সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৮ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৯°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬০%বাতাস ৯ কিমি/ঘ

মাল্টা-আপেল কেজি ৪০০ টাকার ওপরে, দেশি মাল্টা ১২০: কেন কমছে না আমদানি ফলের দাম

রাজধানীর মিরপুরে আমদানি করা মাল্টা কেজি ৪০০-৪২০ টাকা, সবুজ আপেল ৪০০-৪৫০ টাকা; দেশি মাল্টা ১২০ টাকা। বিক্রেতারা বলছেন আকার, মান ও নষ্টের ঝুঁকি, আর বাণিজ্যমন্ত্রী বলছেন ১২১ শতাংশ শুল্ক কমানোর কাজ চলছে।

মাল্টা-আপেল কেজি ৪০০ টাকার ওপরে, দেশি মাল্টা ১২০: কেন কমছে না আমদানি ফলের দাম
ফল

রাজধানীর ফলের বাজারে আমদানি করা মাল্টা ও আপেলের দাম সাধারণ ক্রেতার নাগালের বাইরে রয়ে গেছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) মিরপুর ১, ২ ও ১০ নম্বরের বাজারে প্রতি কেজি মাল্টা বিক্রি হয়েছে ৪০০ থেকে ৪২০ টাকায়, সবুজ আপেল ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায় এবং লাল আপেল ৩৮০ থেকে ৪৫০ টাকায়।

অন্য আমদানি ফলের দামও চড়া: কমলা কেজি ৪৫০ টাকা, সবুজ আঙুর ৫০০-৫২০, লাল আঙুর ৪৬০-৪৮০, নাশপাতি ৩৫০-৩৬০ এবং বেদানা ৫০০-৬৫০ টাকা। তুলনায় দেশি মাল্টা কেজি ১২০ টাকা আর ড্রাগন ফল ২০০-২৫০ টাকা। খেজুর বিক্রি হচ্ছে কেজি ২৫০ টাকা (বাংলা খেজুর) থেকে ১,৬০০ টাকা (মেডজুল) পর্যন্ত।

গুনে হিসাব করলে চিত্রটা আরও স্পষ্ট। পাঁচটি আমদানি মাল্টায় এক কেজি হয়, ফলে একটির দাম পড়ে ৭০ থেকে ৮৪ টাকা; দেশি মাল্টা চার থেকে ছয়টিতে কেজি, একটির দাম ২০ থেকে ৩০ টাকা। একটি সবুজ আপেল ৪৪-৫০ টাকা, একটি কমলা ৫৬-৬৪ টাকা, একটি বেদানা ১২৫-১৬২ টাকা পড়ছে।

বিক্রেতারা বলছেন, দাম নির্ভর করে ফলের আকার, মান আর নষ্ট হওয়ার ঝুঁকির ওপর। মিরপুর ১০ নম্বরের বিক্রেতা আব্দুস সালাম জানান, ক্যারেটে নষ্ট ফল বেশি থাকলেও তার দাম দিয়ে কিনতে হয়, সেই ক্ষতি পোষাতে ভালো ফল বেশি দামে বেচতে হয়। মিরপুর ১ নম্বরের আনসার আলী বলেন, বেদানা ভারত থেকে আসে, শুল্ক বেশি; অধিকাংশ বিক্রেতা ফল আনেন বাদামতলী থেকে।

ক্রেতারা অসন্তুষ্ট। মহসিন রেজা বলেন, এখন চারপাশে জ্বর-ঠান্ডা, চিকিৎসক ভিটামিন সি-যুক্ত ফল খেতে বলেন, কিন্তু মাল্টা-কমলার এই দামে কেনা কঠিন; সরকারের নজর দেওয়া দরকার।

দাম নিয়ে সরকারের অবস্থানও জানা গেছে। ৮ অক্টোবর চট্টগ্রামে চিটাগাং চেম্বারের মতবিনিময় সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছিলেন, শুল্ক দেওয়ার পরও মাল্টা ৪০০-৫০০ টাকায় বিক্রি গ্রহণযোগ্য নয়। ডলারের বাজার ধরে নির্ধারিত ফলের প্রকৃত শুল্কহার ১২১ শতাংশ থেকে কমিয়ে আনার কাজ চলছে, আর খেজুরের শুল্ক কমাতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

দেশি ফলচাষির জন্য তথ্যটা গুরুত্বপূর্ণ: একই বাজারে দেশি মাল্টা আমদানির তিন ভাগের এক ভাগ দামে বিকোচ্ছে, ফলে দামের ফারাক দেশি উৎপাদনের পক্ষে।

প্রতিবেদন: আসাদ আবেদীন জয়, বাংলা ট্রিবিউন

ছবি: Kritzolina / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

বাংলা ট্রিবিউনসূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

হরমোন আর রাসায়নিকে ড্রাগনের দাম কেজি ৬০০ থেকে ৬০ টাকা, পলিহাউস ও জৈব সারে পথ দেখালেন চাষি মুসা

প্রবীণ চাষি ও বাংলাদেশ ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের সংগঠক হারুনুর রশিদ মুসা ৩৩ শতাংশের পলিহাউসে অসময়ের সবজি আর আনারকলি, অ্যাভোকাডো ও ড্রাগন চাষ করছেন; ড্রাগন সংকট কাটাতে হরমোনে নজরদারি, কৃষক ব্যাংক ও জৈব সারের প্রস্তাব দিয়েছেন।

দিনাজপুর টিভি১৮ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফল

জয়পুরহাটের দুর্গাদহ হাটে দিনে কোটি টাকার কলা, তবু কাদির দাম কমেছে

উত্তরাঞ্চলের বড় কলার হাট জয়পুরহাটের দুর্গাদহে প্রতিদিন ৩০ থেকে ৪০ ট্রাক কলা দেশের নানা জেলায় যায়; তবে দুই সপ্তাহে কাদির দাম ৩০০-৪০০ টাকা থেকে নেমে ২০০-২৫০ টাকায়, আর হাটের জায়গা ছোট।

কৃষি সংবাদ১৮ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফসল

বায়ুরোধী সংরক্ষণ ও কোল্ড চেইন প্রযুক্তিতে ফসল-পরবর্তী ক্ষতি কমতে পারে প্রায় চার-পঞ্চমাংশ

৩২৪টি গবেষণা পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গ্লোবাল সাউথে কন্দ ফসলের প্রায় ৪৩ শতাংশ ও সবজির ৩৫ শতাংশ নষ্ট হয়; বায়ুরোধী সংরক্ষণ, কোল্ড চেইন, ভালো মোড়ক ও যত্নে তোলা গেলে ক্ষতি নামে ৭ থেকে ১২ শতাংশে।

ফুড ফর মজানসি১৮ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)