যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি ও খাদ্যনীতির মূল আইন ফার্ম বিলের মেয়াদ ৩০ সেপ্টেম্বর শেষ হয়েছে, আর বছর শেষের আগে নতুন বিল পাসের সম্ভাবনা ‘৫০-৫০-এর কিছু কম’। ক্রপলাইফ রিটেইল উইক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেছেন এগ্রিকালচারাল রিটেইলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এআরএ) প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী ড্যারেন কপক (Daren Coppock)।
কপক জানান, আইনের প্রধান ব্যয়সংক্রান্ত অংশ, অর্থাৎ পণ্য কর্মসূচি ও সংরক্ষণ কর্মসূচির তহবিল, আগেই ‘ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল’-এ নিষ্পত্তি হয়েছে। বাকি আছে খামার পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রক পরিবেশ নিয়ে নীতিগত বিধান। এর মধ্যে কংগ্রেসের সামনে সরকারের অর্থায়নের সময়সীমাও আছে; সাক্ষাৎকারের সময় অস্থায়ী বাজেট প্রস্তাবে সরকার ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলছিল।
সার-বীজ-কীটনাশক বিক্রেতা ও তাঁদের কৃষক গ্রাহকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অমীমাংসিত বিষয়ের মধ্যে কপক উল্লেখ করেন কৃষকদের জন্য ফার্ম সার্ভিস এজেন্সির (এফএসএ) ঋণসীমা বাড়ানো, বায়োস্টিমুল্যান্টের আইনি সংজ্ঞা নির্ধারণ এবং তৃতীয় পক্ষের সেবাদাতাদের বিষয়ে আইনি ভাষা যুক্ত করা।
তাঁর মতে, প্রধান বাধা সাপ্লিমেন্টাল নিউট্রিশন অ্যাসিস্ট্যান্স প্রোগ্রাম (স্ন্যাপ) বা খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি নিয়ে বিরোধ। সিনেটের আইনপ্রণেতারা মনে করেন যথেষ্ট ভোট পেতে পরিবর্তন দরকার, আর প্রতিনিধি পরিষদের সদস্যরা সতর্ক করছেন তাঁদের বিধান বদলালে বিলটিই আটকে যেতে পারে। কপক বলেন, দুই অবস্থান কোনোভাবে না মিললে বিল পাস হবে না। নভেম্বরের নির্বাচনের ফলও বিদায়ী অধিবেশনে সমঝোতা বা জানুয়ারিতে নতুন কংগ্রেসে বিষয়টি গড়ানোর হিসাব বদলে দিতে পারে।
কপক বলেন, বিলটি পাস করাতেই হবে, মানুষ অতিরিক্ত অনিশ্চয়তার মধ্যে কাজ করছে। এআরএর অন্য অগ্রাধিকারের মধ্যে আছে সারা বছর ই১৫ জ্বালানি বিক্রির অনুমতি, যার পক্ষে দুই কক্ষেই সমর্থন আছে কিন্তু পাস হওয়ার মতো একটি বিলে যুক্ত হওয়া দরকার, এবং কঠিন অর্থনৈতিক অবস্থায় থাকা কৃষকদের বাড়তি সহায়তা।
ছবি: Noclip / উইকিমিডিয়া কমন্স (Public domain)
সূত্র: ক্রপলাইফ



মন্তব্য
(০)