সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

মৌসুমের শুরুতে নাগালের বাইরে ইলিশের দাম

ইলিশের মৌসুম ধরা হয় জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত। এবার মৌসুম শুরু হলেও অধরা এই রুপালি মাছ। এদিকে দামের কারণে ক্রেতারা অসন্তোষ।

ইলিশের মৌসুম ধরা হয় জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত। এবার মৌসুম শুরু হলেও অধরা এই রুপালি মাছ। এদিকে দামের কারণে ক্রেতারা অসন্তোষ।

ক্রেতারা জানান, বিগত যেকোনো সময়ের থেকে এবার ইলিশের দাম বেশি যা 'অস্বাভাবিক'।

একইসঙ্গে সরকারি দপ্তরও বলছে, ইলিশের দাম এবারে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। নদীতে মাছ না পাওয়ায় কম সরবরাহ, চাঁদাবাজি এবং ডিজেলের দাম বৃদ্ধির মত কয়েকটি কারণে ইলিশের দাম চড়া বলে জানা গেছে।

ঢাকার খুচরা ও পাইকারী বাজারের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ৫০০-৬০০ গ্রাম ওজনের প্রতি পিস ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১০০০-১২০০ টাকার মধ্যে। যা গত বছর বিক্রি হয়েছে সর্বোচ্চ ৭০০-৮৫০ টাকার মধ্যে। ৭০০-৮০০ গ্রাম ওজনের একেকটি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১৮০০-১৯০০ টাকার মধ্যে। যা গত বছর এক হাজার টাকার মধ্যেই পাওয়া যেত। আবার ৮০০-৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ কেজি হিসেবে বিক্রেতারা ২০০০-২৩০০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি করছেন।

এদিকে যে ইলিশগুলো গত বছর বাজারভেদে কেজি প্রতি ১৬০০-১৮০০ টাকার মধ্যেই ভরা মৌসুমে বিক্রি হয়েছে। এ বছর এই ওজনের ইলিশ ২৮০০-৩৫০০ টাকা দামে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

ইলিশের দাম বেশি হওয়ার কারণে বাজারেও কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। যে যেভাবে পারছেন দাম বাড়াচ্ছেন, উচ্চ মূল্য হাকাচ্ছেন। শুক্রবারে রামপুরা এবং গুলশান বাজারের মধ্যে প্রতি কেজি ইলিশের দামের পার্থক্য তিন থেকে পাঁচশ টাকা দেখা গেছে।

গুলশান ২ নম্বর বাজারের ক্রেতা মুজাহিদ বলেন, ছেলে-মেয়ে ইলিশ খেতে চায়। কিন্তু আমার সামর্থ্য হয়নি। তাই আজ ইলিশ কিনতে পারিনি। অপেক্ষা করি, যদি কখনো দাম কমে তখনই কিনবো।

ইলিশ বিক্রেতা জুবায়ের আলী বলেন, ইলিশ ধরা পড়ছে কম, সরবরাহও কম। কম সরবরাহেও এবারে বরিশাল, চাঁদপুরের বিভিন্ন স্থানে গত বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ দাম দিয়ে ইলিশ কিনতে হচ্ছে। এ কারণে আমরাও বেশি দাম দিয়ে ইলিশ বিক্রি করছি।

তিনি বলেন, দামের কারণে মানুষ ইলিশ কেনা একেবারেই কমিয়ে দিয়েছে। এবারের ইলিশের এই অস্বাভাবিক দাম ব্যবসায়ীদেরকেও অস্বস্তিতে ফেলেছে।

এই অবস্থার মধ্যেই ইলিশ চেয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে চিঠি দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মৎস্য ব্যবসায়ীদের সংগঠন। গত ২৯ জুলাই পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের কাছে ইলিশ চেয়ে চিঠি দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের 'ফিস ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন'। তারা আগামী সেপ্টেম্বরের দুর্গাপূজা উপলক্ষে ইলিশ আমদানি করতে চায়। যে চিঠিটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হবে কিনা তা নিয়ে পর্যালোচনা চলছে।

এনএইচ/এনএইচআর/এমএস

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

কেরালার উপকূলীয় নারীদের ৮৪টি মাছের ব্যবসা, পারিবারিক আয় বেড়েছে ৩০-৩৫ শতাংশ

আইসিএআর-সিএমএফআরআইয়ের এক কর্মসূচির সহায়তায় ২০২২ থেকে ২০২৬ সালে কেরালার আট জেলায় ৮৪টি মৎস্যভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোগ গড়ে উঠেছে; সরাসরি উপকৃত ৪৬৯ জন, যাঁদের বেশির ভাগ তফসিলি জাতিভুক্ত।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

সৌরশক্তির রিসার্কুলেটিং ট্যাংকে পাহাড়ে ট্রাউট চাষ, পানি লাগবে ৮০ শতাংশ কম

ভারতের উত্তরাখণ্ডের এক খামারে সৌরশক্তিচালিত হাইব্রিড রিসার্কুলেটিং অ্যাকুয়াকালচার সিস্টেম চালু করেছে আইসিএআর-সিআইসিএফআর; প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এতে পানি প্রায় ৮০ শতাংশ কম লাগে এবং একজন ট্রাউটচাষি বছরে ৪ থেকে ৫ লাখ রুপি উদ্বৃত্ত পেতে পারেন।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

আট পদের পাঁচটিই শূন্য, তিনজনে চলছে শায়েস্তাগঞ্জের সরকারি মৎস্য বীজ খামার

১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ সরকারি মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারে ১২টি পুকুরে পোনা উৎপাদন চললেও আট পদের পাঁচটি শূন্য, নৈশপ্রহরী নেই, বরাদ্দ না থাকায় চাষি প্রশিক্ষণও বন্ধ।

মানবজমিন১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)