সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

শাহজাদপুরে নদীভাঙনে বিলীন গ্রাম, ধিতপুরে ৫০০ ঘরের ৩৫০টি নদীগর্ভে

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের সোনাতনী ইউনিয়নে দুই বছর আগে বারপাখিয়া গ্রাম বিলীনের পর ভাঙছে ধিতপুর ও কুরশী; অনেক পরিবার ত্রাণ পায়নি বলে অভিযোগ।

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার সোনাতনী ইউনিয়নে নদীভাঙনে একের পর এক বসতভিটা হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছেন ধিতপুর, কুরশী ও আশপাশের গ্রামের মানুষ। দুই বছর আগে পুরো বারপাখিয়া গ্রাম নদীতে বিলীন হয়েছে; প্রায় ১ হাজার ৮০০ ভোটারের সেই গ্রামে ছিল তিন শতাধিক বসতভিটা, চারটি মসজিদ, একটি মাদ্রাসা ও দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

স্থানীয়দের হিসাবে, ধিতপুরে প্রায় ৫০০ বসতঘরের ৩৫০টি ইতিমধ্যে ভেঙে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দুটি মসজিদ, একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দুটি কবরস্থান। ঝুঁকিতে আছে কুরশী-ধিতপুর গরুর হাট ও পল্লী বিদ্যুতের একটি অভিযোগ কেন্দ্র। কুরশীতে প্রায় ৪০০ বসতঘরের দেড় শতাধিক নদীগর্ভে গেছে।

ধিতপুরের আব্দুর রহমান বলেন, "তিনবার বাড়ি সরিয়েছি। এবার আবার ভাঙলো।" বৃদ্ধ শহিদ আলী জানান, নয়বার ভাঙনে নয় জায়গায় বাড়ি সরিয়েছেন। সরেজমিনে দেখা যায়, ভাঙনের মুখে পড়া একটি মসজিদের টিন, বাঁশ ও খুঁটি খুলে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিচ্ছেন গ্রামবাসী।

ভাঙনে নিঃস্ব কয়েকজনের অভিযোগ, বছরের পর বছর বাড়িঘর ও জমি হারালেও পুনর্বাসন বা স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি, সরকারি ত্রাণও পাননি। স্থানীয় ইউপি সদস্যের স্বামী সৈয়দ আলী মোল্লা বলেন, ধিতপুরে ৮০-৯০টি বাড়ি ভেঙেছে, তাঁর জানামতে এ পাড়ার মানুষ এখনো ত্রাণ পাননি।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, ১৭৫ জনকে শুকনা খাবার দেওয়া হয়েছে, পরে তালিকা করে অন্যদেরও দেওয়া হবে। শাহজাদপুরের ইউএনও সাবরিন শারমিন বলেন, তিনি নিজে সেখানে ত্রাণ দিয়েছেন। ইউপি চেয়ারম্যানের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নদীভাঙনে শুধু ঘর নয়, হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামের হাট, কবরস্থান আর চাষের জমি; পুনর্বাসন আর স্থায়ী ভাঙন প্রতিরোধ ছাড়া এসব পরিবারের ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন।

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

বাংলা ট্রিবিউনসূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

শব্দদূষণ ভারতের শহরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, কিন্তু মাপাই কঠিন

মুম্বাইয়ে বাইরের শব্দের মাত্রা গড়ে ৬৫ থেকে ৮৫ ডেসিবেল, যেখানে সড়কের শব্দে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা ৫৪ ডেসিবেল। গবেষকেরা বলছেন, তথ্যের ঘাটতি ও ব্যয়বহুল শব্দ-মডেলের কারণে ভারতে এর স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণা কঠিন।

Mongabay India১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ব্যাংকক বাঁচাতে প্রতিবছর ডুবছে থাইল্যান্ডের গ্রাম

২০১১ সালের বন্যার পর থাইল্যান্ডে তৈরি বাঁধ ও জলকপাট ব্যাংকক ও শিল্পাঞ্চল থেকে পানি সরিয়ে দেয়, কিন্তু আয়ুথায়ার নদীতীরের গ্রামগুলো এখন মাসের পর মাস মাথার ওপর পানিতে ডুবে থাকে; ঘর উঁচু করতে সঞ্চয় খরচ করছেন বাসিন্দারা।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুস্থ যমজের ছোঁয়ায় কয়েক সপ্তাহে প্রাণ ফিরে পেল বিবর্ণ প্রবাল

স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, একই কলোনির সুস্থ প্রবালের গায়ে বিবর্ণ প্রবালের টুকরা লাগিয়ে রাখলে দুটি জুড়ে যায় এবং বিবর্ণ প্রবাল আবার শৈবাল ফিরে পায়; পাঁচটি টুকরার সবকটি সাত সপ্তাহে সেরে উঠেছে।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)