সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

চিকিৎসকের বাড়িতে দুর্লভ প্রজাতির গাছ

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের শিক্ষক ডা. আবু নাঈম। প্যাথলজি বিভাগের শিক্ষক তিনি। বর্তমানে কাজ করছেন করোনা পরীক্ষার আরটি-পিসিআর ল্যাবে। কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার গুণানন্দীতে তার বাড়ি। এ দেশের বেশিরভাগ চিকিৎসক মেডিকেল কলেজে চাকরির পাশাপাশি ফাঁকা সময়ে প্রাইভেট চেম্বারে রোগী দেখেন। কিন্তু ডা.নঈম ব্যতিক্রম।

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের শিক্ষক ডা. আবু নাঈম। প্যাথলজি বিভাগের শিক্ষক তিনি। বর্তমানে কাজ করছেন করোনা পরীক্ষার আরটি-পিসিআর ল্যাবে। কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার গুণানন্দীতে তার বাড়ি। এ দেশের বেশিরভাগ চিকিৎসক মেডিকেল কলেজে চাকরির পাশাপাশি ফাঁকা সময়ে প্রাইভেট চেম্বারে রোগী দেখেন। কিন্তু ডা.নঈম ব্যতিক্রম। তিনি মজে থাকেন বৃক্ষ নিয়ে।

তার বাড়ির নাম আরণ্যক। বাড়িটির দুতলা ভবন এবং চারপাশের প্রায় সবটাই সবুজে আচ্ছাদিত। সামনের বাগানে সারিসারি ছায়া বৃক্ষরাজি। ডা. নাঈমের বাগান রয়েছে কয়েক হাজার প্রজাতির লক্ষাধিক বৃক্ষ। এ বৃক্ষগুলোর বীজ, ডাল থেকে তিনি চারা করেন। কুমিল্লা গার্ডেনাস সোসাইটি নামে ফেসবুক পেজের প্রতিষ্ঠাতা তিনি। এই পেজের মাধ্যমে এ পর্যন্ত ৫০ হাজারের বেশি চারা বিন্যা মূলে বিতরণ করেছেন তিনি।

তার বাড়িতে আছে এগ্লোনিমা, ফার্ন, বেগুনিয়া, ক্যালাথিয়া, ডাইফেনবাকিয়া, স্নেক প্ল্যান্ট, রিও, কাস্ট আয়রন প্ল্যান্ট, হরেক রকম পেপারোমিয়া এনথুরিয়াম ইত্যাদি। এনথুরিয়ামসহ ছায়া বৃক্ষরাজির কুমিল্লার সবচেয়ে বৃহৎ ব্যক্তিগত সংগ্রহশালা এটি।

পুরনো আম গাছজুড়ে পরম যত্নে লালিত হচ্ছে আমাদের দেশজ নানাবিধ প্রজাতির অর্কিড, হয়া ও এপিফাইটিক গাছ। তার মধ্যে রিংকোস্টাইলিস, ভ্যান্ডা এচাম্পি, বালবোফাইলাম, ডেন পারিশি, এরিইডিস, ডেন ফরমোসাম, ব্লু ভ্যান্ডা, পিয়ারাড্ডি, সিম্বিডিয়াম ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

ভিনদেশি অর্কিডরাজিও কয়েক প্রজাতির ভ্যান্ডা, মোকারা, ডেনড্রবিয়াম, ফ্যালনপসিস। হরেক রকম হয়া, এন্ট প্ল্যান্ট অর্কিড সংগ্রহ আরো সমৃদ্ধ করেছে। একটি ছাদজুড়ে রয়েছে চল্লিশটি গোলাপ গাছ, অলকানন্দা, দেশি জুঁই, হানিস্যাকল, অলকানন্দার পাঁচটা প্রজাতি, চীনের সিয়াম টিউলিপ ইত্যাদি।

বাতাসেও যে গাছ মাটি ছাড়া বেঁচে থাকে সে গাছের সমাহার রয়েছে ডা. নাঈমের বাড়িতে। প্রায় ১২ প্রজাতির এয়ার প্ল্যাান্টস রয়েছে এই সংগ্রহশালায়।

অপর ছাদে উঠে দেখা গেলো সারি সারি টব। সংখ্যায় হাজারের বেশি বড়-ছোট টব রয়েছে সেখানে।

ফলজ গাছের মধ্যে আছে মাল্টা, বেরি, মিশরীয় ডুমুর। মসলা গাছ একাংগী, কারিপাতা গাছ ইন্ডিয়ান জিঞ্জার রয়েছে। একই পাতায় সাতটা গরম মসলার ঘ্রাণ যুক্ত অল স্পাইস মশলার চা দারুণ স্বাদের হয়। এ দেশে এই গাছের বাণিজ্যিক চাষাবাদের সুযোগ রয়েছে।

চাঁপাফুল গাছের জন্য আলাদা একটা স্থান আছে ছাদে। আরো আছে দেশি-বিদেশি চার রকম দোলন চাঁপা, হিম চাঁপা, স্বর্ণ চাঁপা, ভুঁই চাঁপা, স্বরস্বতী চাঁপা, ম্যাগনোলিয়া, বৃন্দাবন চাঁপা, গুঁলাচ চাঁপা, কুসুম চাঁপা, গোলাপ ভুঁই চাঁপা ইত্যাদি।

মাটিতে জন্মানো অর্কিড বা ভুঁই অর্কিডের চমৎকার সংগ্রহশালা বলা চলে একে। এক পাতার দেশজ গ্রাউন্ড অর্কিড নারভিলিয়াসহ প্রায় ২০ প্রজাতির দেশি-বিদেশি ভুঁই অর্কিড রয়েছে বাগানটিতে।

আছে প্রায় ২১ প্রজাতির জবা, এডেনিয়াম, লিলি, স্বর্ণ চামেলী, হংসলতা, করবী, কুরচি, নীল মণিলতা, সাদা মণিলতা, মাংকি ফ্লাওয়ার, ফ্লেম ভাইন, টেকোমা, লাল কদম, রুদ্রাক্ষ,ব্যাটলিলি, ধলা বাঁদুর, ঝুমকালতাসহ দেশি-বিদেশি হাজারখানেক ফুলের গাছ।

কেবল স্থলজ গাছ নয়, জলজ গাছের মধ্যে পদ্ম, দেশি সাদা, নীল, লাল শাপলা, জল গোলাপ, সাদা কচুরিপানা,পন্ডেরিয়া, জেসমিন এরোহেড, জলজ হেলিকোনিয়া, জলজ লজ্জাবতী, পানিফল, ওয়াটার পপি, চাঁদমালা, থাইল্যান্ডের কয়েক রকম শাপলা বাগানটির জৌলুস বাড়িয়েছে।

ডা. আবু নাঈম জানান, 'ছোটবেলা থেকে অনেক কষ্ট করেছি বাগানটি নিয়ে। সরকারি চাকরির কারণে নানা জায়গায় কাজ করেছি। ছাত্র জীবনেও পড়াশোনার অনেক চাপ ছিল। তারপরও বাগানের নেশা ছাড়তে পারিনি।'তিনি বলেন, 'প্রাইভেট প্র্যাকটিস করে আয়ের অনেক সুযোগ আছে, এখন গাছ বিক্রি করেও উপার্জনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। তারপরও আমি ওসবে যাব না। বাগানের প্রতি ভালোবাসা, বাগান নিয়েই থাকতে চাই।'

কুমিল্লার বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী মো. নুরুল করিম জানান, 'আবু নাঈম একজন চিকিৎসক। তারপরও তিনি ব্যতিক্রম কাজ করছেন। এটি প্রশংসনীয়। জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ডাক্তার নাঈমের মতো অন্যদেরও এগিয়ে আসা উচিত।'

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

শব্দদূষণ ভারতের শহরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, কিন্তু মাপাই কঠিন

মুম্বাইয়ে বাইরের শব্দের মাত্রা গড়ে ৬৫ থেকে ৮৫ ডেসিবেল, যেখানে সড়কের শব্দে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা ৫৪ ডেসিবেল। গবেষকেরা বলছেন, তথ্যের ঘাটতি ও ব্যয়বহুল শব্দ-মডেলের কারণে ভারতে এর স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণা কঠিন।

Mongabay India১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ব্যাংকক বাঁচাতে প্রতিবছর ডুবছে থাইল্যান্ডের গ্রাম

২০১১ সালের বন্যার পর থাইল্যান্ডে তৈরি বাঁধ ও জলকপাট ব্যাংকক ও শিল্পাঞ্চল থেকে পানি সরিয়ে দেয়, কিন্তু আয়ুথায়ার নদীতীরের গ্রামগুলো এখন মাসের পর মাস মাথার ওপর পানিতে ডুবে থাকে; ঘর উঁচু করতে সঞ্চয় খরচ করছেন বাসিন্দারা।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুস্থ যমজের ছোঁয়ায় কয়েক সপ্তাহে প্রাণ ফিরে পেল বিবর্ণ প্রবাল

স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, একই কলোনির সুস্থ প্রবালের গায়ে বিবর্ণ প্রবালের টুকরা লাগিয়ে রাখলে দুটি জুড়ে যায় এবং বিবর্ণ প্রবাল আবার শৈবাল ফিরে পায়; পাঁচটি টুকরার সবকটি সাত সপ্তাহে সেরে উঠেছে।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)