ডিমের ডজন আবারো ১৫০
আবারো অস্থির হয়ে উঠেছে ফার্মের মুরগির ডিমের দাম। তিন দিনের ব্যবধানে খুচরা বাজারে ডিমের দাম ডজনপ্রতি ৩০ টাকা বেড়ে এখন ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
আবারো অস্থির হয়ে উঠেছে ফার্মের মুরগির ডিমের দাম। তিন দিনের ব্যবধানে খুচরা বাজারে ডিমের দাম ডজনপ্রতি ৩০ টাকা বেড়ে এখন ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
রংপুরে সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে পোলট্রি মুরগির ডিমের দাম। প্রতি হালি ডিমে ২ টাকা বেশি রাখা হচ্ছে। পাকিস্তানি মুরগির দাম বাড়লেও কমেছে ব্রয়লারের। তবে চাল, ডাল, আটা, ময়দাসহ অপরিবর্তিত রয়েছে তেলের দাম।
গরমের সময় তাপমাত্রা বেশি হলে অনেক সময় খামারের মুরগি হিট স্টোকে আক্রান্ত হয়। এছাড়া ডিম দেওয়া মুরগি ছাড়াও তীব্র গরমে কম এবং বেশি বয়সী ব্রয়লার মুরগি মারা যায়। মুরগির হিট স্ট্রোকের লক্ষণ জানা থাকলে মৃত্যুহার কমানো যায়। জেনে নিন মুরগির হিট স্ট্রোকের লক্ষণ ও মৃত্যুহার কমানোর উপায়।
কুষ্টিয়ায় অস্বাভাবিক লোডশেডিং ও দফায় দফায় খাবারের মূল্যবৃদ্ধির কারণে পোলট্রি শিল্পে মারাত্মক ধস নেমেছে। জেলায় মুখ থুবড়ে পড়েছে এক সময়ের লাভজনক এই শিল্প। এরই মধ্যে জেলার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ পোলট্রি খামার বন্ধ হয়ে গেছে। আবার যেসব খামার এখনো টিকে আছে তারাও নানামুখী সমস্যায় জর্জরিত। এরই মধ্যে পোলট্রি শিল্প
মুরগির খামারে মাছির কারণে বিভিন্ন ধরনের রোগ-জীবাণু ছড়ায়। অনেক সময় এতে অনেক মুরগি মারা যায়। বিভিন্ন কারণে খামারে মাছির উপদ্রব দেখা দেয়। মাছি ১৬-৪০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় বেশি বংশবৃদ্ধি করতে পারে। ১২ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রার নিচে এদের বংশবৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায়। এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্
বিশেষ পুষ্টিসমৃদ্ধ নতুন ডিম বাজারজাত শুরু করেছে রেনাটা লিমিটেড, যা মা ও শিশুর জন্য উপকারী বলে জানায় প্রতিষ্ঠানটি। এর নাম দেওয়া হয়েছে 'ফোলেট'।
রাজশাহীতে ডিমের দামে ধস নেমেছে। প্রতি পিস ডিমে ৩-৪ টাকা কমে বিক্রি করতে হচ্ছে খামারিদের। গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের দাম নেমেছে ৮ টাকায়। অথচ একটা ডিম উৎপাদনে খরচ পড়ছে ৯ টাকা ৯১ পয়সা। সে হিসেবে বর্তমানে খামারিরা প্রতিপিসে ২ টাকা লোকসান গুনছেন।
খাবারের মূল্যবৃদ্ধি ও লোডশেডিংয়ের প্রভাবে বিপাকে পড়েছেন চাঁদপুরের পোলট্রি খামারিরা। গত এক মাসে বন্ধ হয়েছে জেলার ৩০ শতাংশ পোলট্রি খামার। যারা এখনো টিকে আছেন তারাও ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা নিয়ে চালিয়ে যাচ্ছেন ব্যবসা।
কুমিল্লায় মূল্যতালিকা না থাকা ও বেশি দামে মুরগি বিক্রির দায়ে পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
সিন্ডিকেটের কারণে অস্থির হয়ে উঠেছে ফার্মের ডিম ও পোল্ট্রি মুরগির বাজার। এ অবস্থায় ডিম-মুরগির দাম নির্ধারণে সিন্ডিকেট ভাঙার আকুতি জানিয়েছেন প্রান্তিক খামারিরা। তাদের অভিযোগ, বৃহৎ ১০-১২টি কোম্পানি মুরগির বাচ্চা বিক্রি, ডিম উৎপাদন ও পোল্ট্রি বিক্রির ক্ষেত্রে সিন্ডিকেট করে ইচ্ছেমতো দাম নির্ধারণ করছে।
গত ১৫ দিনে দেশে মুরগির বাচ্চা, ডিম ও মাংসের মুরগির দাম বাড়িয়ে ভোক্তা ও ক্ষুদ্র খামারিদের কাছ থেকে ৫২০ কোটি টাকা লুটে নিয়েছে পোল্ট্রি খাতের বৃহৎ কোম্পানিগুলো। ক্ষুদ্র খামারিদের সংগঠন 'বাংলাদেশ পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন'-এর নেতারা এ অভিযোগ করেছেন।
চাহিদা ও সরবরাহের তফাতের কারণে দেশের বাজারে হঠাৎ করেই বেড়ে যায় ডিম ও ব্রয়লার মুরগির দাম। আন্তর্জাতিক বাজারে ফিড তৈরির কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি, ডলারের বিপরীতে টাকার ব্যাপক দরপতন, পণ্য আমদানিতে মাত্রাতিরিক্ত জাহাজ ভাড়া ও লোডশেডিং পরিস্থিতি ডিম ও মুরগির মাংসের উৎপাদন খরচ বহুলাংশে বাড়িয়ে দিয়েছে। এ কারণে খ
বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম অস্বাভাবিক হারে বাড়লেও এর সুফল পাচ্ছেন না খামারিরা। তারা বলছেন, বাজারে যে মুরগি ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে খামারি তা বিক্রি হচ্ছে ১৩০-১৪০ টাকা কেজি দরে। খামারে মুরগির দাম না বাড়লেও তাদের ব্যয় বেড়েছে। মুরগির বাচ্চা ও পোলট্রি ফিড বেশি দামে কিনতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তারা।