সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

উল্লুক, মেঘলা চিতা, হাতি: কক্সবাজারের বন এখনো বন্যপ্রাণীর আশ্রয়, তবে চাপ বাড়ছে

২০২২-২৩ সালের গবেষণায় ইনানী জাতীয় উদ্যানে ২৩ প্রজাতির স্তন্যপায়ী মিলেছে, এর তিনটি অতি বিপন্ন; বসতি, সড়ক ও স্থাপনার চাপে আবাসস্থল সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা।

উল্লুক, মেঘলা চিতা, হাতি: কক্সবাজারের বন এখনো বন্যপ্রাণীর আশ্রয়, তবে চাপ বাড়ছে
পরিবেশ

সমুদ্রসৈকতের জন্য পরিচিত কক্সবাজারের পাহাড়ি ও চিরহরিৎ বনে এখনো বিচরণ করছে এশিয়ান হাতি, মায়া হরিণ, মুখপোড়া হনুমান, উল্টোলেজি বানর, শজারু, বনবিড়াল ও চিতা বিড়াল; কোথাও বিপন্ন পশ্চিমা উল্লুক, কোথাও দুর্লভ মেঘলা চিতা। বিশ্ব প্রাণী দিবসে বার্তা২৪-এর প্রতিবেদন বলছে, এদের রক্ষায় আবাসস্থলও রক্ষা করতে হবে।

বন অধিদপ্তরের তথ্যে, জেলায় আছে টেকনাফ বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য (১১,৬১৪.৫৭ হেক্টর), ফাসিয়াখালী বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য (১,৩০২.৪২ হেক্টর), ইনানী জাতীয় উদ্যান (৭,০৮৫ হেক্টর) এবং ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠিত বাইশারী ব্যাংডেপা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য। চকরিয়ার অংশ নিয়ে বিস্তৃত চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ৭,৭৬৪ হেক্টরের, যেখানে হাতি অন্যতম প্রধান প্রাণী।

২০২২ থেকে ২০২৩ সালের এক গবেষণায় উখিয়ার ইনানী জাতীয় উদ্যানে ২৩ প্রজাতির স্তন্যপায়ী পাওয়া গেছে। এর মধ্যে এশিয়ান হাতি, পশ্চিমা উল্লুক ও মেঘলা চিতা জাতীয় রেড লিস্টে অতি বিপন্ন; উত্তরের মায়া হরিণ, উল্টোলেজি বানর, মুখপোড়া হনুমান ও লজ্জাবতী বানরও বিপন্ন প্রজাতি। আরেক গবেষণায় ইনানীতে পশ্চিমা উল্লুকের সাতটি দলে মোট ১৮টি উল্লুক মিলেছিল। বন অধিদপ্তরের পুরোনো তথ্যে ইনানী বনে ১৫ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ৬৫ প্রজাতির পাখি, ৬ প্রজাতির উভচর ও ১৫ প্রজাতির সরীসৃপের কথা আছে; টেকনাফের কুদুম গুহায় দুই প্রজাতির বাদুড়, চার প্রজাতির শামুক, চার প্রজাতির মাছ ও তিন প্রজাতির মাকড়সা।

ফাসিয়াখালী অভয়ারণ্যকে হাতির গুরুত্বপূর্ণ আবাসস্থল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বনে খাবার ও নিরাপদ বিচরণক্ষেত্র কমলে হাতি লোকালয়ে নামে, তৈরি হয় মানুষ-হাতি সংঘাত; তাই হাতির চলাচলের পথ অক্ষুণ্ন রাখাও জরুরি।

পর্যটন, বসতি, সড়ক ও অবকাঠামোর চাপে বনাঞ্চল সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা আছে। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) কক্সবাজার শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম বলেন, বন বাঁচলেই প্রাণী বাঁচবে; বনে যেভাবে বসতি ও রাস্তাসহ স্থাপনা হচ্ছে, তা প্রাণীদের জন্য হুমকি।

প্রতিবেদনটি করেছেন বার্তা২৪-এর কক্সবাজার স্টাফ করেসপন্ডেন্ট আবদু রশিদ মানিক।

ছবি: Programme HURO / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)

সূত্র: বার্তা২৪

বার্তা২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

শব্দদূষণ ভারতের শহরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, কিন্তু মাপাই কঠিন

মুম্বাইয়ে বাইরের শব্দের মাত্রা গড়ে ৬৫ থেকে ৮৫ ডেসিবেল, যেখানে সড়কের শব্দে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা ৫৪ ডেসিবেল। গবেষকেরা বলছেন, তথ্যের ঘাটতি ও ব্যয়বহুল শব্দ-মডেলের কারণে ভারতে এর স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণা কঠিন।

Mongabay India১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ব্যাংকক বাঁচাতে প্রতিবছর ডুবছে থাইল্যান্ডের গ্রাম

২০১১ সালের বন্যার পর থাইল্যান্ডে তৈরি বাঁধ ও জলকপাট ব্যাংকক ও শিল্পাঞ্চল থেকে পানি সরিয়ে দেয়, কিন্তু আয়ুথায়ার নদীতীরের গ্রামগুলো এখন মাসের পর মাস মাথার ওপর পানিতে ডুবে থাকে; ঘর উঁচু করতে সঞ্চয় খরচ করছেন বাসিন্দারা।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুস্থ যমজের ছোঁয়ায় কয়েক সপ্তাহে প্রাণ ফিরে পেল বিবর্ণ প্রবাল

স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, একই কলোনির সুস্থ প্রবালের গায়ে বিবর্ণ প্রবালের টুকরা লাগিয়ে রাখলে দুটি জুড়ে যায় এবং বিবর্ণ প্রবাল আবার শৈবাল ফিরে পায়; পাঁচটি টুকরার সবকটি সাত সপ্তাহে সেরে উঠেছে।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)