সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৩%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

‘সময়মতো ভ্যাকসিন দিতে না পারায় আমার ভাই দুনিয়া থেকে চলে গেছে’

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় সাপেকাটা ভ্যাকসিনের অভাবে নুপুর কর্মকার (৩২) নামে এক সরকারি কর্মচারীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে উপজেলার হরিকৃষ্ণপুর গ্রামের নিজ বাড়িতে তাকে বিষধর সাপ ছোবল দেয়।

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় সাপেকাটা ভ্যাকসিনের অভাবে নুপুর কর্মকার (৩২) নামে এক সরকারি কর্মচারীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে উপজেলার হরিকৃষ্ণপুর গ্রামের নিজ বাড়িতে তাকে বিষধর সাপ ছোবল দেয়।

নিহত নুপুর কর্মকার ওই গ্রামের কুন্তল কৃষ্ণ কর্মকারের ছেলে। তিনি সোনাইমুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর ছিলেন।

পরিবারের লোকজন জানান, রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় বাড়ির দরজায় হাঁটাহাঁটি করার সময় বিষধর সাপ নুপুরকে কামড় দেয়। সঙ্গে সঙ্গে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে ভ্যাকসিন নেই বলে উন্নত চিকিৎসার জন্য নোয়াখালী ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।

নুপুর কর্মকারের চাচাতো ভাই সমীর কর্মকার জাগো নিউজকে বলেন, ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালেও সাপেকাটা রোগীর ভ্যাকসিন নেই এবং পর্যাপ্ত চিকিৎসা দেওয়া যাবে না জানিয়ে শেষ রাতের দিকে নুপুরকে কুমিল্লা মেডিকেলে পাঠানো হয়। সেখান নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে, আদরের ছোট ছেলেকে হারিয়ে পাগলপ্রায় মা রূপসী রাণী কর্মকার। তিনি বারবার মুর্ছা যাচ্ছেন আর বলছেন, আমার মেধাবীরে এনে দাও। আমার সরকারি চাকরিজীবী সোনার টুকরা ছেলে চোখের সামনে থেকে কেমনে চলে গেলো।

নুপুরের বড়ভাই রিপন কর্মকার বলেন, বুধবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরের পর নুপুরের মরদেহ দাহ করা হয়েছে। সময়মতো ভ্যাকসিন দিতে না পারায় আমার একমাত্র ভাই দুনিয়া থেকে চলে গেছে। এ বিষয়ে আমরা আইনি প্রতিকার চাইবো।

সোনাইমুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের গোপনীয় সহকারী (সিএ) মো. আবদুল মতিন জাগো নিউজকে বলেন, খবর পেয়ে আজ দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইসমাইল হোসেনসহ অফিসের সবাই গিয়ে নুপুরের মরদেহ দেখে এসেছি। ভ্যাকসিনের অভাবে একটি তাজাপ্রাণ ঝরে গেলো বিষয়টি দুঃখজনক।

চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. খন্দকার মোশতাক আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, রাত ১২টার দিকে রোগীকে হাসপাতালের বহির্বিভাগে আনা হয়। আমাদের কাছে সাপেকাটা ভ্যাকসিন না থাকায় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে কুমিল্লায় পাঠানো হয়। সেখানে সে মারা যায়।

নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হেলাল উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, আমাদের কাছে সাপেকাটা রোগীর পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন মজুত আছে। কেউ মিথ্যা তথ্য দিয়ে থাকলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. মাসুম ইফতেখার জাগো নিউজকে বলেন, আমি বিষয়টির খবর নিয়েছি। রোগীর অবস্থা বেশি খারাপ ছিল। নোয়াখালীতে ভ্যাকসিন মজুত আছে কিন্তু আইসিইউ নাই। তাই তাকে কুমিল্লায় পাঠানো হয়েছে। তারপরও কারও অবহেলা থাকলে তা আমরা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেবো।

নুপুর কর্মকার ২০২২ সালে জেলা প্রশাসনের কর্মচারী হিসেবে সোনাইমুড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক হিসেবে যোগদান করেন। তিনি নোয়াখালী সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি এবং সরকারি তিতুমীর কলেজ থেকে গণিত বিভাগে উচ্চতর ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। নুপুরের আকস্মিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ইকবাল হোসেন মজনু/এমআরআর/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

শব্দদূষণ ভারতের শহরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, কিন্তু মাপাই কঠিন

মুম্বাইয়ে বাইরের শব্দের মাত্রা গড়ে ৬৫ থেকে ৮৫ ডেসিবেল, যেখানে সড়কের শব্দে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা ৫৪ ডেসিবেল। গবেষকেরা বলছেন, তথ্যের ঘাটতি ও ব্যয়বহুল শব্দ-মডেলের কারণে ভারতে এর স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণা কঠিন।

Mongabay India১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ব্যাংকক বাঁচাতে প্রতিবছর ডুবছে থাইল্যান্ডের গ্রাম

২০১১ সালের বন্যার পর থাইল্যান্ডে তৈরি বাঁধ ও জলকপাট ব্যাংকক ও শিল্পাঞ্চল থেকে পানি সরিয়ে দেয়, কিন্তু আয়ুথায়ার নদীতীরের গ্রামগুলো এখন মাসের পর মাস মাথার ওপর পানিতে ডুবে থাকে; ঘর উঁচু করতে সঞ্চয় খরচ করছেন বাসিন্দারা।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুস্থ যমজের ছোঁয়ায় কয়েক সপ্তাহে প্রাণ ফিরে পেল বিবর্ণ প্রবাল

স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, একই কলোনির সুস্থ প্রবালের গায়ে বিবর্ণ প্রবালের টুকরা লাগিয়ে রাখলে দুটি জুড়ে যায় এবং বিবর্ণ প্রবাল আবার শৈবাল ফিরে পায়; পাঁচটি টুকরার সবকটি সাত সপ্তাহে সেরে উঠেছে।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)