সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৯°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৫৮%বাতাস ৬ কিমি/ঘ

বাঁশের ওপর টিকে থাকা পান্ডা কেন কেবল চীনেই মেলে

একটি পূর্ণবয়স্ক জায়ান্ট পান্ডাকে দিনে ১২ থেকে ৩৮ কেজি পর্যন্ত বাঁশ খেতে হয়, আর বাঁশবন ধ্বংস হলেই তার অস্তিত্ব সরাসরি হুমকিতে পড়ে।

বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্ত থেকে ফিরে আসা জায়ান্ট পান্ডার স্বাভাবিক জন্ম ও বসবাস আজও কেবল চীনেই সীমাবদ্ধ। ভালুক পরিবারের এই কালো-সাদা প্রাণীটি চীনে কেবল একটি প্রাণী নয়, সৌভাগ্য, শান্তি ও প্রকৃতির ভারসাম্যের প্রতীক হিসেবেই দেখা হয় তাকে।

শারীরিক গড়নেও পান্ডা আলাদা। একটি পূর্ণবয়স্ক পান্ডার দৈর্ঘ্য প্রায় দেড় মিটার এবং কাঁধ পর্যন্ত উচ্চতা প্রায় ৯০ সেন্টিমিটার; ওজন হতে পারে সর্বোচ্চ ১৫০ কেজি, আর পুরুষ পান্ডা স্ত্রী পান্ডার তুলনায় কিছুটা বড় ও ভারী। চোখের চারপাশে, কান, নাকের অংশ, পা ও কাঁধে কালো লোম থাকে, আর সারা শরীরের ঘন উলের মতো লোম তাদের ঠান্ডা পাহাড়ি পরিবেশে উষ্ণ রাখে।

জন্মের সময়ের আকারটিও অস্বাভাবিক। নবজাতক পান্ডা শাবক আকারে প্রায় একটি ভুট্টার মোচার মতো, মায়ের আকারের তুলনায় জন্মের সময় এত ছোট শাবক আর কোনো স্তন্যপায়ী প্রাণীরই হয় না।

সবচেয়ে বড় বিশেষত্ব তার খাদ্যাভ্যাসে। পান্ডার পরিপাকতন্ত্র মাংসাশী প্রাণীর মতো হলেও বিবর্তনের ফলে সে প্রায় পুরোপুরি তৃণভোজী এবং বিশেষভাবে বাঁশনির্ভর হয়ে পড়েছে। একটি জায়ান্ট পান্ডাকে প্রতিদিন প্রায় ১২ থেকে ৩৮ কেজি পর্যন্ত বাঁশ খেতে হয়। খাদ্যের প্রায় এক শতাংশে অন্য উদ্ভিদ এবং মাঝে মাঝে ছোট প্রাণীও থাকে।

বাঁশ খাওয়ার জন্য তার শরীরে আলাদা ব্যবস্থা আছে। চওড়া শক্ত দাঁত এবং কবজির বিশেষ একটি হাড়, যা আঙুলের মতো কাজ করে, এই দুটির কারণেই পান্ডা খুব দক্ষভাবে বাঁশ আঁকড়ে ধরে খেতে পারে।

এই নির্ভরতাই তার সবচেয়ে বড় দুর্বলতা। বাঁশের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতার অর্থ হলো, আবাসস্থল অর্থাৎ বাঁশবন ধ্বংস হলেই পান্ডার অস্তিত্ব সরাসরি হুমকিতে পড়ে যায়। একটি প্রজাতি যখন একটিমাত্র উদ্ভিদের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে, তখন সেই উদ্ভিদের জমি হারানোই তার বিলুপ্তির পথ।

চীনে পান্ডাকে ফিরিয়ে আনার পেছনে শুধু বিজ্ঞান কাজ করেনি, মানুষের ভালোবাসা, দায়বদ্ধতা ও দীর্ঘ সংগ্রামও কাজ করেছে। দেশটিতে শিশুরা বড় হয় পান্ডার ছবি দেখে, সংরক্ষণকর্মীরা জীবন উৎসর্গ করেন তাদের রক্ষায়, আর রাষ্ট্রীয় পর্যায়েও পান্ডাকে জাতীয় ঐতিহ্য হিসেবে দেখা হয়।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

বিবিসি বাংলাসূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

শব্দদূষণ ভারতের শহরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, কিন্তু মাপাই কঠিন

মুম্বাইয়ে বাইরের শব্দের মাত্রা গড়ে ৬৫ থেকে ৮৫ ডেসিবেল, যেখানে সড়কের শব্দে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা ৫৪ ডেসিবেল। গবেষকেরা বলছেন, তথ্যের ঘাটতি ও ব্যয়বহুল শব্দ-মডেলের কারণে ভারতে এর স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণা কঠিন।

Mongabay India১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ব্যাংকক বাঁচাতে প্রতিবছর ডুবছে থাইল্যান্ডের গ্রাম

২০১১ সালের বন্যার পর থাইল্যান্ডে তৈরি বাঁধ ও জলকপাট ব্যাংকক ও শিল্পাঞ্চল থেকে পানি সরিয়ে দেয়, কিন্তু আয়ুথায়ার নদীতীরের গ্রামগুলো এখন মাসের পর মাস মাথার ওপর পানিতে ডুবে থাকে; ঘর উঁচু করতে সঞ্চয় খরচ করছেন বাসিন্দারা।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুস্থ যমজের ছোঁয়ায় কয়েক সপ্তাহে প্রাণ ফিরে পেল বিবর্ণ প্রবাল

স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, একই কলোনির সুস্থ প্রবালের গায়ে বিবর্ণ প্রবালের টুকরা লাগিয়ে রাখলে দুটি জুড়ে যায় এবং বিবর্ণ প্রবাল আবার শৈবাল ফিরে পায়; পাঁচটি টুকরার সবকটি সাত সপ্তাহে সেরে উঠেছে।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)