সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

নিষেধাজ্ঞা শেষেও অপেক্ষা শেষ হয়নি জেলেদের

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) মধ্যরাতে শেষ হয়েছে সাগরে মাছ ধরার ওপর ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা। এরইমধ্যে উপকূলে মাছ শিকার করা জেলেরা মাছ ধরার সামগ্রী নিয়ে সমুদ্রে নেমেছেন। তবে সমুদ্র উত্তাল থাকায় গভীর সমুদ্রের জেলেরা এখনো তীরে বসে আছেন। ৬৫ দিনের অবরোধ শেষ হতে না হতেই বৈরি আবহাওয়ার প্রভাব, তার ওপরে দেশব্যাপী চলমান কা

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) মধ্যরাতে শেষ হয়েছে সাগরে মাছ ধরার ওপর ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা। এরইমধ্যে উপকূলে মাছ শিকার করা জেলেরা মাছ ধরার সামগ্রী নিয়ে সমুদ্রে নেমেছেন। তবে সমুদ্র উত্তাল থাকায় গভীর সমুদ্রের জেলেরা এখনো তীরে বসে আছেন। ৬৫ দিনের অবরোধ শেষ হতে না হতেই বৈরি আবহাওয়ার প্রভাব, তার ওপরে দেশব্যাপী চলমান কারফিউ। সবকিছু মিলিয়ে হতাশ জেলেরা।

সামুদ্রিক মাছের বাধাহীন প্রজনন ও সংরক্ষণে গত ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিন মৎস্য আহরণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে মৎস্য বিভাগ। তবে অবরোধ চলাকালীন সময় ভারতীয় ও দেশীয় প্রভাবশালী জেলেদের মাছ শিকার অব্যাহত থাকার অভিযোগ এনে মৎস্য গবেষকরা বলছেন, আইনের অপব্যবহার মাছের প্রজনন ও সংরক্ষণে অনেকটা বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

দীর্ঘ নিষেধাজ্ঞার পর সমুদ্রে গিয়ে ইলিশের দেখা পাওয়া নিয়ে সঙ্কায় রয়েছেন উপকূলের প্রায় ৩০ হাজার জেলে। আর মৎস্য আড়তদার ও ট্রলার মালিকরা বলছেন, ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়বে সেই আশায় লাখ লাখ টাকা ব্যয় করে ট্রলার মেরামত ও সরঞ্জামাদি নিয়ে সমুদ্রে পাঠানোর অপেক্ষায় রয়েছেন তারা। রুপালি ইলিশের দেখা পেলেই সম্ভব হবে পেছনের ঋণ পরিশোধ করা।

এফবি নূরভানু ট্রলারের মাঝি দেলোয়ার হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, ৬৫ দিনের অবরোধে বাড়িতে বসেছিলাম। নতুন জাল বানিয়েছি, ট্রলার মেরামত করেছি। সরকারের দেওয়া চাল দিয়ে কি আর সংসার চলে? ২০ হাজার টাকা সুদে এনে খাইছি। এখন যদি অবরোধের পর মাছ না হয় তাহলে এগুলো পরিশোধ করবো কী দিয়া?

রায়হান ট্রলারের মালিক রাসেল মোল্লা জাগো নিউজকে বলেন, জেলেরা ৬৫ দিনের অবরোধে মাছ শিকারে নামেনি। কিন্তু দেশের বিভিন্ন স্থানের প্রভাবশালী জেলে ও ভারতীয় জেলেরা মাছ শিকার করে নিচ্ছে। তাহলে আমরা কেন ক্ষতিগ্রস্ত হবো?

আলীপুর মৎস্য বন্দরের 'সাত ফিশ' আড়তের পরিচালক মিজানুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, আমাদের মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে শত-শত মানুষ এই পেশায় নিয়োজিত। সকলের মধ্যে একটি আমেজ বিরাজ করছে রুপালি ইলিশের আশায়। কিন্তু ৬৫ দিন হতেই সমুদ্র উত্তাল, এখন রেডি হয়েও বসা জেলেরা।

সমুদ্রের নীল অর্থনীতি, উপকূলের পরিবেশ-প্রতিবেশ এবং জীববৈচিত্র্য নিয়ে কাজ করা গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ড ফিশের ইকোফিশ-২ বাংলাদেশ প্রকল্পের সহযোগী গবেষক সাগরিকা স্মৃতি জাগো নিউজকে বলেন, মূলত সামুদ্রিক মাছের প্রজনন ও সংরক্ষণের জন্য এই ৬৫ দিনের অবরোধ। তবে এরমধ্যে জেলেরা দেদারছে সমুদ্রে মাছ শিকার করেছে। তাতে একদিকে সরকারের বরাদ্দও পেলো এবং সামুদ্রিক মাছও সংরক্ষণ হলো না। এভাবে চলতে থাকলে সমুদ্র থেকে মাছ হারিয়ে যেতে থাকবে।

কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, ৬৫ দিনের অবরোধে প্রত্যেক নিবন্ধিত জেলে ৮৫ কেজি করে চাল পাবেন। এরইমধ্যে অনেকে ৫৬ কেজি পেয়েছেন। দেশে চলমান কারফিউয়ের কারণে বাকি চাল দিতে একটু দেরি হচ্ছে। গত ৬৫ দিনের অবরোধে জরিমানা ও নিলামে মাছ বিক্রি হয়েছে প্রায় ২০ লাখ টাকার। শিগগিরই আরও কিছু জেলে নিবন্ধনের আওতায় চলে আসবে। এই অবরোধে প্রশাসন তৎপর ছিল। এরমধ্যেও অনেক অসাধু জেলে মাছ ধরার চেষ্টা করেছে।

পটুয়াখালী জেলা আবহাওয়া কর্মকর্তা মাহবুবা সুখী বলেন, দেশে ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় আবহাওয়ার পূর্বাভাস সঠিকভাবে পাওয়া যাচ্ছে না। তবে গতকাল পর্যন্ত পূর্ণিমার জোয়ারে সমুদ্র উত্তাল থাকায় সমুদ্রে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। তাই সমুদ্রে সকল যান চলাচলে সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

কেরালার উপকূলীয় নারীদের ৮৪টি মাছের ব্যবসা, পারিবারিক আয় বেড়েছে ৩০-৩৫ শতাংশ

আইসিএআর-সিএমএফআরআইয়ের এক কর্মসূচির সহায়তায় ২০২২ থেকে ২০২৬ সালে কেরালার আট জেলায় ৮৪টি মৎস্যভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোগ গড়ে উঠেছে; সরাসরি উপকৃত ৪৬৯ জন, যাঁদের বেশির ভাগ তফসিলি জাতিভুক্ত।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

সৌরশক্তির রিসার্কুলেটিং ট্যাংকে পাহাড়ে ট্রাউট চাষ, পানি লাগবে ৮০ শতাংশ কম

ভারতের উত্তরাখণ্ডের এক খামারে সৌরশক্তিচালিত হাইব্রিড রিসার্কুলেটিং অ্যাকুয়াকালচার সিস্টেম চালু করেছে আইসিএআর-সিআইসিএফআর; প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এতে পানি প্রায় ৮০ শতাংশ কম লাগে এবং একজন ট্রাউটচাষি বছরে ৪ থেকে ৫ লাখ রুপি উদ্বৃত্ত পেতে পারেন।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

আট পদের পাঁচটিই শূন্য, তিনজনে চলছে শায়েস্তাগঞ্জের সরকারি মৎস্য বীজ খামার

১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ সরকারি মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারে ১২টি পুকুরে পোনা উৎপাদন চললেও আট পদের পাঁচটি শূন্য, নৈশপ্রহরী নেই, বরাদ্দ না থাকায় চাষি প্রশিক্ষণও বন্ধ।

মানবজমিন১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)