সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

ঝরা পাতার ভেতর বসন্তের ইশারা: মাঘের শেষে হাতিরঝিলে নতুন পাতা ও আমের মুকুল

২০২৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি (২৩ মাঘ ১৪৩২) জাগো নিউজ ২৪-এর এক ফিচারে উঠে আসে শীতের শেষে ঢাকায় গাছের পাতা ঝরা, কচি পাতা গজানো আর বাতাসে আমের মুকুলের ঘ্রাণ; ঋতুবদলের সবচেয়ে স্পষ্ট ছবি মেলে হাতিরঝিলে।

ঝরা পাতার ভেতর বসন্তের ইশারা: মাঘের শেষে হাতিরঝিলে নতুন পাতা ও আমের মুকুল
পরিবেশ

২০২৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি, বাংলা ১৪৩২ সালের ২৩ মাঘ, ঢাকার সংবাদমাধ্যম জাগো নিউজ ২৪ রাজধানীতে শীত থেকে বসন্তে ঋতুবদল নিয়ে একটি ফিচার প্রকাশ করে। সাইটটির সহ-সম্পাদক জান্নাত শ্রাবণীর লেখা এবং মাহবুব আলমের তোলা ছবিতে সাজানো ওই প্রতিবেদনে গাছ থেকে শুকনো পাতা ঝরে পড়া, ডালপালা ফুঁড়ে কচি সবুজ পাতা বেরিয়ে আসা আর বাতাসে আমের মুকুলের ঘ্রাণের কথা বলা হয়। ঋতুবদলের সবচেয়ে স্পষ্ট ছবি লেখাটি খুঁজে পায় ঢাকার মাঝখানের হ্রদ ও সড়ক এলাকা হাতিরঝিলে। ফিচারটি প্রকাশিত হয় বাংলা শীত ঋতুর শেষ সপ্তাহগুলোতে, বাংলা পঞ্জিকায় বসন্তের মাস শুরু হওয়ার আগেই।

ফিচারে যা বলা হয়েছিল


লেখাটি শুরু হয় শীতের বিদায় দিয়ে। কুয়াশা আর শীতল বাতাসের ভার সরে যেতেই চারপাশে নরম উষ্ণতা ছড়িয়ে পড়ছে, আর প্রকৃতি পুরোনোকে ঝরিয়ে দিয়ে নবজীবনের রং গ্রহণ করে নতুন অধ্যায় খুলছে, এমনটাই ছিল এর বর্ণনা। মূল ছবিটি ছিল পাতা ঝরার: গাছের ডাল থেকে একে একে শুকনো পাতা ঝরছে, আর মাটিতে জমে থাকা সেই পাতার স্তূপের মাঝেই চলছে নতুন জীবনের প্রস্তুতি। ডাল ও শাখামূল ফুঁড়ে বেরিয়ে আসছে কচি পাতা। লেখকের চোখে এই দৃশ্য মনে করিয়ে দেয়, শেষ মানেই থেমে যাওয়া নয়, বরং নতুন শুরুরই আরেক নাম।

দ্বিতীয় লক্ষণটি চোখে দেখার নয়, ঘ্রাণের। ফিচারে বলা হয়, আমের মুকুলের মিষ্টি ঘ্রাণ বাতাসে মিশে আছে, আর শহরের ব্যস্ততার মাঝেও সেই সুবাস জানান দিচ্ছে বসন্ত এসেছে; একটি গাছও চোখে না পড়লেও পথচারী নাকে টের পান ঋতুর বার্তা। গাছে গাছে ফুল ফুটছে, কোথাও হলুদ, কোথাও হালকা বেগুনি, আবার কোথাও নিস্তরঙ্গ সাদা। লেখকের ভাষায়, রঙের এই নীরব উচ্ছ্বাস মনকে অজান্তেই হালকা করে তোলে।

ফিচারের তৃতীয় অংশ পাঠককে নিয়ে যায় হাতিরঝিলে। সেখানে কংক্রিট আর যানজটের ভিড়ের মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা গাছগুলোও ঋতুর ডাক উপেক্ষা করেনি। জলাধারের পাশে সারি সারি গাছে নতুন পাতার ঝিলিক আর বাতাসে ভেসে বেড়ানো ফুলের গন্ধ মিলিয়ে হাতিরঝিল যেন শহরের বুকে বসন্তের এক টুকরো গ্রাম। লেখাটি শেষ হয় ঋতুবদলের মানবিক দিক দিয়ে: বসন্ত শুধু প্রকৃতির রং বদলায় না, মানুষের মনেও আনে নীরব আনন্দ, ক্লান্তি, বিষণ্নতা আর জড়তা কাটিয়ে নতুন করে ভাবতে শেখায়, ঠিক যেমন শীত শেষে গাছেরা আবার প্রাণ ফিরে পায়। লেখকের উপসংহার ছিল, হাতিরঝিলের দৃশ্য মনে করিয়ে দেয় যে শহরের মাঝেও প্রকৃতি কথা বলে, যদি একটু থেমে শোনার সময় থাকে। মাহবুব আলমের প্রধান ছবির ক্যাপশন ছিল "নতুন রঙে সেজেছে প্রকৃতি"।

বাংলাদেশের একটি সড়কে ঝরে পড়া শুকনো পাতা। ছবি: Touhid biplob / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
বাংলাদেশের একটি সড়কে ঝরে পড়া শুকনো পাতা। ছবি: Touhid biplob / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

তখনও মাঘ: বাংলা বছরে ৫ ফেব্রুয়ারির অবস্থান


বাংলাদেশকে বলা হয় ষড়ঋতুর দেশ, আর বাংলা পঞ্জিকায় প্রতিটি ঋতুর ভাগে দুটি করে মাস। বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির জাতীয় জ্ঞানকোষ বাংলাপিডিয়া অনুযায়ী, শীত ঋতু পৌষ ও মাঘ, অর্থাৎ ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত; আর ছয় ঋতুর শেষটি বসন্ত, ফাল্গুন ও চৈত্র, অর্থাৎ ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি থেকে এপ্রিলের মাঝামাঝি পর্যন্ত। তাই ২৩ মাঘ তারিখের ফিচারটি প্রকাশিত হয়েছিল পঞ্জিকার শীতের শেষ প্রান্তে, যখন বসন্তের প্রথম মাস ফাল্গুন তখনও সামনে।

বাংলা সন বা বঙ্গাব্দ একটি সৌর পঞ্জিকা। বাংলাপিডিয়া লিখেছে, এর উৎস মুঘল সম্রাট আকবরের ১৫৮৪ সালে প্রবর্তিত তারিখ-ই-ইলাহি, যার উদ্দেশ্য ছিল ফসল তোলার সময়ের সঙ্গে মিলিয়ে খাজনা আদায়, কারণ চান্দ্র হিজরি বছর চাষের মৌসুম থেকে সরে যেত। নতুন সনের প্রথম মাস করা হয় বৈশাখকে, আর মাসগুলোর নাম নেওয়া হয় নক্ষত্র থেকে: মাঘ এসেছে মঘা (রেগুলাস) থেকে, ফাল্গুন এসেছে ফাল্গুনী (লিও নক্ষত্রমণ্ডল) থেকে। পঞ্জিকাকে আরও নির্ভুল করতে ১৯৬৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বাংলা একাডেমির উদ্যোগে মুহম্মদ শহীদুল্লাহর নির্দেশনায় একটি কমিটি গঠিত হয়। কমিটির সুপারিশ ছিল, বৈশাখ থেকে ভাদ্র পর্যন্ত প্রতিটি মাস হবে ৩১ দিনের, আশ্বিন থেকে চৈত্র পর্যন্ত প্রতিটি মাস ৩০ দিনের, আর প্রতি চার বছরে একবার চৈত্র হবে ৩১ দিনের।

আবহাওয়াবিদেরা বছরকে ভাগ করেন অন্যভাবে। রফিক আহমেদের লেখা বাংলাপিডিয়ার জলবায়ু ভুক্তিতে বাংলাদেশে তিনটি স্পষ্ট ঋতুর কথা বলা হয়েছে: নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি শীতল ও শুষ্ক ঋতু, মার্চ থেকে মে প্রাক-বর্ষার উষ্ণ ঋতু, আর জুন থেকে অক্টোবর বর্ষা ঋতু। এই হিসাবে মার্চকে বসন্ত ঋতু হিসেবেও ধরা যায়। জ্ঞানকোষের ঋতু ভুক্তি বলছে, বাংলাদেশে বসন্ত খুবই সংক্ষিপ্ত এবং কার্যত শুধু মার্চ মাসেই বিরাজ করে। অর্থাৎ ফেব্রুয়ারির শুরু বাংলা পঞ্জিকাতেও শীত, আবহাওয়ার হিসাবেও শীত। এ কারণেই ফিচারটি বসন্তের কথা বলেছে তার প্রথম ইশারা হিসেবে, পূর্ণ বসন্ত হিসেবে নয়।

শীত শুষ্ক ঋতু, আর্দ্র নয়


মূল ফিচারে শীতের "আর্দ্রতা" বিদায় নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। জলবায়ুর হিসাব কিন্তু উল্টো কথা বলে: বাংলাদেশে শীতই বছরের সবচেয়ে শুষ্ক সময়। বাংলাপিডিয়া জানায়, শীতল ও শুষ্ক এই ঋতুতে বছরের মোট বৃষ্টির মাত্র ২ থেকে ৪ শতাংশ হয়; পশ্চিম ও দক্ষিণে তা ২ সেন্টিমিটারের কম, আর উত্তর-পূর্বে ৪ সেন্টিমিটারের সামান্য বেশি, কারণ সেখানে মেঘালয় মালভূমি আর্দ্র বাতাসকে ওপরে ঠেলে তোলে। এ সময়ের সামান্য বৃষ্টি আসে ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল থেকে আসা বাতাসের সঙ্গে, যা গঙ্গা অববাহিকা ধরে ভারতের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল হয়ে দেশে ঢোকে; এই বৃষ্টির পালায় তাপমাত্রা নেমে যায়।

শীতকালে ভারতের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ওপর একটি উচ্চচাপ কেন্দ্র থাকে, সেখান থেকে ঠান্ডা বাতাসের প্রবাহ বাংলাদেশে ঢোকে, তাই দেশের ভেতরে বাতাস সাধারণত বয় উত্তর বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে। বাতাস থাকে মৃদু, ঘণ্টায় ৩ থেকে ৬ কিলোমিটার, যেখানে গ্রীষ্মে তা ঘণ্টায় ৮ থেকে ১৬ কিলোমিটার। মেঘ থাকে সবচেয়ে কম, প্রায় সারা দেশে গড়ে ১০ শতাংশের মতো। জানুয়ারি বছরের শীতলতম মাস; ডিসেম্বরের শেষ ও জানুয়ারির শুরুতে দেশের একেবারে উত্তর-পশ্চিমে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামতে পারে। রাত দিনের চেয়ে দীর্ঘ, আর সকাল প্রায়ই কুয়াশায় ঢাকা থাকে; ফিচারে যে "কুয়াশা আর শীতল বাতাসের" বিদায়ের কথা বলা হয়েছে, তা এটিই। ঢাকা যে পূর্বাঞ্চলে, সেখানে জানুয়ারি থেকে মার্চ বছরের সবচেয়ে কম আর্দ্র মাস।

একই ভুক্তিতে বসন্তের আবহাওয়ার বিবরণও আছে। শীতের উত্তুরে বাতাস থেকে গ্রীষ্মের দক্ষিণা ও দক্ষিণ-পশ্চিমা বাতাসে বদলের এই সময়ে বাতাসের দিক থাকে অস্থির। আবহাওয়া সাধারণত মনোরম থাকে: মেঘ ২০ থেকে ২৫ শতাংশ, মার্চে সারা দেশে গড় তাপমাত্রা ২২ থেকে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ। ঋতুর শুরুর দিকে তাপমাত্রা, মেঘ ও আর্দ্রতা এই গড়ের চেয়ে কম থাকে, আর বিশেষ করে মার্চের দ্বিতীয়ার্ধে বিকেলে বিচ্ছিন্নভাবে বজ্রঝড় হতে পারে। বাংলাপিডিয়া বসন্তকে বলেছে "ঋতুরাজ": আকাশ পরিষ্কার, দক্ষিণ থেকে আসে মৃদু বাতাস, আর গাছে গাছে গজায় নতুন পাতা।

শীতের শেষে গাছ কেন পাতা ঝরায়


ফিচারের কেন্দ্রে থাকা পাতা ঝরার একটি সরল উদ্ভিদবৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আছে। বাংলাপিডিয়ার ঋতু ভুক্তি সরাসরি বলছে, শীতকালেই পর্ণমোচী গাছ পাতা ঝরায়। জ্ঞানকোষের সংজ্ঞায়, পর্ণমোচী বন হলো সেই বন যার প্রধান গাছগুলো শীত বা শুষ্ক মৌসুমে পাতা ঝরিয়ে প্রস্বেদন, অর্থাৎ পাতার মধ্য দিয়ে পানি বাষ্প হয়ে বেরিয়ে যাওয়া, কমিয়ে পানির ক্ষয় রোধ করে।

উদ্ভিদবিজ্ঞানীরা পাতা ঝরাকে বলেন অ্যাবসিশন, লাতিন যে শব্দ থেকে এটি এসেছে তার অর্থ কেটে আলাদা করা। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে অ্যাডভান্সড বায়োটেকনোলজি সাময়িকীতে প্রকাশিত একটি পর্যালোচনা প্রবন্ধে একে বলা হয়েছে মূল গাছ থেকে পাতা, ডাল, ফুল বা ফলের স্বাভাবিক বিচ্ছেদ, যা শুরু হয় বার্ধক্য থেকে অথবা খরা, অন্ধকার, চরম তাপমাত্রা, পুষ্টির ঘাটতি, রোগ বা পোকার মতো বাইরের সংকেত থেকে। বিচ্ছেদটি ঘটে অ্যাবসিশন জোন নামে কোষের একটি সরু স্তরে, যা পাতার জীবনের শুরুতেই বোঁটার গোড়ায় তৈরি হয়। পর্যালোচনায় প্রক্রিয়াটিকে কয়েকটি পরস্পর-জড়ানো ধাপে বর্ণনা করা হয়েছে: স্তরটি তৈরি হওয়া, সক্রিয় হওয়া, কলা আলাদা হয়ে যাওয়া, আর ডালে থেকে যাওয়া ক্ষতের ওপর একটি সুরক্ষা স্তর তৈরি হওয়া।

একই পর্যালোচনা ব্যাখ্যা করেছে পাতা ঝরানো গাছের কী কাজে লাগে। খরার কারণে পাতা ঝরলে যে পাতার মধ্য দিয়ে পানি হারায়, তার আয়তন কমে, আর গাছ পরের শুষ্ক সময়ের জন্য প্রস্তুত হয়। পুরোনো পাতা ঝরার আগে নাইট্রোজেন, ফসফরাস ও পটাশিয়ামসহ চলনশীল পুষ্টি উপাদান তা থেকে টেনে নিয়ে বাড়তে থাকা কচি অংশে পাঠানো হয়। ঝরে পড়া পাতারও নিজস্ব কাজ আছে: বনে এই পাতার স্তর পুষ্টি ও কার্বনের চক্রে অংশ নেয় এবং মাটির ওপরে একটি সুরক্ষা আস্তরণ তৈরি করে মাটির অণুজলবায়ু নিয়ন্ত্রণ করে। মাটিতে জমা শুকনো পাতার স্তূপে নতুন জীবনের প্রস্তুতি চলার যে ছবি ফিচারে আঁকা হয়েছে, তার বৈজ্ঞানিক ভিত্তি এটিই।

যেসব গাছ কখনো পুরোপুরি পত্রশূন্য হয় না, তারাও পাতা হারানো ও নতুন পাতা গজানোর একটি চক্র মেনে চলে। ২০২১ সালে দ্য ইনোভেশন সাময়িকীতে প্রকাশিত, ক্রান্তীয় ও উপক্রান্তীয় অঞ্চলের ৬৮টি চিরসবুজ চওড়াপাতার বন নিয়ে করা এক গবেষণায় বলা হয়েছে, এসব বনে সারা বছর গাছের চাঁদোয়া থাকলেও পাতা অবিরাম ঝরে আর নতুন করে গজায়। গবেষণাটি দেখিয়েছে, আর্দ্রতা কমলে গাছ প্রস্বেদন ও পানি পরিবহন ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার ঝুঁকি কমাতে পাতা ঝরায়, আর আলো বাড়লে পুরোনো পাতার জায়গায় কর্মক্ষম কচি পাতা গজানো বাড়ে। শুষ্ক মৌসুমের পর রোদেলা শীতশেষের মাসে এই দুই অবস্থা একসঙ্গে আসে, যা ব্যাখ্যা করে কেন একই গাছে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে পুরোনো পাতা ঝরে নতুন পাতা বেরিয়ে আসে।

বাংলাদেশের পর্ণমোচী গাছ


দেশের নিজস্ব পর্ণমোচী বন হলো শালবন। বাংলাপিডিয়া জানায়, বাংলাদেশের ক্রান্তীয় আর্দ্র পর্ণমোচী বনের প্রধান গাছগুলোর প্রায় ৯০ শতাংশই শাল (Shorea robusta)। গাছটি ১০ থেকে ২৫ মিটার উঁচু হয়, শীতকালে এর বেশির ভাগ পাতা ঝরে যায়, আর এসব বনাঞ্চলে বছরে প্রায় ২,০০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। শালবন এখন ঢাকা, ময়মনসিংহ, নবাবগঞ্জ, রংপুর, দিনাজপুর ও কুমিল্লা অঞ্চলে, প্রধানত দুটি বলয়ে, যার আয়তন প্রায় ১,০৭,০০০ হেক্টর। বড়টি মধুপুর গড় নামে পরিচিত, ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নদীর মাঝখানে, দৈর্ঘ্যে প্রায় ৮০ কিলোমিটার এবং প্রস্থে ৭ থেকে ২০ কিলোমিটার; ছোটটি শেরপুর জেলায় গারো পাহাড়ের পাদদেশ ধরে প্রায় ৬০ কিলোমিটার বিস্তৃত। এ ছাড়া রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও নওগাঁয় প্রায় ১৪,০০০ হেক্টর জুড়ে ছোট ছোট অবশিষ্ট বনখণ্ড আছে, আর কুমিল্লার শালবন বিহার, ময়নামতি ও রাজেশপুরেও কিছু শালবন টিকে আছে।

জ্ঞানকোষের তথ্যে, উনিশ শতকের শেষ পর্যন্ত এই বন কুমিল্লা থেকে ভারতের দার্জিলিং পর্যন্ত একটানা বলয় হিসেবে বিস্তৃত ছিল। শাল ছাড়াও এসব বনে আছে পলাশ (Butea monosperma), হলদু, জারুল, সোনালু, কুরচি, হরীতকী, বহেড়া ও আমলকীসহ নানা গাছ, কাষ্ঠল লতা এবং প্রায় ২৫০ প্রজাতির গুল্ম ও তৃণ। বাংলাপিডিয়া আরও উল্লেখ করেছে, মানুষের হস্তক্ষেপ ও অবৈধ গাছ কাটায় পর্ণমোচী বন স্পষ্টভাবে ক্ষয়ের শিকার, আর ঘোষিত বনভূমির বড় অংশ এখন ধানখেত ও অন্যান্য চাষের জমিতে ছেয়ে গেছে।

আমের মুকুল: বাতাসে কিসের ঘ্রাণ


ফিচারে বর্ণিত সুবাসটি আমের, বাংলার ঋতুর সঙ্গে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িয়ে থাকা গাছগুলোর একটি, যার বৈজ্ঞানিক নাম Mangifera indica। বাংলাপিডিয়ার আম ভুক্তি বলছে, চাষ করা আমের জাতগুলোকে বাংলাদেশ, আসাম ও মিয়ানমারসহ ভারতীয় উপমহাদেশের পূর্বাঞ্চলের আদি গাছ বলে মনে করা হয়। শালের মতো নয়, আমগাছ চিরসবুজ: মোটা, খসখসে কাণ্ড আর ঘন পাতার মাথাওয়ালা বড় গাছ, যা ফাঁকা জায়গায় লাগালে ২০ মিটারের বেশি উঁচু ও ৩০ মিটার চওড়া হতে পারে।

ফিচারে যে মুকুলের ঘ্রাণের কথা, তা আমের ফুল ফোটার মৌসুম; জ্ঞানকোষ অনুযায়ী আমগাছে ফুল আসে জানুয়ারি থেকে মার্চে। ফুলগুলো ছোট, সাদাটে হলুদ বা বেগুনি এবং সুগন্ধি, আর ডালের মাথায় বড় বড় মঞ্জরিতে ধরে; বাংলায় এই মঞ্জরিই মুকুল। একটি মুকুলে ১০০ থেকে ২৫০টি ফুলের কুঁড়ি থাকতে পারে, যার সবগুলো ফোটে না। ফুল একলিঙ্গ বা উভলিঙ্গ হতে পারে, স্ত্রী ফুল বিরল, আর প্রায় এক হাজার ফুলের মধ্যে মাত্র এক-দুটি পরিণত ফলে রূপ নেয়; তাই একটি মুকুলে দু-তিনটি ফল ধরলেই সাধারণত ভালো ফলন হয়।

মুকুলের সময়ের আবহাওয়া গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাপিডিয়া বলছে, জানুয়ারি থেকে মার্চে গাছে যখন ফুল আসে, তখন কুয়াশা, বৃষ্টি বা মেঘলা আবহাওয়া ফল ধরায় ক্ষতি করে; পরে ফল বড় হওয়ার সময় হালকা বৃষ্টি উপকারী, কিন্তু ঝড়, বিশেষ করে শিলাবৃষ্টি, কাঁচা ফল ঝরিয়ে দেয়। যেখানে মাটি গভীর পর্যন্ত ভেজানোর মতো বৃষ্টি হয় এবং একেবারে বৃষ্টিহীন একটি নির্দিষ্ট শুষ্ক মৌসুম থাকে, সেখানে আমগাছ সবচেয়ে ভালো হয়; বাংলাদেশের শীত ঠিক এমনই।

জ্ঞানকোষের তথ্যে, দেশে প্রায় ১০০ জাতের আম আছে। কলমের মাধ্যমে বংশবিস্তার করা উন্নত জাতগুলো প্রধানত রাজশাহী, নবাবগঞ্জ ও দিনাজপুরে হয়, যার মধ্যে আছে ফজলি, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হিমসাগর, ক্ষীরশাপাত, আশ্বিনা ও কোহিতুর; আর আঁটি থেকে জন্মানো স্বীকৃত জাতহীন গাছ পরিচিত দেশি বা গুটি আম নামে। কলমের গাছে সাধারণত লাগানোর চতুর্থ বছরে প্রথম ফল আসে এবং প্রায় ৪৫তম বছর পর্যন্ত ফলন থাকে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উন্নত জাতের কলম উৎপাদন ও বিতরণ করে, আর বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) উদ্যানতত্ত্ব বিভাগ রাজশাহী, নবাবগঞ্জ ও জয়দেবপুরে গবেষণা কেন্দ্র পরিচালনা করে। বাংলাদেশে প্রায় তিন ডজন প্রজাতির পোকা আমগাছে আক্রমণ করে, যার মধ্যে হপার বা শোষক পোকা অন্যতম প্রধান; ছত্রাকজনিত রোগের মধ্যে আছে অ্যানথ্রাকনোজ ও পাউডারি মিলডিউ।

আমের মুকুল, আমগাছের ডালের মাথায় ফুলের মঞ্জরি। ছবি: Kayser Ahmad / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
আমের মুকুল, আমগাছের ডালের মাথায় ফুলের মঞ্জরি। ছবি: Kayser Ahmad / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)

মুকুলের সময় আমগাছের যত্ন


ফিচারটির এক সপ্তাহ আগে, ২০২৬ সালের ২৭ জানুয়ারি, দৈনিক প্রথম আলো জানায় যে আমগাছে মুকুল আসতে শুরু করেছে, এবং ঢাকার আসাদ গেটের ফলবীথি হর্টিকালচার সেন্টারের একজন উদ্যানতত্ত্ববিদের পরামর্শ প্রকাশ করে, মুকুল আসার আগে, মুকুলের সময় ও ফুল ফোটার পর কী করতে হবে তা নিয়ে। রাসায়নিকের মাত্রা বাদ দিয়ে মূল কথাগুলো এমন:

  • মুকুল আসার ৩০ থেকে ৪৫ দিন আগে থেকে গাছে পানি, সারসহ সব ধরনের খাবার দেওয়া বন্ধ রাখা হয়, কারণ এ সময় সার ও পানি পেলে গাছ মুকুলের বদলে নতুন পাতা ছাড়ে; ছাদবাগানের গাছকে শুধু বাঁচিয়ে রাখার মতো পানি দেওয়া হয়।
  • ফুল ফুটে গেলে কোনো কীটনাশক বা ছত্রাকনাশক স্প্রে করা যাবে না, কারণ তাতে ফুলের ক্ষতি হতে পারে এবং এ সময় বাগানে আসা উপকারী পোকারও ক্ষতি হয়, যারা ফুলের পরাগায়নে সাহায্য করে। ফুল ফোটার পর থেকে স্বাভাবিক নিয়মে সার ও পানি দেওয়া যায়।
  • মুকুল থেকে গুটি আসার পর মাটিতে পানির ঘাটতি রাখা যাবে না, নইলে মুকুল নেতিয়ে যেতে পারে এবং মুকুল ও গুটি ঝরে যেতে পারে।
  • ডাল ছাঁটাইয়ের উপযুক্ত সময় ফল সংগ্রহের পরপরই; মুকুল আসার আগে বা পরে কখনোই ছাঁটাই নয়।
  • মুকুলের সময় অতিরিক্ত নাইট্রোজেন সার দিলে মুকুল ঝরে যেতে পারে, আর গাছে পাতা বাড়ে কিন্তু মুকুল কমে।
  • গাছের গোড়া থেকে আগাছা, শুকনো পাতা ও ঝরে পড়া মুকুল নিয়মিত পরিষ্কার করলে রোগ ও পোকার ঝুঁকি কমে; ঘন কুয়াশা, অতিবৃষ্টি বা দীর্ঘ খরায় গাছের বিশেষ যত্ন দরকার।

প্রতিবেদনে মুকুল আসার আগে গাছকে যেসব পোকা থেকে রক্ষা করতে হয়, তার মধ্যে জাবপোকা, থ্রিপস, মিলিবাগ ও হপারের নাম, আর রোগের মধ্যে অ্যানথ্রাকনোজ ও পাউডারি মিলডিউয়ের নাম আছে। কোন বালাইনাশক কত মাত্রায় দিতে হবে তা পোকা ও পণ্যভেদে আলাদা, তাই যেকোনো বালাইনাশক ব্যবহারের আগে চাষির উচিত মোড়কের নির্দেশনা মানা এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ নেওয়া।

আসন্ন বসন্তের ফুল


ফিচারে হলুদ, হালকা বেগুনি ও সাদা ফুলের কথা আছে, তবে গাছগুলোর নাম নেই। বাংলাপিডিয়ার ঋতু ভুক্তিতে বসন্তের যেসব ফুলের নাম আছে, সেগুলো হলো আগুনরাঙা শিমুল, পলাশ ও কৃষ্ণচূড়া, সোনালি রাধাচূড়া আর বেগুনি জারুল। জ্ঞানকোষ বলছে, আম ও কাঁঠালের মতো ফলগাছেও এ সময় ফুল আসে; পাতার আড়ালে কোকিলের ডাক আর মধু সংগ্রহে মৌমাছির ব্যস্ততাও এই ঋতুর, আর মাঠে তখন গম, যব ও সরিষার প্রাধান্য।

এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত শিমুল (Bombax ceiba)। বাংলাপিডিয়া একে বর্ণনা করেছে ৩০ থেকে ৪০ মিটার উঁচু পর্ণমোচী গাছ হিসেবে, যার সোজা কাণ্ড কৌণিক কাঁটায় ঢাকা এবং বাকল ধূসর ও খুব খসখসে। এর বড় লালচে ফুল দৃষ্টিনন্দন, আর লম্বাটে ফলের ভেতরে থাকে রেশমি আঁশ, যা বালিশ, বিছানা ও তোশক তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। গাছটি চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেটের বনে প্রাকৃতিকভাবে জন্মায় এবং সারা দেশেই লাগানো হয়; এর নরম, হালকা কাঠ প্রধানত দেশলাইয়ের বাক্স ও কাঠি তৈরিতে, আর প্যাকিং বাক্স, খেলনা ও তক্তায় ব্যবহৃত হয়। পলাশ (Butea monosperma) বাংলাপিডিয়ার তালিকায় পর্ণমোচী বনে শালের সঙ্গী গাছগুলোর একটি।

কুমিল্লায় ফোটা শিমুল ফুল। ছবি: Masum-al-hasan / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
কুমিল্লায় ফোটা শিমুল ফুল। ছবি: Masum-al-hasan / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)

হাতিরঝিল: ঢাকার মাঝখানের হ্রদ


ফিচারটি যেখানে শহরের বসন্ত খুঁজে পেয়েছে, সেই হাতিরঝিল ঢাকার কেন্দ্রস্থলের একটি বড় জলাধার, যার চারপাশে সড়ক, সেতু ও হাঁটার পথ। নামের অর্থ "হাতির ঝিল"। স্থানীয় প্রচলিত কথা অনুযায়ী, উনিশ শতকে ঢাকার পিলখানার হাতিদের এই জলাভূমিতে গোসল করাতে আনা হতো, এখনকার এলিফ্যান্ট রোড ও হাতিরপুল হয়ে। একসময় ঝিলটি নড়াই নদীর সঙ্গে যুক্ত ছিল, যা রামপুরা খাল নামেও পরিচিত; নদীটি বনশ্রী ও মেরাদিয়া পেরিয়ে পূর্ব দিকে বালু নদীতে মিশত। বলা হয়, আশির দশকে ধীরে ধীরে ভরাট হয়ে যাওয়ার আগে রূপগঞ্জের ব্যবসায়ীরা এই পথে নৌকায় করে কারওয়ান বাজারে সবজি ও পণ্য আনতেন। পরের দশকগুলোতে জলাভূমিটি প্রায় ১,২০০ অবৈধ স্থাপনায় দখল হয়ে যায় এবং গৃহস্থালি ও শিল্পবর্জ্য ফেলার জায়গায় পরিণত হয়।

এলাকাটি উন্নয়নের ভাবনা আসে ১৯৯৫ সালে, যানজট কমানো এবং পুরান ও নতুন ঢাকার মধ্যে শহরের অন্যতম প্রধান বৃষ্টির পানি ধারণের জলাধার ও নিষ্কাশন পথ রক্ষার লক্ষ্যে। ২০০৪ ও ২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) একটি সমীক্ষার পর হাতিরঝিল ও বেগুনবাড়ি খাল সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্প নেওয়া হয়, যা ২০০৭ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) অনুমোদন করে। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ৩০২ একর জমি অধিগ্রহণ করে, আর ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর স্পেশাল ওয়ার্কস অর্গানাইজেশনের তত্ত্বাবধানে নির্মাণকাজ শুরু হয়। ২০১৩ সালের ২ জানুয়ারি হাতিরঝিল জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়।

এলাকাটি তেজগাঁও, গুলশান, বাড্ডা, রামপুরা, বনশ্রী, নিকেতন ও মগবাজারের মাঝখানে, দক্ষিণে সোনারগাঁও হোটেল থেকে উত্তরে বনশ্রী পর্যন্ত বিস্তৃত, এবং এটি রাজধানীর ভেতরের সবচেয়ে বড় জলাধার। যানবাহন চলাচল, পানিনিষ্কাশন ও বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য তৈরি হলেও হাতিরঝিল এখন ঢাকার সবচেয়ে পরিচিত বিনোদনের জায়গাগুলোর একটি, যেখানে পানির ধারে ফুটপাত ও হাঁটার পথ আছে; ২০২৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত ফিচারটি এখানেই জলের ধারের গাছে নতুন পাতার ঝিলিক দেখেছিল।

ছবি: Nahid Sultan / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)

সূত্র: জাগো নিউজ ২৪, বাংলাপিডিয়া (বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি), প্রথম আলো, অ্যাডভান্সড বায়োটেকনোলজি (উদ্ভিদের অ্যাবসিশন নিয়ে ২০২৪ সালের পর্যালোচনা), দ্য ইনোভেশন (ক্রান্তীয় বনে পাতা ঝরা নিয়ে ২০২১ সালের গবেষণা), উইকিপিডিয়া (হাতিরঝিল)

অনলাইন ডেস্কদা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

শব্দদূষণ ভারতের শহরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, কিন্তু মাপাই কঠিন

মুম্বাইয়ে বাইরের শব্দের মাত্রা গড়ে ৬৫ থেকে ৮৫ ডেসিবেল, যেখানে সড়কের শব্দে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা ৫৪ ডেসিবেল। গবেষকেরা বলছেন, তথ্যের ঘাটতি ও ব্যয়বহুল শব্দ-মডেলের কারণে ভারতে এর স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণা কঠিন।

Mongabay India১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ব্যাংকক বাঁচাতে প্রতিবছর ডুবছে থাইল্যান্ডের গ্রাম

২০১১ সালের বন্যার পর থাইল্যান্ডে তৈরি বাঁধ ও জলকপাট ব্যাংকক ও শিল্পাঞ্চল থেকে পানি সরিয়ে দেয়, কিন্তু আয়ুথায়ার নদীতীরের গ্রামগুলো এখন মাসের পর মাস মাথার ওপর পানিতে ডুবে থাকে; ঘর উঁচু করতে সঞ্চয় খরচ করছেন বাসিন্দারা।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুস্থ যমজের ছোঁয়ায় কয়েক সপ্তাহে প্রাণ ফিরে পেল বিবর্ণ প্রবাল

স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, একই কলোনির সুস্থ প্রবালের গায়ে বিবর্ণ প্রবালের টুকরা লাগিয়ে রাখলে দুটি জুড়ে যায় এবং বিবর্ণ প্রবাল আবার শৈবাল ফিরে পায়; পাঁচটি টুকরার সবকটি সাত সপ্তাহে সেরে উঠেছে।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)