যুক্তরাজ্যের এনভায়রনমেন্ট এজেন্সি ১৫ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দক্ষিণ ইংল্যান্ডের কর্নওয়াল, ডেভন, ডরসেট, সমারসেট, ইস্ট সাসেক্স ও ওয়েস্ট সাসেক্সে ‘তীব্র খরা’ ঘোষণা করেছে। ফলে এসব এলাকার কৃষকদের পানির সংকট চলতেই থাকবে, জানিয়েছে ফার্মার্স উইকলি।
দক্ষিণ-পূর্ব ও দক্ষিণ-পশ্চিম ইংল্যান্ডে এ বছরের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর ছিল শতাধিক বছরের মধ্যে সবচেয়ে শুকনো, আর জলাধারগুলোর পানি এই সময়ের স্বাভাবিক মাত্রার অনেক নিচে। সংস্থাটি জানায়, সেপ্টেম্বর ছিল ২০২৬ সালের ষষ্ঠ মাস যেখানে বৃষ্টি গড়ের কম হয়েছে, আর সাম্প্রতিক বৃষ্টি শুকনো বসন্ত ও গ্রীষ্মের প্রভাব কাটাতে যথেষ্ট নয়। ওয়েস্ট সাসেক্সের আর্ডিংলি জলাধার ২০ শতাংশ এবং ডেভনের উইম্বলবল জলাধার ১৮ শতাংশ ভরা বলে জানা গেছে।
খামার ও প্রতিষ্ঠানগুলো লাইসেন্সে অনুমোদিত পরিমাণের বেশি পানি তুলছে কি না, তা যাচাইয়ে পরিদর্শন বাড়াবে এজেন্সি; পাশাপাশি কৃষকদের সেচ বিষয়ে পরামর্শ দিচ্ছে তারা।
জাতীয় খরা গ্রুপ বলছে, পানিসম্পদ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে শীতে গড়ের প্রায় ১২০ শতাংশ বৃষ্টি দরকার হতে পারে; গড় বৃষ্টি হলেও ডেভন, কর্নওয়াল ও ইস্ট অ্যাংলিয়ার কিছু অংশ মার্চ পর্যন্ত খরায় থাকতে পারে। সামনের সপ্তাহে ভালো বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকলেও পুনরুদ্ধারে সময় লাগবে বলে সতর্ক করেছে এজেন্সি। পাঁচ বছরে এটি তৃতীয় খরা।
যুক্তরাজ্যের কৃষক সংগঠন এনএফইউর উপসভাপতি পল টম্পকিন্স (Paul Tompkins) বলেন, দেশের কিছু অংশে তীব্র খরা ঘোষণা কৃষকদের কঠিন পরিস্থিতিরই প্রতিফলন। পানি পাওয়া গেলে খামারের জলাধার ভরতে বেশি সুযোগ চাইবে সংগঠনটি। তারা জলাধারের মতো খামার অবকাঠামোয় কর ছাড়, পানি ব্যবস্থাপনা অনুদান নিয়ে স্পষ্টতা এবং পানি সংরক্ষণের স্থাপনা তৈরিতে অপ্রয়োজনীয় পরিকল্পনা-বাধা দূর করার দাবি জানিয়েছে।
৫০টির বেশি সংস্থা নিয়ে সরকারের নতুন বন্যা ও খরা টাস্কফোর্সকে স্বাগত জানালেও এনএফইউ বলছে, খামারের সহনশীলতা বাড়াতে এখনই বাস্তব পদক্ষেপ দরকার।
ছবি: Martin Horsfall / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)
সূত্র: ফার্মার্স উইকলি





মন্তব্য
(০)