সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৯°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৫৮%বাতাস ৬ কিমি/ঘ

সমুদ্রবিজ্ঞান ও ওয়ান হেলথ গবেষণায় জাপানের এহিমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চুক্তি করছে ঢাবি

জাপানের এহিমে বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষি, মৎস্যচাষ ও পশুপালনের রাসায়নিক ঝুঁকি নিয়ে সিম্পোজিয়ামে পাঙ্গাসের খাদ্যে ন্যানো-পার্টিকেল, জলজ পরিবেশে অ্যান্টিবায়োটিক দূষণসহ গবেষণা তুলে ধরেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা; দুই বিশ্ববিদ্যালয় সমঝোতা স্মারক সই করবে।

সমুদ্রবিজ্ঞান ও ওয়ান হেলথ গবেষণায় জাপানের এহিমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চুক্তি করছে ঢাবি
মৎস্য

সামুদ্রিক বিজ্ঞান, পরিবেশ পর্যবেক্ষণ ও জনস্বাস্থ্য নিয়ে যৌথ গবেষণা বাড়াতে জাপানের এহিমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে শিগগিরই চুক্তিটি সই হবে বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এহিমে বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬ থেকে ৮ অক্টোবর জাপান সোসাইটি ফর দ্য প্রমোশন অব সায়েন্সের (জেএসপিএস) সহায়তায় 'রাসায়নিক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় ওয়ান হেলথ পদ্ধতি' শীর্ষক কোর-টু-কোর সিম্পোজিয়াম হয়। আয়োজক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর মেরিন এনভায়রনমেন্টাল স্টাডিজ (সিএমইএস)। বাংলাদেশ, জাপান, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম ও মোজাম্বিকের গবেষকেরা এতে অংশ নেন। আলোচনার কেন্দ্রে ছিল চিকিৎসা, কৃষি, মৎস্যচাষ ও পশুপালনে ব্যবহৃত রাসায়নিকের কারণে পরিবেশ ও বাস্তুতন্ত্রের ক্ষতি কমানো।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক আবদুস সালাম, যিনি বাংলাদেশের বায়ুর মান, দূষণের উৎস ও স্বাস্থ্যে তার প্রভাব নিয়ে বক্তব্য দেন। মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ মামুন চৌধুরী তুলে ধরেন পাঙ্গাস মাছের বৃদ্ধিতে খাদ্যে সেলেনিয়াম ও জিঙ্ক ন্যানো-পার্টিকেলের প্রভাব নিয়ে গবেষণা। একই বিভাগের অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন আলোচনা করেন দেশের জলজ পরিবেশে অ্যান্টিবায়োটিক দূষণ, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স আর ঝুঁকি কমানোর কৌশল নিয়ে।

আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. হুমায়ুন কবীর ঢাকা দক্ষিণ সিটির রাসায়নিক গুদাম থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি নিয়ে পোস্টার উপস্থাপন করেন। সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ওশান গভর্নেন্সের (আইসিওজি) পরিচালক কে এম আজম চৌধুরী উত্তর বঙ্গোপসাগরে দ্রবীভূত অক্সিজেনের ঋতুভিত্তিক ওঠানামা আর অক্সিজেন-স্বল্প এলাকা নিয়ে যৌথ গবেষণার ফল জানান। প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন মৎস্যবিজ্ঞানের অধ্যাপক মো. হাবিবুল্লাহ-আল-মামুন।

৮ অক্টোবর আইসিওজি ও সিএমইএসের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে সিএমইএসের পক্ষে ছিলেন অধ্যাপক জিনইউ গুও ও পরিচালক অধ্যাপক আকিহিকো মরিমোতো। বৈঠকে বাংলাদেশের নীল অর্থনীতির জন্য সিএমইএসের ফিজিক্যাল-ইকোসিস্টেম অ্যান্ড পলিউশন কাপলিং মডেলের গুরুত্ব নিয়ে কথা হয়, আর সামুদ্রিক গবেষণা, মডেলিং ও পূর্বাভাসে সহযোগিতা বাড়ানোর আশা প্রকাশ করেন অধ্যাপক আবদুস সালাম।

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, সমঝোতা স্মারকের ফলে যৌথ গবেষণা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময় আর গবেষণার সক্ষমতা বাড়ানোর নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

ছবি: Melanochromis / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0); পাঙ্গাস মাছ

সূত্র: দিনাজপুর টিভি

দিনাজপুর টিভিসূত্র

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

কেরালার উপকূলীয় নারীদের ৮৪টি মাছের ব্যবসা, পারিবারিক আয় বেড়েছে ৩০-৩৫ শতাংশ

আইসিএআর-সিএমএফআরআইয়ের এক কর্মসূচির সহায়তায় ২০২২ থেকে ২০২৬ সালে কেরালার আট জেলায় ৮৪টি মৎস্যভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোগ গড়ে উঠেছে; সরাসরি উপকৃত ৪৬৯ জন, যাঁদের বেশির ভাগ তফসিলি জাতিভুক্ত।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

সৌরশক্তির রিসার্কুলেটিং ট্যাংকে পাহাড়ে ট্রাউট চাষ, পানি লাগবে ৮০ শতাংশ কম

ভারতের উত্তরাখণ্ডের এক খামারে সৌরশক্তিচালিত হাইব্রিড রিসার্কুলেটিং অ্যাকুয়াকালচার সিস্টেম চালু করেছে আইসিএআর-সিআইসিএফআর; প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এতে পানি প্রায় ৮০ শতাংশ কম লাগে এবং একজন ট্রাউটচাষি বছরে ৪ থেকে ৫ লাখ রুপি উদ্বৃত্ত পেতে পারেন।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

আট পদের পাঁচটিই শূন্য, তিনজনে চলছে শায়েস্তাগঞ্জের সরকারি মৎস্য বীজ খামার

১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ সরকারি মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারে ১২টি পুকুরে পোনা উৎপাদন চললেও আট পদের পাঁচটি শূন্য, নৈশপ্রহরী নেই, বরাদ্দ না থাকায় চাষি প্রশিক্ষণও বন্ধ।

মানবজমিন১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)