সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

১২৬ বছরে চতুর্থ আর্দ্রতম সেপ্টেম্বর কলকাতায়, ভারতে বর্ষার ঘাটতি কমে ১২.৬ শতাংশ

এ বছর সেপ্টেম্বরে কলকাতায় ৫৫৭.৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে, ১৯০০ সালের পর যা চতুর্থ সর্বোচ্চ; শেষ দফার বর্ষণে ভারতের সামগ্রিক বৃষ্টির ঘাটতিও কমেছে।

১২৬ বছরে চতুর্থ আর্দ্রতম সেপ্টেম্বর কলকাতায়, ভারতে বর্ষার ঘাটতি কমে ১২.৬ শতাংশ
পরিবেশ

ভারতের আবহাওয়া দপ্তরের হিসাবে চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে কলকাতায় ৫৫৭.৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। ১৯০০ সাল থেকে ২০২৬ পর্যন্ত ১২৬ বছরে এর চেয়ে বেশি বৃষ্টির সেপ্টেম্বর এসেছে মাত্র তিনবার। ফলে এবারের সেপ্টেম্বর শহরের ইতিহাসে চতুর্থ এবং গত ৫০ বছরে তৃতীয় আর্দ্রতম, জানিয়েছে কলকাতার দৈনিক এই সময়।

পুনের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল মিটিওরোলজির (আইআইটিএম) তথ্য অনুযায়ী, কলকাতার সবচেয়ে ভেজা সেপ্টেম্বর ছিল ১৯০০ সালে, সে মাসে বৃষ্টি হয়েছিল ১,১৫৭ মিলিমিটার। দ্বিতীয় স্থানে ১৯৭৮ সালের বন্যার বছর (৮৯২ মিলিমিটার), তৃতীয় ২০২১ সাল (৬১৩.৮ মিলিমিটার)। এতদিন চতুর্থ স্থানে থাকা ২০০৬ সালের ৫৪১.৮ মিলিমিটারকে এবার ছাড়িয়ে গেছে ২০২৬।

বর্ষার শেষ দফার বৃষ্টিতে গোটা ভারতের ঘাটতিও কিছুটা কমেছে। মৌসম ভবনের হিসাবে এক সপ্তাহে দেশের বৃষ্টির ঘাটতি ১৫ শতাংশ থেকে নেমে ১২.৬ শতাংশ হয়েছে। ১ জুন থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট বৃষ্টি হয়েছে ৭৫৯ মিলিমিটার, যেখানে এই সময়ের স্বাভাবিক গড় ৮৬৮.৬ মিলিমিটার। ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বৃষ্টি ছিল ৬৯৭ মিলিমিটার; পরের নয় দিনের ৬২ মিলিমিটার ঘাটতি প্রায় আড়াই শতাংশ কমিয়েছে।

আবহাওয়াবিদদের ব্যাখ্যায়, বঙ্গোপসাগরে পরপর তৈরি হওয়া নিম্নচাপ আর উত্তর ভারতে সক্রিয় পশ্চিমি ঝঞ্ঝার প্রভাবেই এই ঘাটতি কিছুটা পূরণ হয়েছে। ওডিশায় ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে ১,৪৭৬.৮ মিলিমিটার, স্বাভাবিকের (১,৩৭৮.৮ মিলিমিটার) চেয়ে ৭ শতাংশ বেশি।

পশ্চিমবঙ্গে ১ জুন থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গড় বৃষ্টির পরিমাণ প্রায় ১,৩৫০ মিলিমিটার; এ বছর রাজ্যে বৃষ্টি হয়েছে ১,৩৩৬.১ মিলিমিটার, অর্থাৎ প্রায় স্বাভাবিক। তবে উত্তর-পশ্চিম ভারত, দক্ষিণের উপদ্বীপ অঞ্চল ও উত্তর-পূর্বের কয়েকটি অংশে এখনো ঘাটতি রয়ে গেছে।

দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বিভিন্ন এলাকা থেকে বিদায় নিতে শুরু করলেও আরও কিছুদিন বিচ্ছিন্ন বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে বলে আবহাওয়াবিদেরা জানিয়েছেন। বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ বা ঘূর্ণাবর্ত তৈরির সম্ভাবনা থাকায় পূর্ব উপকূলের রাজ্যগুলোতে সামনের কয়েক দিনে আরও বৃষ্টি হতে পারে। প্রতিবেদনটি লিখেছেন কুবলয় বন্দ্যোপাধ্যায়।

ছবি: Jorge Royan / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)

সূত্র: এই সময়

এই সময়সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

শব্দদূষণ ভারতের শহরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, কিন্তু মাপাই কঠিন

মুম্বাইয়ে বাইরের শব্দের মাত্রা গড়ে ৬৫ থেকে ৮৫ ডেসিবেল, যেখানে সড়কের শব্দে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা ৫৪ ডেসিবেল। গবেষকেরা বলছেন, তথ্যের ঘাটতি ও ব্যয়বহুল শব্দ-মডেলের কারণে ভারতে এর স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণা কঠিন।

Mongabay India১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ব্যাংকক বাঁচাতে প্রতিবছর ডুবছে থাইল্যান্ডের গ্রাম

২০১১ সালের বন্যার পর থাইল্যান্ডে তৈরি বাঁধ ও জলকপাট ব্যাংকক ও শিল্পাঞ্চল থেকে পানি সরিয়ে দেয়, কিন্তু আয়ুথায়ার নদীতীরের গ্রামগুলো এখন মাসের পর মাস মাথার ওপর পানিতে ডুবে থাকে; ঘর উঁচু করতে সঞ্চয় খরচ করছেন বাসিন্দারা।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুস্থ যমজের ছোঁয়ায় কয়েক সপ্তাহে প্রাণ ফিরে পেল বিবর্ণ প্রবাল

স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, একই কলোনির সুস্থ প্রবালের গায়ে বিবর্ণ প্রবালের টুকরা লাগিয়ে রাখলে দুটি জুড়ে যায় এবং বিবর্ণ প্রবাল আবার শৈবাল ফিরে পায়; পাঁচটি টুকরার সবকটি সাত সপ্তাহে সেরে উঠেছে।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)