সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

বিলুপ্তি ঠেকাতে প্রজনন বান্ধব বাসস্থান দিতে হবে

প্রাণী বাঁচান, গ্রহ বাঁচান (সেভ অ্যানিম্যালস, সেভ দ্য প্ল্যানেট) প্রতিপাদ্যে আজ বিশ্ব প্রাণী দিবসের ১০০তম বার্ষিকী উদযাপিত হচ্ছে। পৃথিবীজুরে প্রাণীদের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য প্রতিবছর ৪ অক্টোবর দিবসটি পালিত হয়। পুরো পৃথিবীর প্রাকৃতিক ভারসাম্য ঠিক রাখতে সৃষ্টিকর্তা মানুষের পাশাপাশি প্রাণীকুল সৃষ্টি

প্রাণী বাঁচান, গ্রহ বাঁচান (সেভ অ্যানিম্যালস, সেভ দ্য প্ল্যানেট) প্রতিপাদ্যে আজ বিশ্ব প্রাণী দিবসের ১০০তম বার্ষিকী উদযাপিত হচ্ছে। পৃথিবীজুরে প্রাণীদের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য প্রতিবছর ৪ অক্টোবর দিবসটি পালিত হয়। পুরো পৃথিবীর প্রাকৃতিক ভারসাম্য ঠিক রাখতে সৃষ্টিকর্তা মানুষের পাশাপাশি প্রাণীকুল সৃষ্টি করেছেন। মানবসৃষ্ট কারণের পাশাপাশি নানারকম প্রাকৃতিক দূর্যোগে বিলুপ্ত হচ্ছে নানা প্রজাতির প্রাণী। এদের রক্ষা করে পৃথিবীর স্বাস্থ্য ঠিক রাখা এখন সময়ের দাবি।

ওয়ার্ল্ড ওয়াইল্ডলাইফ ফান্ড এক প্রতিবেদনে জানায়, ১৯৭০ সাল থেকে এ পর্যন্ত বিশ্বে দুই-তৃতীয়াংশ বন্যপ্রাণী কমেছে। ১০০ বছরে বাংলাদেশের ভূখণ্ড থেকে হারিয়ে গেছে ৩১ প্রজাতির প্রাণী। যার মধ্যে রয়েছে ১১টি স্তন্যপায়ী, ১৯টি পাখি ও ১টি সরীসৃপ।

আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘ- আইইউসিএন এর সর্বশেষ ২০১৫ সালের হিসেব অনুযায়ী, বাংলাদেশে ১৬০০-এর বেশি প্রজাতির প্রাণী রয়েছে। যাদের মধ্যে ৩৯০টি প্রজাতিই বিপন্নের পথে। এই প্রজাতিগুলোকে আইইউসিএন লাল তালিকাভুক্ত করেছে। এছাড়া ৫০টিরও বেশি প্রজাতি অতি বিপন্ন ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বলে চিহ্নিত করেছে আইইউসিএন।

বাংলাদেশে প্রাণী বিলুপ্তের হার আশঙ্কাজনকভাবে বেশি। বন উজাড় ও অপরিকল্পিত নগরায়নের ফলে প্রাণীর আবাসস্থল ও চলাফেরার পথ ভেঙে যাচ্ছে, একইসাথে খাদ্য সংকটে পড়ছে। নদী, লেক ও জলাশয়গুলোতে দূষণের মাত্রা বেড়ে যাচ্ছে। ব্যক্তি বা রাষ্ট্রীয় স্বার্থে প্রাকৃতিক সম্পদের অতিরিক্ত ব্যবহার এবং অপরাধীরা বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণীকে অবৈধ শিকার ও পাচার করছে। এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রকৃতিক দূযোগের কারণে বাংলাদেশে প্রাণীর সংখ্যা কমছে ও প্রজাতি হারাচ্ছে। এমন নানা কারণে প্রতি বছরই পৃথিবী থেকে এক বা একাধিক প্রাণী বিলুপ্ত হচ্ছে।

প্রাণী ও তাদের বাসস্থানের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাগুলোর দায়িত্বও অপরিসীম। দেশের বনাঞ্চল, লেক, নদী-সাগরের তীরবর্তী অঞ্চল, জাতীয় উদ্যান ও বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যগুলোতে ড্রোন-ডেটাভিত্তিক নজরদারি, কঠোর আইন প্রয়োগ, প্রাণীদের পর্যাপ্ত খাদ্য, প্রজনন বান্ধব বাসস্থান ও চলাফেরার নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করলে প্রাণীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে পারে। এর মাধ্যমে দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্যও রক্ষা পাবে।

প্রাণী বাঁচানো মানে শুধু প্রাণী সংরক্ষণ নয়, বরং এতে পৃথিবীর স্বাস্থ্যও ঠিক রাখা হয়। পৃথিবী টিকে থাকলে, আমরা মানুষও সুস্থ্যভাবে দীর্ঘমেয়াদি বাঁচতে পারবো। তাই প্রাণী ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সচেতন হওয়া এবং মানবিক আচরণ প্রদর্শন করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

ওয়ার্ল্ড এনিম্যাল ডে ওয়েবসাইট বলেছে, এবারের প্রতিপাদ্য মূলত প্রাণীকল্যাণ ও পৃথিবী নামক গ্রহের স্বাস্থ্যের সম্পর্কের কথা মনে করিয়ে দেয়। জানা যায়, হেনরিক জিম্মারমেন নামের একজন জার্মান লেখক ও প্রকাশক সর্বপ্রথম ১৯২৫ সালে জার্মানির বার্লিন স্পোর্ট প্যালেসে এই দিবসের সূচনা করেন। তিনি 'মেন্স উন্ড হুন্দ' (মানুষ ও কুকুর) নামক একটি ম্যাগাজিনে এই বিষয়ে লিখেছিলেন। ১৯২৯ সালের ৪ অক্টোবর প্রথমবারের মতো দিবসটি পালন করা হয়। প্রথমদিকে জার্মানি, অস্ট্রিয়া, সুইজারল্যান্ড ও চেকোস্লোভাকিয়ার অধিবাসীরা দিবসটি পালন করলেও পরে ১৯৩১ সালে ইতালির ফ্লোরেন্সে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক প্রাণী সুরক্ষা কংগ্রেসে উত্থাপন করা প্রস্তাব মতে, ৪ অক্টোবরকে বিশ্ব প্রাণী দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। বর্তমানে এটি বৈশ্বিক অনুষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। ২০০৩ সাল থেকে যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রাণী কল্যাণ চ্যারিটি নেতৃত্ব ও পৃষ্ঠপোষকতা করে আসছে।

মো. সোহাগ রাসিফপ্রাক্তন শিক্ষার্থী, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

শব্দদূষণ ভারতের শহরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, কিন্তু মাপাই কঠিন

মুম্বাইয়ে বাইরের শব্দের মাত্রা গড়ে ৬৫ থেকে ৮৫ ডেসিবেল, যেখানে সড়কের শব্দে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা ৫৪ ডেসিবেল। গবেষকেরা বলছেন, তথ্যের ঘাটতি ও ব্যয়বহুল শব্দ-মডেলের কারণে ভারতে এর স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণা কঠিন।

Mongabay India১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ব্যাংকক বাঁচাতে প্রতিবছর ডুবছে থাইল্যান্ডের গ্রাম

২০১১ সালের বন্যার পর থাইল্যান্ডে তৈরি বাঁধ ও জলকপাট ব্যাংকক ও শিল্পাঞ্চল থেকে পানি সরিয়ে দেয়, কিন্তু আয়ুথায়ার নদীতীরের গ্রামগুলো এখন মাসের পর মাস মাথার ওপর পানিতে ডুবে থাকে; ঘর উঁচু করতে সঞ্চয় খরচ করছেন বাসিন্দারা।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুস্থ যমজের ছোঁয়ায় কয়েক সপ্তাহে প্রাণ ফিরে পেল বিবর্ণ প্রবাল

স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, একই কলোনির সুস্থ প্রবালের গায়ে বিবর্ণ প্রবালের টুকরা লাগিয়ে রাখলে দুটি জুড়ে যায় এবং বিবর্ণ প্রবাল আবার শৈবাল ফিরে পায়; পাঁচটি টুকরার সবকটি সাত সপ্তাহে সেরে উঠেছে।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)