সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

পরিযায়ী পাখি শিকার বন্ধে সমন্বিত পদক্ষেপ প্রয়োজন

মুহাম্মদ শফিকুর রহমান

মুহাম্মদ শফিকুর রহমান

শীত এলেই দেশে পরিযায়ী পাখি শিকারের রীতিমত উৎসব শুরু হয়। দেশের যেখানেই পরিযায়ী পাখিরা নিজেদের নিরাপদ মনে করে; সেখানেই একদল শিকারি হানা দেয়। পরিযায়ী পাখি হাট-বাজারে প্রকাশ্যে বিক্রি হয়। একদল বিত্তবান আগেই শিকারীদের বলে রাখেন, যেন পরিযায়ী পাখি ধরে তাদের বাসায় পাঠানো হয়। ফলে পাখি বিক্রিতে শিকারীদের বেগ পেতে হয় না।

দেশে প্রচলিত আইনে পরিযায়ী পাখি ধরা ও বিক্রি সম্পূর্ণ নিষেধ। তারপরও অবাধে পরিযায়ী পাখি হত্যা চলছে। গণমাধ্যমে দেখা যায়, কোথায়, কে বা কারা, কখন, কীভাবে পরিযায়ী পাখি শিকার করছেন। এগুলো কোথায় বিক্রি হয়। এ সংক্রান্ত সংবাদ ছাপা হয়। চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: পরিযায়ী পাখির সমাগমে মুখর 'চাতল বিল'

তারপরও স্থানীয় প্রশাসন কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারছে না। প্রশ্ন হলো এ ব্যর্থতার কারণ কী? স্থানীয় প্রশাসন হয়তো পরিযায়ী পাখির বিষয়টি গুরুত্ব দেয় না। আবার গুরুত্ব দিলেও জনবলের অভাবে কাজ করা সম্ভব হয় না। পরিযায়ী পাখির শিকারী ধরা পড়লে তার বিরুদ্বে আইনগত ব্যবস্থা সবল নয়। সামান্য সাজা দেওয়া হয়। এ জন্য কঠোর আইন প্রণয়ন করতে হবে।

প্রত্যন্ত অঞ্চলে পরিযায়ী পাখি ধরা হয়। জায়গাগুলো দুর্গম। খবর পেয়ে পুলিশ যেতে যেতে শিকারীরা পালিয়ে যায়। এ জন্য যেসব জায়গায় পরিযায়ী পাখি ধরা হয়; সেসব জায়গার সচেতন নাগরিকদেরই ব্যবস্থা নিতে হবে। তারাই গড়ে তুলতে পারেন পাখির শিকার বন্ধে কঠোর আন্দোলন।

আরও পড়ুন: শীতকালে পোষা পাখির যত্নে করণীয়

স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো এ ক্ষেত্রে এগিয়ে আসতে পারে। কমিটি করে কাজ করতে পারে। নিতে পারে স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তা। শুধু পুলিশের পক্ষে শিকার ঠেকানো সম্ভব নয়। পরিযায়ী পাখির নিরাপত্তায় সমন্বিত পদক্ষেপ প্রয়োজন। বিচ্ছিন্নভাবে কাজ করলে সফলতা আসবে কমই।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে সভাপতি, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে সাধারণ সম্পাদক করে স্থানীয় সাংবাদিক, সমাজকর্মী, স্বেচ্ছাসেবী, প্রধান শিক্ষক, সংস্কৃতিকর্মী এবং ইমামদের নিয়ে কমিটি গঠন করে কাজ করা সম্ভব। স্থানীয় জনগণ তাদের এলাকা পাখি শিকারমুক্ত করেছেন, এমন ঘটনা অনেক আছে। তাই সবাই মিলে কাজ করলে পরিযায়ী পাখিসহ সব ধরনের পাখি শিকার বন্ধ করা সম্ভব।

লেখক: পরিবেশ-প্রকৃতি বিষয়ক লেখক।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

শব্দদূষণ ভারতের শহরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, কিন্তু মাপাই কঠিন

মুম্বাইয়ে বাইরের শব্দের মাত্রা গড়ে ৬৫ থেকে ৮৫ ডেসিবেল, যেখানে সড়কের শব্দে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা ৫৪ ডেসিবেল। গবেষকেরা বলছেন, তথ্যের ঘাটতি ও ব্যয়বহুল শব্দ-মডেলের কারণে ভারতে এর স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণা কঠিন।

Mongabay India১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ব্যাংকক বাঁচাতে প্রতিবছর ডুবছে থাইল্যান্ডের গ্রাম

২০১১ সালের বন্যার পর থাইল্যান্ডে তৈরি বাঁধ ও জলকপাট ব্যাংকক ও শিল্পাঞ্চল থেকে পানি সরিয়ে দেয়, কিন্তু আয়ুথায়ার নদীতীরের গ্রামগুলো এখন মাসের পর মাস মাথার ওপর পানিতে ডুবে থাকে; ঘর উঁচু করতে সঞ্চয় খরচ করছেন বাসিন্দারা।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুস্থ যমজের ছোঁয়ায় কয়েক সপ্তাহে প্রাণ ফিরে পেল বিবর্ণ প্রবাল

স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, একই কলোনির সুস্থ প্রবালের গায়ে বিবর্ণ প্রবালের টুকরা লাগিয়ে রাখলে দুটি জুড়ে যায় এবং বিবর্ণ প্রবাল আবার শৈবাল ফিরে পায়; পাঁচটি টুকরার সবকটি সাত সপ্তাহে সেরে উঠেছে।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)