যুক্তরাষ্ট্রের কৃষিমন্ত্রী ব্রুক এল. রোলিন্স (Brooke L. Rollins) ১৬ অক্টোবর টেক্সাসের কল্ডওয়েলে গিজেনশ্লাগ ফার্মস পরিদর্শনে গিয়ে "গ্রেট আমেরিকান কটন প্ল্যান"-এর আওতায় দুটি নতুন পদক্ষেপ ঘোষণা করেছেন। এর একটিতে বাংলাদেশসহ চারটি পোশাক রপ্তানিকারক দেশের মার্কিন তুলা কেনাকে যুক্ত করা হয়েছে তাদের তৈরি পোশাকের মার্কিন শুল্কের সঙ্গে।
যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) বৈদেশিক কৃষি সেবা (এফএএস) মার্কিন তুলা কেনায় উৎসাহ দিতে একটি ব্যবস্থা তৈরি করছে, যা চালু হবে ২০২৭ সালে। এফএএস বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, কম্বোডিয়া ও মালয়েশিয়ার মার্কিন তুলা কেনা যাচাই করবে। বিনিময়ে মার্কিন তুলা ও বস্ত্র উপকরণ দিয়ে তৈরি এসব দেশের পোশাক যুক্তরাষ্ট্রে আমদানিতে অগ্রাধিকারমূলক শুল্ক সুবিধা পাবে। নির্দিষ্ট পরিমাণ আমদানি কোন হারে ঢুকবে তা ঠিক করে যে ট্যারিফ-রেট কোটা (টিআরকিউ), তুলার সেই প্রক্রিয়ার দায়িত্ব এখন নিচ্ছে ইউএসডিএ, যাতে তা বিভাগের বৃহত্তর কৃষি বাণিজ্য কাজের সঙ্গে মেলে।
কৃষকদের জন্য ইউএসডিএর ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা সংস্থা (আরএমএ) ২০২৭ সালের ফসল মৌসুমে একটি শস্য বিমা পলিসিতে একাধিক এনডোর্সমেন্ট (বাড়তি সুরক্ষা) কেনার সুযোগ দেবে। তুলাচাষিদের পাশাপাশি অন্যান্য যোগ্য ফসলও এই সুবিধা পাবে। অনুমোদিত বিমা প্রতিষ্ঠান ও এজেন্টদের কাছে ৩০ নভেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে চূড়ান্ত বিবরণ পাঠাবে আরএমএ। বিভাগ জানায়, ২০২৫ সালের ৪ জুলাই সই হওয়া একটি কর আইন এর আগেই অনেক শস্য বিমা পণ্যের পরিধি বাড়িয়েছে ও খরচ কমিয়েছে।
রোলিন্স বলেন, "আগের প্রশাসনের সময় যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের শীর্ষ তুলা রপ্তানিকারকের স্থান হারিয়েছে।" তাঁর ভাষায়, মে মাসে চালু হওয়া এই পরিকল্পনার লক্ষ্য উৎপাদকদের ঝুঁকি থেকে বেশি সুরক্ষা ও বাণিজ্যের আরও সুযোগ দেওয়া।
বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের জন্য এই ব্যবস্থায় মার্কিন বাজারে পোশাকের অগ্রাধিকারমূলক শুল্ক সুবিধা যুক্ত হচ্ছে যাচাই করা মার্কিন তুলা কেনার সঙ্গে। তবে কতটা তুলা কিনতে হবে বা শুল্কহার কত হবে, বিজ্ঞপ্তিতে তা জানানো হয়নি।
ছবি: Kimberly Vardeman / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
সূত্র: usda



মন্তব্য
(০)