সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

লাউ চাষ করে চার ভাই লাখোপতি

লাউ চাষ করে লাখোপতি হয়েছেন ফরিদপুরের মধুখালীর এক পরিবারের চার ভাই। সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার মেকচামী ইউনিয়নের মেকচামী গ্রামের তাজউদ্দীন শেখ ও তার তিন ভাই বায়োজিদ শেখ, আবু সাঈদ শেখ ও আলমগীর শেখ চলতি মৌসুমে লাউ চাষ করে নিজেরা হয়েছেন স্বাবলম্বী হয়েছেন। এলাকায় আলোড়ন তুলেছেন লাউ চাষে। তাদের এই সাফল্য দে

লাউ চাষ করে লাখোপতি হয়েছেন ফরিদপুরের মধুখালীর এক পরিবারের চার ভাই। সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার মেকচামী ইউনিয়নের মেকচামী গ্রামের তাজউদ্দীন শেখ ও তার তিন ভাই বায়োজিদ শেখ, আবু সাঈদ শেখ ও আলমগীর শেখ চলতি মৌসুমে লাউ চাষ করে নিজেরা হয়েছেন স্বাবলম্বী হয়েছেন। এলাকায় আলোড়ন তুলেছেন লাউ চাষে। তাদের এই সাফল্য দেখে অনেকেই এখন লাউ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।

জানা যায়, তাজউদ্দীন শেখ দুই বছর আগে থেকে লাউ চাষ করছিলেন। তবে পরিমাণে ছিল কম। গত দুই বছরের অভিজ্ঞতা আর ভালো লাভ পেয়ে এবার তার সঙ্গে যোগ দিয়েছেন ওই তিন ভাইও। এবার তারা জমির পরিমাণ বাড়িয়ে তিন একর জমিতে লাউ চাষ করেছেন। তাজউদ্দীনের ভাইয়ের ছেলে টিটোন মাস্টার্স পর্যন্ত পড়াশুনা শেষ করেছেন আর রাজু অর্নাস পড়ছেন।

ছাত্রাবস্থায় করোনাকালে বসে না থেকে বাবা ও চাচাদের সঙ্গে উন্নত লাউ চাষের কাজে যোগ দেন তারা। ভাদ্র মাস থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত তারা ১৫ লাখ টাকার লাউ বিক্রি করেছেন। এখনো জমিতে যে লাউ অবশিষ্ট রয়েছে তাতে আরো প্রায় ৫ লাখ টাকার লাউ বিক্রি করতে পারবেন বলে তারা আশা করছেন।

চাষি তাজউদ্দীন শেখ জাগো নিউজকে বলেন, আগে এসব জমিতে আখ এবং মরিচ চাষ হতো। এসব ফসল আবাদে লোকসান হওয়ায় গত দুই বছর ধরে পরীক্ষামূলকভাবে লাউ চাষ করছি।

গত বছর এক একর জমিতে লাউ চাষ করেছিলাম। ভালো ফলন ও লাভ হওয়ায় এবছর তিন একর জমিতে লাউ চাষ করেছি। সঙ্গে তিন ভাইদের সম্পৃক্ত করেছি। সব মিলিয়ে এবার বাম্পার ফলনের পাশাপাশি ভালো দামও পেয়েছি।

তিনি আরও বলেন, তিন একর জমিতে বাঁশের মাচা, সুতা ও অন্যান্য খরচ বাবদ লাখ দুয়েক টাকার মতো খরচ হয়েছে। আগামী বছর জমির পরিধি বাড়িয়ে চার একরজুড়ে লাউ চাষ করার আশা আছে। সে অনুযায়ী প্রস্তুতি চলছে বলেও তিনি জানান।

লাউ চাষি আবু সাঈদ জাগো নিউজকে বলেন, আমরা অল্প লাউ চাষ করতাম প্রথম দিকে। তবে হিসাব করে দেখা যেতো লাউ চাষে আখ ও মরিচ চাষের চেয়েও অনেক বেশি লাভ। এজন্য আমরা চার ভাই মিলে লাউ চাষে ঝুঁকে পড়েছি। আগামীতে আরো বেশি পরিমাণ জমিতে লাউ চাষ করবো।

অন্য চাষি (ছোট ভাই) আলমগীর বলেন, বছরজুড়ে লাউ চাষ করছি আমরা। আমার ভাতিজা টিটোন ও রাজু উন্নত জাতের লাউ চাষে আমাদের উৎসাহিত করে। এবছর আমরা অনেক লাভবান হয়েছি।

তিনি আরও জানান, বাণিজ্যিকভাবে আমরা লাউ চাষ করলেও স্থানীয় কৃষি অফিস থেকে সার ও কীটনাশক দেয়া হয়নি। এমনকি কোনো সহযোগিতাও পাননি বলে তিনি অভিযোগ করেন।

টিটোন বলেন, আমরা এখন সারাবছর দুই জাতের লাউ আবাদ করছি। সেটা হলো গ্রিন ম্যাজিক ও মেরিনা। ভালো ফলন পাওয়ায় আমরা আগামীতে আরো এক একর বেশি জমিতে লাউ চাষ করবো বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। মাস্টার্স শেষ করে চাকরি না পেয়ে বাবা চাচাদের সঙ্গে লাউ চাষে সময় দিচ্ছি। তাদের সহযোগিতা করছি।

রাজু বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি বাড়িতে বসে না থেকে পরিবারের সাথে লাউ চাষ করছি। এতে করে সবজির চাহিদা পূরণসহ অর্থনৈতিকভাবে আমার পরিবার ও সবাই লাভবান হচ্ছে।

এ বিষয়ে মধুখালী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলভির রহমান জানান, এই অঞ্চলে তারা লাউ চাষে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তার দেখাদেখি অনেকেই লাউ চাষের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।

এ অঞ্চলে আগামী বছর লাউ চাষের পরিমাণ আরো বৃদ্ধি পাবে। লাউ চাষের ব্যাপারে কৃষকদের বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করছেন জানিয়ে তিনি বলেন, কৃষকেরা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে আমরা তাদের সব ধরনের সহযোগিতা করবো এবং করে থাকি। কেউ যদি যোগাযোগ না করেন তাহলে আমরা কিভাবে সহযোগিতা করবো।

এন কে বি নয়ন/এমএমএফ/এমএস

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

শাকসবজি

সম্পর্কিত খবর

শাকসবজি

কুয়াশায় শিকড় খাওয়ানোর প্রযুক্তিতে রোগমুক্ত আলুবীজ উৎপাদনের পরীক্ষা ইংল্যান্ডে

স্টার্টআপ এয়ারপনিক্স ও ডাইসন ফার্মিং ডেফরার অর্থায়নে দুই বছরের এক পরীক্ষা শুরু করেছে: কুয়াশাভিত্তিক পদ্ধতিতে বর্তমান খরচের অর্ধেকেরও কমে ইংল্যান্ডে রোগমুক্ত প্রথম প্রজন্মের আলুবীজ উৎপাদন সম্ভব কি না।

AgNavigator১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

মাশরুমের গাঁজন প্রযুক্তিতে টফুর বর্জ্য হলো প্রোটিনসমৃদ্ধ সুস্বাদু উপাদান

সিঙ্গাপুরের নানইয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা সয়া দুধ ও টফুর অবশিষ্ট ওকারা ঝিনুক মাশরুমের মাইসেলিয়াম দিয়ে গাঁজন করে এর প্রোটিন প্রায় ২৮ থেকে ৩০ শতাংশে তুলেছেন, বাড়িয়েছেন উমামি স্বাদ।

Green Queen১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

মাদারগঞ্জে ৬০ হেক্টরে আগাম শসা, দুই হাজার টন উৎপাদনের আশা

জামালপুরের মাদারগঞ্জে এবার প্রায় ৬০ হেক্টরে আগাম শসার আবাদ হয়েছে, উৎপাদন হতে পারে প্রায় দুই হাজার টন; পাইকারি বাজারে কেজি ৩০-৪০ টাকা, বিঘায় খরচ ১৫-২০ হাজার আর বিক্রি ৩০-৪০ হাজার টাকা।

ডেইলি বাংলাদেশ১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)