নড়াইলে ৯,১০৭ হেক্টরের আউশ ৮১ শতাংশ কাটা শেষ, লক্ষ্য ২৩,৫৯৭ টন চাল
সদর, লোহাগড়া ও কালিয়ায় পুরোদমে আউশ কাটা-মাড়াই চলছে; আবহাওয়া অনুকূল থাকলে বাম্পার ফলনের আশা করছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, প্রণোদনায় প্রতিবছর আউশে আগ্রহ বাড়ছে চাষিদের।
এই সূত্রের খবর আমরা সংক্ষেপ, পুনর্লিখন বা অনুবাদ করে তাদের নামেই প্রকাশ করি · ৬০টি প্রতিবেদন
সদর, লোহাগড়া ও কালিয়ায় পুরোদমে আউশ কাটা-মাড়াই চলছে; আবহাওয়া অনুকূল থাকলে বাম্পার ফলনের আশা করছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, প্রণোদনায় প্রতিবছর আউশে আগ্রহ বাড়ছে চাষিদের।
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির কৃষক কার্ড কর্মসূচিতে বাগেরহাটে প্রথম দফার লক্ষ্য ৩১,৩৭৪ জন, ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ২৬,৩৩৮ জনের নাম চূড়ান্ত করে ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে; ডেবিট কার্ডে জনতা, সোনালী ও কৃষি ব্যাংক থেকে অনুদান; ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে অনলাইনে যুক্ত হচ্ছে রামপাল।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবে উফশী আমনে হেক্টরে গড়ে আড়াই টন, স্থানীয় জাতে দেড় টন ফলন হওয়ায় উফশীতে আগ্রহ বাড়ছে; উফশী আউশে মেহেন্দিগঞ্জেই ১,১৫৫ হেক্টর; সবজি ২,৭০৫ হেক্টরে; লক্ষ্যমাত্রা উফশী ৬৬,৩৪০ ও স্থানীয় ৫৮,৮৬০ হেক্টর।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিদ্যাকুট গ্রামের মাঈন উদ্দিন বি-স্ট্রং প্রকল্প ও উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শে প্রথমবার মালচিং পদ্ধতিতে বেগুন করে আগাছা কম, আর্দ্রতা ভালো, ফলন বেশি পেয়েছেন; আরও দুই মাস হারভেস্ট চলবে, মৌসুম শেষে ৩ লাখ টাকার বেশি লাভের আশা, আগামীতে ৪ বিঘায় সম্প্রসারণ।
লক্ষ্যমাত্রা ১২,৫৯১ হেক্টরের বিপরীতে ১২,৫১১ হেক্টরে আবাদ, ১২,২০৩ হেক্টর কাটা শেষ; মেহেন্দীগঞ্জে ৩,৪৯০ ও মুলাদীতে ৩,১৭০ হেক্টর; প্লাস্টিকে কড়াকড়ি ও চটের ব্যাগের চাহিদায় ব্যাপারীরা সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে প্রতিযোগিতায় কিনছেন; সময়মতো বৃষ্টিতে জাগে সমস্যা হয়নি, আঁশ উজ্জ্বল।
বাগেরহাটের ফকিরহাটে ৯৫ একরের খামারে ৪৪টি মহিষ থেকে দিনে প্রায় ১৩০ লিটার দুধ, কেজি ৭০ টাকায় খামার থেকেই বিক্রি; ১৯৮৪-৮৫ সালে এডিবির অর্থায়নে ১১১ মহিষ ও ৫০ জনবলে যাত্রা; ২০২৪-২৫-এ ১০১ খামারিকে ১৪১টি বাছুর বিতরণ, রাজস্ব খাতে কর্মরত মাত্র ১০ জন।
খুলনার বান্দা গ্রামে ‘বিশ্বাস এগ্রো প্রজেক্ট ও মৎস্য হ্যাচারি’তে তিন হাউস ও ছয় পুকুরে মলি, গাপ্পি, গোল্ডফিশ, অ্যাঞ্জেল, কৈ-কার্পসহ প্রায় ২০ প্রজাতির পোনা, জোড়া বা পিস ২০-২০০ টাকা, খালিশপুর থেকে কাটাবন পর্যন্ত ক্রেতা; ১৬ বিঘায় ৯ পুকুরের ৮টিতে অল-মেল গলদা, ছয়জনের কর্মসংস্থান।
নিম্নচাপ, টানা বৃষ্টি ও জোয়ারে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার পর উপকূলীয় জেলায় আমন রোপণ জোরেশোরে; বাউফলের কৃষক বেল্লাল মিরা ৬০ কাঠা থেকে এবার ৮০ কাঠায়; কৃষি বিভাগ বলছে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে রেকর্ড উৎপাদনের সম্ভাবনা।
বিঘায় ২০-২৬ হাজার টাকা খরচে ১০ মণ পাট মণপ্রতি প্রায় ৩ হাজার টাকায় বিকোলেও লাভ সামান্য; একই জমির পাটখড়ি মানভেদে ১০-১৫ হাজার টাকায় কিনছেন ব্যবসায়ীরা, জ্বালানি, বেড়া ও গোয়ালঘর ছাড়িয়ে শহরেও ফেরি হচ্ছে।
সদর উপজেলার নাটাই উত্তর, রামরাইল ও মাছিহাতা ইউনিয়নে ছয় শতাধিক নারী-পুরুষ গ্রাফটিং ও বীজ থেকে চারা উৎপাদনে জীবিকা নির্বাহ করছেন; উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার হিসাবে প্রায় ৫ লাখ গ্রাফটিং চারা, মূল্য প্রায় ৭৫ লাখ টাকা, জুন-অক্টোবরের বৃষ্টিতে সাধারণ টমেটো না হওয়ায় আমদানিনির্ভরতা কমানোর পথ।
খুলনার দাকোপের বাজুয়া চাড়ারধার গ্রামে এইচএসসি পাস পল্লব গাইন বাবার সঙ্গে প্রায় ১,০০০ হাঁস ও চারটি উন্নত জাতের গরুর খামার চালান; ডিম গড়ে ১৫ টাকা, হাঁসপ্রতি লালনপালনে ৪৫০ টাকা; প্রাণিসম্পদ বিভাগের হিসাবে উপজেলায় ছোট-বড় প্রায় ২২০টি হাঁসের খামার, নারীদের পছন্দ পেকিন জাত।
নওগাঁর সাপাহারে বরেন্দ্র এগ্রোর বাগানে ১,৮০০ গাছে গৌরমতি ও ১,৭০০ গাছে বারোমাসি কাটিমন ঝুলছে; মৌসুমি আমে এ বছর কোটি টাকার বেশি বিক্রির পর ৪০০ মণ গৌরমতি ৮ হাজার ও ৪৫০ মণ কাটিমন ৭ হাজার টাকা মণ দরে বিক্রির প্রত্যাশা; ১০ যুবকের দৈনিক ৬০০ টাকার কাজ।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের ১৪ সেপ্টেম্বরের বরাদ্দপত্রে অক্টোবরের টিএসপি ৭০,০৫২, ডিএপি ১,৫০,৯১০ ও এমওপি ৯৩,৬৫৪ টনের পুরোটা বরাদ্দ, টিএসপি পুরোটা বিএডিসি থেকে, ডিএপির ১,০০০ টন বিসিআইসি; বগুড়ায় এমওপি ৪,৫৪০, রাজশাহীতে ৩,৩৬০ টন; রবি-বোরোর জন্য আগাম আমদানি, মজুত ও মনিটরিং।