সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

চাষের মাছে কাদা-কাদা গন্ধ কেন, কী বলছেন মৎস্য বিজ্ঞানীরা

গবেষকেরা বলছেন, বদ্ধ পুকুরে জন্ম নেওয়া কয়েকটি ব্যাকটেরিয়া থেকে নিঃসৃত জিয়োসমিন ও ২-মিথাইলআইসোবোর্নিওল মাছের চর্বি ও লাল মাংসে জমে এই গন্ধ তৈরি করে।

বাংলাদেশে মাছ চাষের পরিসর যত বেড়েছে, ভোক্তার পাত থেকে একটি অভিযোগও তত বেড়েছে, চাষের মাছে এক ধরনের কাদা-কাদা বা স্যাঁতসেঁতে গন্ধ পাওয়া যায়। তাজা দেখে কেনা মাছও ধুয়ে-কেটে রান্নার সময় গন্ধ ছড়ায়, যা লেবু, লবণ, হলুদ কিংবা আদা-রসুন দিয়ে ধুয়েও পুরোপুরি দূর হয় না।

কারণ হিসেবে গবেষকেরা দুটি জৈব যৌগকে দায়ী করছেন, যেগুলো মাছের শরীরে চর্বি ও চামড়ার নিচের লাল মাংসে গিয়ে জমা হয়, ফলে বারবার ধুলে বা রান্না করলেও গন্ধ পুরোপুরি যায় না।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকুয়াকালচার বিভাগের অধ্যাপক মুহাম্মদ মাহফুজুল হক বলছেন, উৎস কয়েকটি ব্যাকটেরিয়া। "বদ্ধ পানি দীর্ঘদিন পরিষ্কার না করায় একজিনো ব্যাকটেরিয়া, মিকজো ব্যাকটেরিয়া এবং সায়ানো ব্যাকটেরিয়া তৈরি হয়। এই ব্যাকটেরিয়াগুলো থেকে দুই ধরনের কম্পাউন্ড - জিয়োসমিন এবং ২-মিথাইলআইসোবোর্নিওল নামে জৈব যৌগ নিঃসৃত হয়," বিবিসি বাংলাকে বলেন তিনি।

এই ব্যাকটেরিয়া বাড়ার তিনটি প্রধান কারণ চিহ্নিত করেছেন গবেষকেরা: পুকুরে বাড়তি খাবার দেওয়া, পুকুরের আকারের তুলনায় মাছের ঘনত্ব বেশি রাখা এবং পানি পরিবর্তন না করা। অর্থাৎ পুকুরে মাছ চাষের যে নিয়মগুলো আছে, ঘনত্ব, খাদ্যের পরিমাণ ও পানি বদল, সেগুলো ঠিকভাবে না মানাই সমস্যার মূলে।

গন্ধ কোথায় জমে, সেটিও ব্যাখ্যা করেছেন অধ্যাপক হক। "মাছের শরীরে চর্বি যেখানে থাকে অথবা মাছের দেহের উপরের যে চামড়া, যেখানে রেড মাসেল আছে সেসব জায়গায় জমে দুর্গন্ধটা তৈরি হয়," বলেন তিনি।

বিষয়টি খাটো করে দেখার মতো নয়, কারণ খাতটি বড়। জাতিসংঘের ফুড অ্যান্ড অ্যাগ্রিকালচারাল অর্গানাইজেশনের 'দ্য স্টেট অব ওয়ার্ল্ড ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাকুয়াকালচার ২০২৬' প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাছসহ জলজ প্রাণী চাষে বিশ্বে পঞ্চম স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ, আর অভ্যন্তরীণ জলাশয় থেকে মাছ আহরণে দ্বিতীয়।

মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুসারে দেশের জিডিপিতে মৎস্য খাতের অবদান আড়াই শতাংশের বেশি এবং উৎপাদনের সঙ্গে রপ্তানিও বাড়ছে। সেই বাজারে স্বাদ ও গন্ধ নিয়ে অভিযোগ থেকে গেলে চাষির দামই শেষ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

বিবিসি বাংলাসূত্র

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

কেরালার উপকূলীয় নারীদের ৮৪টি মাছের ব্যবসা, পারিবারিক আয় বেড়েছে ৩০-৩৫ শতাংশ

আইসিএআর-সিএমএফআরআইয়ের এক কর্মসূচির সহায়তায় ২০২২ থেকে ২০২৬ সালে কেরালার আট জেলায় ৮৪টি মৎস্যভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোগ গড়ে উঠেছে; সরাসরি উপকৃত ৪৬৯ জন, যাঁদের বেশির ভাগ তফসিলি জাতিভুক্ত।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

সৌরশক্তির রিসার্কুলেটিং ট্যাংকে পাহাড়ে ট্রাউট চাষ, পানি লাগবে ৮০ শতাংশ কম

ভারতের উত্তরাখণ্ডের এক খামারে সৌরশক্তিচালিত হাইব্রিড রিসার্কুলেটিং অ্যাকুয়াকালচার সিস্টেম চালু করেছে আইসিএআর-সিআইসিএফআর; প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এতে পানি প্রায় ৮০ শতাংশ কম লাগে এবং একজন ট্রাউটচাষি বছরে ৪ থেকে ৫ লাখ রুপি উদ্বৃত্ত পেতে পারেন।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

আট পদের পাঁচটিই শূন্য, তিনজনে চলছে শায়েস্তাগঞ্জের সরকারি মৎস্য বীজ খামার

১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ সরকারি মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারে ১২টি পুকুরে পোনা উৎপাদন চললেও আট পদের পাঁচটি শূন্য, নৈশপ্রহরী নেই, বরাদ্দ না থাকায় চাষি প্রশিক্ষণও বন্ধ।

মানবজমিন১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)