সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

এল নিনোর আশঙ্কা: খরা ও তাপপ্রবাহের ঝুঁকি, কৃষকদের আগাম সতর্ক করার তাগিদ

আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আসন্ন এল নিনো বাংলাদেশে খরা ও তাপপ্রবাহের ঝুঁকি বাড়াতে পারে, তাতে সেচের চাহিদা ও কৃষকের খরচ বাড়বে; তাই মৌসুমি পূর্বাভাস জোরদার করে কৃষি ও পানি ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা আগেভাগে করতে হবে।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) সম্ভাব্য শক্তিশালী এল নিনোর পূর্বাভাস দেওয়ার পর বাংলাদেশে খরা ও তাপপ্রবাহের ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। আজ মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস সামনে রেখে বিশেষজ্ঞরা সমকালকে বলেছেন, শুধু ত্রাণ আর পুনর্বাসনের ওপর ভরসা না করে আগাম প্রস্তুতি, ঝুঁকি হ্রাস এবং কৃষি ও পানি ব্যবস্থাপনায় সময়মতো পদক্ষেপ এখনই দরকার।

বুয়েটের পানি ও বন্যা ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক এ কে এম সাইফুল ইসলাম বলেন, এল নিনোর প্রভাবে দেশে শুষ্কতা, খরা ও তাপপ্রবাহের ঝুঁকি বাড়তে পারে, তবে বন্যা বা শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের ঝুঁকিও থেকে যায়। তাঁর ব্যাখ্যায়, তাপপ্রবাহের সঙ্গে খরা দেখা দিলে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হয়; পানির সংকটে সেচের চাহিদা ও কৃষকের উৎপাদন খরচ বাড়ে, যার প্রভাব শেষ পর্যন্ত খাদ্যের বাজারে পড়তে পারে। তাপমাত্রা ও বৃষ্টির ধরন বদলালে ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়ার মতো মশাবাহিত রোগ এবং পানিবাহিত রোগের ঝুঁকিও বাড়তে পারে।

হাইড্রো-ক্লাইমেট অ্যান্ড ওশান সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক ড. মোহন কুমার দাশ জানান, ১৯৫১ থেকে ২০১৭ সালের তথ্য নিয়ে দেশের পাঁচটি উপকূলীয় জেলায় করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, এল নিনোর বছরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিক বছরের চেয়ে গড়ে প্রায় শূন্য দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল। এল নিনোর পূর্বাভাস পেলেই কৃষি ও পানি ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা করা এবং অঞ্চলভিত্তিক আবহাওয়া ও মৌসুমি বৃষ্টির পূর্বাভাস নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা দরকার বলে মনে করেন তিনি।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক ড. সমরেন্দ্র কর্মকার বলেন, এল নিনোর বছরে বৃষ্টি প্রায়ই অনিয়মিত হয়: কোথাও কম, কোথাও অতিবৃষ্টি। হিমালয়ের পাদদেশ ও উজানে ভারী বৃষ্টি হলে ব্রহ্মপুত্র, গঙ্গা ও মেঘনার পানি একসঙ্গে বেড়ে বড় বন্যাও হতে পারে। তাঁর পরামর্শ, বৃষ্টি, বন্যা ও খরার মৌসুমি পূর্বাভাস আরও কার্যকর করা, যাতে মার্চ-এপ্রিল বা মে মাসে খরা বা তীব্র গরমের আশঙ্কা থাকলে কৃষকদের আগেই সতর্ক করা যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় এখনো ত্রাণকেন্দ্রিক প্রবণতা রয়ে গেছে; ঝুঁকিতে থাকা মানুষকে পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্তে যুক্ত করা, সংস্থাগুলোর সমন্বয়, স্থানীয় প্রস্তুতি ও আগাম সতর্কবার্তা নিশ্চিত করা জরুরি। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, বঙ্গোপসাগরের তীরে অবস্থান, অসংখ্য নদনদী, জলবায়ু পরিবর্তন ও জনসংখ্যার চাপ দেশকে বিশ্বের অন্যতম দুর্যোগপ্রবণ অঞ্চলে পরিণত করেছে।

এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য ‘ঘর থেকেই শুরু করি, দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ি’। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় ঢাকার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে মূল অনুষ্ঠান এবং বিভাগ, জেলা ও উপজেলায় নানা কর্মসূচি নিয়েছে।

সূত্র: সমকাল

সমকালসূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

শব্দদূষণ ভারতের শহরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, কিন্তু মাপাই কঠিন

মুম্বাইয়ে বাইরের শব্দের মাত্রা গড়ে ৬৫ থেকে ৮৫ ডেসিবেল, যেখানে সড়কের শব্দে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা ৫৪ ডেসিবেল। গবেষকেরা বলছেন, তথ্যের ঘাটতি ও ব্যয়বহুল শব্দ-মডেলের কারণে ভারতে এর স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণা কঠিন।

Mongabay India১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ব্যাংকক বাঁচাতে প্রতিবছর ডুবছে থাইল্যান্ডের গ্রাম

২০১১ সালের বন্যার পর থাইল্যান্ডে তৈরি বাঁধ ও জলকপাট ব্যাংকক ও শিল্পাঞ্চল থেকে পানি সরিয়ে দেয়, কিন্তু আয়ুথায়ার নদীতীরের গ্রামগুলো এখন মাসের পর মাস মাথার ওপর পানিতে ডুবে থাকে; ঘর উঁচু করতে সঞ্চয় খরচ করছেন বাসিন্দারা।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুস্থ যমজের ছোঁয়ায় কয়েক সপ্তাহে প্রাণ ফিরে পেল বিবর্ণ প্রবাল

স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, একই কলোনির সুস্থ প্রবালের গায়ে বিবর্ণ প্রবালের টুকরা লাগিয়ে রাখলে দুটি জুড়ে যায় এবং বিবর্ণ প্রবাল আবার শৈবাল ফিরে পায়; পাঁচটি টুকরার সবকটি সাত সপ্তাহে সেরে উঠেছে।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)