সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

কৃষিতে জৈব মালচিং পেপার কেন ব্যবহার করবেন?

বর্তমানে কৃষিতে ফলন বৃদ্ধি, আগাছা নিয়ন্ত্রণ ও রোগ-পোকা দমনের জন্য মালচিং পদ্ধতির ব্যবহার ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। তবে উদ্বেগজনকভাবে কৃষকেরা অধিকহারে অজৈব পলি বা প্লাস্টিক মালচিং, বিশেষ করে পলি বা পলিথিনজাত মালচিং ব্যবহার করছেন। কারণ হিসেবে এর তুলনামূলকভাবে কম মূল্য, সহজলভ্যতা ও তাৎক্ষণিক ফলনের উন

বর্তমানে কৃষিতে ফলন বৃদ্ধি, আগাছা নিয়ন্ত্রণ ও রোগ-পোকা দমনের জন্য মালচিং পদ্ধতির ব্যবহার ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। তবে উদ্বেগজনকভাবে কৃষকেরা অধিকহারে অজৈব পলি বা প্লাস্টিক মালচিং, বিশেষ করে পলি বা পলিথিনজাত মালচিং ব্যবহার করছেন। কারণ হিসেবে এর তুলনামূলকভাবে কম মূল্য, সহজলভ্যতা ও তাৎক্ষণিক ফলনের উন্নতি অন্যতম। কিন্তু এ সুবিধার আড়ালে লুকিয়ে আছে মারাত্মক পরিবেশ ও কৃষি হুমকি।

প্লাস্টিক মালচিং ব্যবহারে মাটিতে সূর্যের আলো ও বাতাস প্রবেশে বাধা সৃষ্টি হয়। ফলে মাটির স্বাভাবিক জৈব গঠন বিনষ্ট হয়। কেঁচো বা উপকারী মাইক্রোঅর্গানিজম ধ্বংস হয়ে যায়। এ অজৈব পদার্থগুলো সহজে পচে না এবং জমিতে থেকে থেকে মাইক্রোপ্লাস্টিকে পরিণত হয়ে পরিবেশ দূষণ ঘটায়। জলাবদ্ধতা, জমির উর্বরতা হ্রাস এবং কৃষিপণ্যে প্লাস্টিকের ক্ষুদ্র কণা ঢুকে পড়ার মতো দীর্ঘমেয়াদি সমস্যাও সৃষ্টি হয়। এসব ক্ষতিকর দিক বিবেচনায় কৃষি ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা এখনই কঠোর নীতিমালা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট কৃষি দপ্তর ও মন্ত্রণালয়ের উচিত কৃষি জমিতে প্লাস্টিক মালচিং বিক্রি ও ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণমূলক আইন প্রণয়ন ও কার্যকর নজরদারি চালু করা। একইসাথে কৃষকদের মাঝে জৈব মালচিং বা বায়োডিগ্রেডেবল মালচিংয়ের ব্যবহার ও সুবিধা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন। যেমন- খড়, ধানের খোসা, গাছের ছাল, পচনশীল কাগজ বা অন্যান্য প্রাকৃতিক পদার্থ দিয়ে তৈরি মালচিং মাটিকে সুরক্ষা দেয় এবং পরিবেশেরও ক্ষতি করে না। কৃষকের বর্তমান চাহিদা বিবেচনা করে টেকসই কৃষি ও পরিবেশ রক্ষায় এখনই বিকল্প এবং নিরাপদ মালচিং ব্যবস্থার দিকে অগ্রসর হওয়া জরুরি।

মালচিং পেপার হচ্ছে একটি কৃষি সহায়ক উপাদান, যা মাটির ওপরে ঢেকে দিয়ে উদ্ভিদের চারপাশের পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। এটি আগাছা দমন, মাটির আর্দ্রতা ধরে রাখা, মাটির উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণ এবং রোগ-বালাই কমাতে সাহায্য করে।

আরও পড়ুন

খড়, শুকনো পাতা, কচুরিপানা, নারকেলের ছোবড়া ইত্যাদি দিয়ে তৈরি। পরিবেশবান্ধব মালচিং পেপার বর্তমানে বাজারে পাওয়া যায়। এটি কৃষিতে মাটির আর্দ্রতা ধরে রাখা, আগাছা নিয়ন্ত্রণ ও ফলন বৃদ্ধির জন্য ব্যবহৃত হয়। পরিবেশবান্ধব মালচিং পেপারগুলো মূলত বায়োডিগ্রেডেবল (জৈব-অবক্ষয়যোগ্য) উপাদান দিয়ে তৈরি, যা ৩-৬ মাসে মাটিতে মিশে যায় এবং পরিবেশের ক্ষতি করে না। পরিবেশবান্ধব মালচিং পেপার বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটসহ বেশ কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠান তৈরি করে।

১. বায়োডিগ্রেডেবল মালচিং পেপার ভুট্টা, আলু, গমের স্টার্চ, সেলুলোজ ইত্যাদি প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি। মাটিতে জৈব সারের মতো মিশে যায়।২. ক্রাফট মালচিং পেপার পাট বা কাগজজাত ফাইবার থেকে তৈরি। পানিতে দ্রুত সরে যায় এবং পরিবেশের ক্ষতি করে না। ৩. কোটিংকৃত বায়ো ফিল্ম মালচিং পেপারের ওপর প্রাকৃতিক তেল বা কোলয়েডাল কোটিং থাকে, যা পানিরোধকতা বাড়ায়।

এতে পানি কম লাগে, আগাছা কমে যায়, মাটির গঠন ও জৈব পদার্থ উন্নত হয়। ফসলের মান ও উৎপাদন বাড়ে। আগাছা জন্মাতে দেয় না। সেচের প্রয়োজন কমে, ফলন বাড়ে ও গুণগত মান ভালো হয়। এমনকি রোগ-বালাই কম হয়। তাই মাটির পুষ্টি ধরে রাখে।

পলি (প্লাস্টিক) দিয়ে তৈরি মালচিং পেপার। বর্তমানে ব্যবহৃত বেশিরভাগ মালচিং পেপারই পলি পেপার জাতীয় (প্লাস্টিক) উপাদান দিয়ে তৈরি। এর রং কালো, রুপালি, সাদা-কালো দুই পাশে রং করা ইত্যাদি। এটি সাধারণত পলি পেপারের মতো দেখতে হলেও এটি বিশেষভাবে কৃষির জন্য প্রস্তুত করা হয়। ক্ষয়প্রবণতা, শত বছরেও নষ্ট হয় না। দূষণ সৃষ্টি করে। তাই এটি অপসারণ দরকার।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

শাকসবজি

সম্পর্কিত খবর

শাকসবজি

কুয়াশায় শিকড় খাওয়ানোর প্রযুক্তিতে রোগমুক্ত আলুবীজ উৎপাদনের পরীক্ষা ইংল্যান্ডে

স্টার্টআপ এয়ারপনিক্স ও ডাইসন ফার্মিং ডেফরার অর্থায়নে দুই বছরের এক পরীক্ষা শুরু করেছে: কুয়াশাভিত্তিক পদ্ধতিতে বর্তমান খরচের অর্ধেকেরও কমে ইংল্যান্ডে রোগমুক্ত প্রথম প্রজন্মের আলুবীজ উৎপাদন সম্ভব কি না।

AgNavigator১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

মাশরুমের গাঁজন প্রযুক্তিতে টফুর বর্জ্য হলো প্রোটিনসমৃদ্ধ সুস্বাদু উপাদান

সিঙ্গাপুরের নানইয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা সয়া দুধ ও টফুর অবশিষ্ট ওকারা ঝিনুক মাশরুমের মাইসেলিয়াম দিয়ে গাঁজন করে এর প্রোটিন প্রায় ২৮ থেকে ৩০ শতাংশে তুলেছেন, বাড়িয়েছেন উমামি স্বাদ।

Green Queen১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

মাদারগঞ্জে ৬০ হেক্টরে আগাম শসা, দুই হাজার টন উৎপাদনের আশা

জামালপুরের মাদারগঞ্জে এবার প্রায় ৬০ হেক্টরে আগাম শসার আবাদ হয়েছে, উৎপাদন হতে পারে প্রায় দুই হাজার টন; পাইকারি বাজারে কেজি ৩০-৪০ টাকা, বিঘায় খরচ ১৫-২০ হাজার আর বিক্রি ৩০-৪০ হাজার টাকা।

ডেইলি বাংলাদেশ১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)