লাখ রুপি উদ্বৃত্ত পেতে পারেন।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

আট পদের পাঁচটিই শূন্য, তিনজনে চলছে শায়েস্তাগঞ্জের সরকারি মৎস্য বীজ খামার

১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ সরকারি মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারে ১২টি পুকুরে পোনা উৎপাদন চললেও আট পদের পাঁচটি শূন্য, নৈশপ্রহরী নেই, বরাদ্দ না থাকায় চাষি প্রশিক্ষণও বন্ধ।

মানবজমিন১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)