সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

আদমদীঘিতে বেড়েছে আমন ধান চাষ, বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

আমিনুল জুয়েল: [২] উত্তরাঞ্চলের শস্য ভান্ডার খ্যাত বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় চলতি মৌসুমে বেড়েছে আমন ধানচাষ। উৎপাদন খরচ কম ও রোগ-বালাই এবং পোকা মাকড়ের আক্রমণ কম হওয়াই এ অঞ্চলের কৃ

আমিনুল জুয়েল: [২] উত্তরাঞ্চলের শস্য ভান্ডার খ্যাত বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় চলতি মৌসুমে বেড়েছে আমন ধানচাষ। উৎপাদন খরচ কম ও রোগ-বালাই এবং পোকা মাকড়ের আক্রমণ কম হওয়াই এ অঞ্চলের কৃষকরা ঝুঁকছেন আমন ধানচাষে। সময় মতো বৃষ্টি, রোগবালাই ও পোকা মাকড়েরর আক্রমণ কম এবং আবহাওয়া ধানচাষের উপযোগী হওয়ায় চলতি মৌসুমে ধানের বাম্পার ফলনের আশা করছে কৃষক।

[৩] উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য মতে, উপজেলার একটি পৌরসভা ও ৬টি ইউনিয়নে চলতি মৌসুমে ১২ হাজার ৩শ’ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত মৌসুমের তুলনায় এবার প্রায় ৮’শ হেক্টর বেশি জমিতে আমন ধান চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে-স্বর্ণা-৫, রনজিত, পাইজাম, হাইব্রিড, ব্রি-ধান ১১,৩৪, ৪৯ এবং ৬২সহ বেশ কিছু জাতের আমন ধান রোপণ করেছে কৃষক। ধানক্ষেতে এসময় তেমন বৃষ্টির পানি প্রয়োজন নেই। তবে এক নাগাড়ে এক সপ্তাহ ঝড়-বৃষ্টি হলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অতি বৃষ্টি আমন ফসলের ক্ষতির কারন হতে পারে।

[৪] কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে ফসল রক্ষায় মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের নিয়ে নিয়মিত আলোক ফাঁদ, দলীয় সভা ও লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। এজন্য আমনক্ষেতে তেমন কোনো রোগ-বালাই ও পোকা মাকড়ের আক্রমণ লক্ষ্য করা যায়নি। এছাড়াও আবহাওয়া ধানচাষের উপযোগী হওয়ায় কৃষকরা কাঙ্খিত ফসলের চেয়ে অধিক ফসল ঘরে তুলতে পারবে।

[৫] সদর ইউনিয়নের ছোট জিনইর গ্রামের কৃষক আজিজুর রহমান জানান, আমন ধানে খরচ কম। এছাড়াও দু-একবার সেচ দিতে হয়। বৃষ্টির পানিতেই আমন ধান হয়ে যায়। আর পোকা মাকড়ের উপদ্রুপ বাড়লে কীটনাশক স্প্রে করলেই ফসল ঘরে উঠানো যায় নিশ্চিন্তে।

[৬] গত বছরের তুলনায় এবার আরও ৫ বিঘা বেশি জমিতে ধান রোপণ করেছি উল্লেখ করে তিনি ‘দৈনিক আমাদের অর্থনীতি’কে আরও বলেন, আশা করছি ফসল ঘরে তুলতে পারলে লাভবান হব। এজন্য সবসময় কৃষি অফিসের সহযোগিতা ও পরামর্শ নিয়েছি। এখন পর্যন্ত ফসলের কোন ক্ষতি হয় নি। আগাম আলু চাষের জন্য এই জমিতে আমন ধান রোপণ করি। আগামী ২০-২৫ দিনের মধ্যে ফসল কাটতে পারবো।

৭] ছাতিয়ানগ্রাম ইউনিয়নের কাশিমালকুড়ি গ্রামের কৃষক রফিকুল ইসলাম জানান, এবছর আমন ধান খুবই ভালো হয়েছে। আশা করছি, কাঙ্খিত ফলন পাব। পোকামাকড়ের আক্রমণ কম হলেও এ পর্যন্ত তিনবার কীটনাশক ছিঁটানো হয়েছে। বৃষ্টি না হওয়ায় কিছু কিছু উঁচু জমিতে দু’বার সেচ দিতে হয়েছে। এবার আমনের বীজ ও সার পেতে কোনো ঝামেলা হয়নি। এবছর ফসলের চেহারা পোক্ত ও সুন্দর হয়েছে। সবল ও সতেজ ধানের আধা-পাকা শীষ দেখে মনে হয় এ বছর ধানের ব্যাপক ফলন হবে।

[৮] উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মিঠু চন্দ্র অধিকারী জানান, এই উপজেলায় গত আমন মৌসুমেও ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় চলতি মৌসুমেও আমনের বাম্পার ফলনের আশা করা হচ্ছে। এই উপজেলায় ধানচাষে প্রান্তিক পর্যায়ে সাধারণ লোকজনের আগ্রহ বাড়ছে। মূলত, উপজেলা কৃষি অফিসের মাঠপর্যায়ে উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তাগণ কৃষকদের সঠিক সময়ে সঠিক পরামর্শ দেন। এজন্য আমন ক্ষেতে এবার রোগবালাই নেই বললেই চলে। আবহাওয়া অনুক’লে থাকার জন্য এবং ধানগাছে রোগবালাই না থাকায় এবারও বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানান এই কৃষি কর্মকর্তা

আমাদেরসময়.কমসূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

ফসল

ইংল্যান্ডে যবের ফলন ১৪ বছরে সর্বনিম্ন, গম সামান্য বেশি

যুক্তরাজ্যের কৃষি মন্ত্রণালয় ডেফরার প্রাথমিক হিসাবে ইংল্যান্ডে যব উৎপাদন ১১ শতাংশ কমে ৩৭ লাখ টন হয়েছে, গম ০ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ১ কোটি ৮ লাখ টন; গমের তুলনায় পশুখাদ্যের যব বিক্রি হচ্ছে অনেক কম দামে।

Farmers Weekly১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
বিশ্ব

ভালো ফসলের বছরেও আফগানিস্তানে শীতে তীব্র খাদ্যসংকটে পড়বে ১ কোটি ৯২ লাখ মানুষ

অনুকূল বৃষ্টি ও ভালো ফসলের পরও নভেম্বর-এপ্রিলে আফগানিস্তানের ৩৮ শতাংশ মানুষ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় পড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে এফএও ও ডব্লিউএফপি; গত বছর একই সময়ের পূর্বাভাস ছিল ১ কোটি ৭৪ লাখ।

ডব্লিউএফপি১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

জমির সিদ্ধান্তের ভার পেয়ে তুলার ফলন সাত গুণ করলেন মহারাষ্ট্রের সুনীতা

একসময় দিনমজুরি করা, পরিবারের ১২ একর জমি নিয়ে কোনো সিদ্ধান্তের অধিকার না থাকা মহারাষ্ট্রের পাচোদ গ্রামের সুনীতা নেহারে এখন খামার চালান; মাটি ও পানি সংরক্ষণে একরপ্রতি তুলার ফলন প্রায় ১ থেকে বাড়িয়েছেন ৭ দশমিক ১৪ কুইন্টালে।

ডাউন টু আর্থ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)