সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

ইন্দোনেশিয়ার হাতির ওপর করোনার থাবা

করোনা মহামারির নেতিবাচক প্রভাব থেকে মুক্তি পাচ্ছে না জীবজন্তুও। পর্যটনের জন্য বিখ্যাত ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপের অনেক প্রাণী এখন অস্থি-কঙ্কালসার। বিশেষ করে হাতিগুলোর অবস্থা এতটাই নাজুক যে শরীরে চামড়া আর হাড় ছাড়া যেন কিছু নেই।

করোনা মহামারির নেতিবাচক প্রভাব থেকে মুক্তি পাচ্ছে না জীবজন্তুও। পর্যটনের জন্য বিখ্যাত ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপের অনেক প্রাণী এখন অস্থি-কঙ্কালসার। বিশেষ করে হাতিগুলোর অবস্থা এতটাই নাজুক যে শরীরে চামড়া আর হাড় ছাড়া যেন কিছু নেই।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনার কারণে পর্যটনখাতে ধস নেমেছে ইন্দোনেশিয়ায়। প্রশ্ন উঠছে, হাতি ঘিরে গড়ে উঠা দেশটির পর্যটন ব্যবস্থা টিকে থাকবে কি না তা নিয়ে।

বালি দ্বীপের একটি হাতি পার্কে ডজনখানেক হাতি খাবারের অভাবে প্রায় মরতে বসেছে। পার্কটির স্টাফদের ছুটি দেওয়া হয়েছে বিনা বেতনে। করোনার কারণে টিকিট বিক্রি কমে যাওয়ায় মানুষের পাশাপাশি হুমকির মুখে এই অবুঝ প্রাণীগুলোও।

বালি এলিফ্যান্ট ক্যাম্প (বিইসি) হলো একটি সাফারি পার্ক। এটি ইন্দোনেশিয়ার সাংস্কৃতিক রাজধানী উবুদ থেকে আধা ঘণ্টার দূরত্বে অবস্থিত।

২০০৫ সালে বিইসি দেশটির বন মন্ত্রণালয় পরিচালিত একটি বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কর্মসূচিতে যোগ দেয় এবং পরে ইন্দোনেশিয়ার ব্যক্তিগত মালিকানাধীন চিড়িয়াখানা ও সাফারি পার্কগুলোর বিপন্ন সুমাত্রান হাতির সংরক্ষণের দায়িত্ব নেয়।

২০০৭ সালের বিশ্ব বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের একটি গবেষণা বলছে, সুমাত্রান হাতির সংখ্যা ২৪শ ছিল। এখন বন উজাড় ও মানুষের সঙ্গে দ্বন্দ্বে অর্ধেকে নেমে এসেছে। ১৯৮০ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত ৬৭ শতাংশ সুমাত্রান হাতির বসবাসের জায়গা ধ্বংস হয়েছে। ফলে নানাবিধ কারণে সংখ্যা কমে যাওয়ায় ২০১২ সালে এটি বিপন্ন প্রাণীর তালিকায় চলে যায়।

বিইসির হাতিগুলো ৩০ বছর আগে সুমাত্রার একটি প্রজননকেন্দ্র থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল। জন্তুগুলো সংরক্ষণ ও ব্যবসায়িক উদ্দেশ্য কাজে লাগানোর অনুমতিও দেয় দেশটির সরকার। দীর্ঘদিন ধরে মুনাফা অর্জন করে এলেও করোনার কারণে তা ভেস্তে গেছে। বিইসি আধা ঘণ্টার জন্য একটি হাতির ওপর দুজন মানুষ চড়া বাবদ ২৩০ মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি টাকায় ১৯ হাজারের বেশি) করে নিতো। করোনার কারণে বন্ধ হয়ে গেছে সে আয়। বিইসির অচলাবস্থার কারণে সম্প্রতি বেশ কয়েকটি হাতি অন্যত্র স্থানান্তর করা হয়েছে।

গত ১৫ বছরে তিনটি বাচ্চা হাতির জন্ম থেকে বোঝা যায় যে বিইসি কেবল পশু কল্যাণের প্রয়োজনীয়তাকেই পূরণ করছিল না, কোম্পানিটির ওয়েবসাইটে কিছু স্বাস্থ্যকর, সুন্দর হাতির ছবিও চোখে পড়ে।

২০ বছর ধরে নেদারল্যান্ডের একজন পশুচিকিৎসক সেখানে কাজ করছেন। তিনি বলেন, আপনি একটি চর্মসার হাতি কল্পনা করতে পারবেন না যতক্ষণ না আপনি এটিকে নিজ চোখে দেখেন। তারা বড় প্রাণী এবং আপনি তাদের হাড় দেখতে চান না। কিন্তু সেগুলো ছিল শুধু চামড়া ও হাড়।

তবে দেশটির সরকার হাতিগুলোকে বাঁচাতে সব ধরনের সহযোগিতা করছে বলে জানা যায়। কারণ প্রতিমাসে হাতিগুলোর পেছনে খরচ হয় ১৪শ ডলার করে। যা ব্যয় করতে হিমশিম অবস্থা কর্তৃপক্ষের।

সূত্র: আল জাজিরা

এসএনআর/এএ/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

শব্দদূষণ ভারতের শহরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, কিন্তু মাপাই কঠিন

মুম্বাইয়ে বাইরের শব্দের মাত্রা গড়ে ৬৫ থেকে ৮৫ ডেসিবেল, যেখানে সড়কের শব্দে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা ৫৪ ডেসিবেল। গবেষকেরা বলছেন, তথ্যের ঘাটতি ও ব্যয়বহুল শব্দ-মডেলের কারণে ভারতে এর স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণা কঠিন।

Mongabay India১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ব্যাংকক বাঁচাতে প্রতিবছর ডুবছে থাইল্যান্ডের গ্রাম

২০১১ সালের বন্যার পর থাইল্যান্ডে তৈরি বাঁধ ও জলকপাট ব্যাংকক ও শিল্পাঞ্চল থেকে পানি সরিয়ে দেয়, কিন্তু আয়ুথায়ার নদীতীরের গ্রামগুলো এখন মাসের পর মাস মাথার ওপর পানিতে ডুবে থাকে; ঘর উঁচু করতে সঞ্চয় খরচ করছেন বাসিন্দারা।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুস্থ যমজের ছোঁয়ায় কয়েক সপ্তাহে প্রাণ ফিরে পেল বিবর্ণ প্রবাল

স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, একই কলোনির সুস্থ প্রবালের গায়ে বিবর্ণ প্রবালের টুকরা লাগিয়ে রাখলে দুটি জুড়ে যায় এবং বিবর্ণ প্রবাল আবার শৈবাল ফিরে পায়; পাঁচটি টুকরার সবকটি সাত সপ্তাহে সেরে উঠেছে।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)