ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) সার কারখানাটি গ্যাস সংকটে বন্ধ রয়েছে। প্রয়োজনীয় গ্যাস পেলে বছরে ৫ লাখ ২৮ হাজার টন ইউরিয়া উৎপাদনের সক্ষমতার এই কারখানা আবার উৎপাদনে ফিরতে পারে বলে জানিয়েছে সমকাল।
সংশ্লিষ্টরা জানান, কারখানা চালাতে দিনে প্রায় ৫৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস ৪০ বার চাপে নিরবচ্ছিন্নভাবে সরবরাহ করতে হয়। তা নিশ্চিত হলে দেশে ইউরিয়ার উৎপাদন বাড়বে, আমদানি কমবে এবং বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের হিসাবে দেশে ইউরিয়া সারের বার্ষিক চাহিদা ২৭ লাখ টন। দেশীয় কারখানাগুলোর সক্ষমতা কাজে লাগানো গেলে এই চাহিদা মেটাতে আমদানির ওপর চাপ কমবে, আর কৃষকের কাছে সময়মতো সার পৌঁছানোও সহজ হবে বলে মনে করেন খাত-সংশ্লিষ্টরা।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বিসিআইসি পরিচালিত কারখানাটির নির্মাণ শেষ হয় ১৯৮০ সালে; ১৯৮১ সালের ১৫ ডিসেম্বর পরীক্ষামূলক এবং ১৯৮৩ সালের জুলাইয়ে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়।
স্থানীয়রা দাবি করেছেন, গ্যাস বরাদ্দে জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রয়োজনে প্লাস্টিক ও খেলনা উৎপাদনের মতো যেসব শিল্পে গ্যাসের ব্যবহার সাময়িকভাবে সমন্বয় করা যায়, সেগুলো পর্যালোচনা করে সার কারখানায় গ্যাস দেওয়া হোক। খাত-সংশ্লিষ্টরা বিসিআইসি, গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ও মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত উদ্যোগে দ্রুত কারখানাটি চালুর তাগিদ দিয়েছেন।
সূত্র: সমকাল




মন্তব্য
(০)