স্বাস্থ্যডায়াবেটিসে সকালের নাশতা: প্লেট পদ্ধতিতে সবজি, প্রোটিন আর শস্যের ভাগ
ডায়াবেটিসে কার্বোহাইড্রেট পুরো বাদ না দিয়ে পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ আর প্রোটিন ও আঁশ রাখার পরামর্শ; যুক্তরাষ্ট্রের এনআইডিডিকের প্লেট পদ্ধতিতে নাশতার প্লেট সাজানোর উপায়।
স্বাস্থ্যডায়াবেটিসে কার্বোহাইড্রেট পুরো বাদ না দিয়ে পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ আর প্রোটিন ও আঁশ রাখার পরামর্শ; যুক্তরাষ্ট্রের এনআইডিডিকের প্লেট পদ্ধতিতে নাশতার প্লেট সাজানোর উপায়।
দেশের ৪৪৬ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এনসিডি কর্নারে সরকারের সরবরাহ করা পাঁচ ধরনের ওষুধের কোনো না কোনোটির ঘাটতি; অর্থায়ন বন্ধ, ১০০ কোটি টাকার চাহিদা সাড়ে ছয় মাসেও মেলেনি।
স্বাস্থ্যগবেষণা বলছে, রসুনের সাপ্লিমেন্ট ডায়াবেটিস রোগীর রক্তে শর্করা সামান্য কমাতে পারে; রসুন থেঁতো করে ১০ মিনিট রেখে খাওয়া বা রান্নায় দেওয়া ভালো, তবে এটি ওষুধের বিকল্প নয়।
স্বাস্থ্য২০২৬ সালের জুনে বাজারে ওঠা মৌসুমি ফল জাম কম ক্যালরির রসালো ফল, যাতে ভিটামিন সি, পটাশিয়াম ও আঁশ আছে। তবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণসহ অনেক দাবির পক্ষে মানুষের ওপর গবেষণার প্রমাণ মিশ্র বা অনুপস্থিত; জাম কোনো ওষুধের বিকল্প নয়।
স্বাস্থ্যলিচুর ভরা মৌসুমে ২০২৬ সালের ১৯ মে জাগো নিউজ ২৪ জানায়, ডায়াবেটিস থাকলেও লিচু নিষিদ্ধ নয়, তবে পরিমাণ ও খাওয়ার সময় মেনে চলতে হবে। স্বাস্থ্য সংস্থাগুলোর নির্দেশনা ও শিশুদের হাইপোগ্লাইসেমিয়া নিয়ে গবেষণা বলছে, ব্যক্তিগত পরামর্শ নিতে হবে চিকিৎসকের কাছে।
ফলসকালে ভেজানো কিশমিশ খাওয়ার অভ্যাস নিয়ে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে জাগো নিউজের প্রতিবেদন বলেছিল, এতে কিছু বাস্তব উপকার আছে, তবে ডায়াবেটিস, কিডনির রোগ ও আইবিএস থাকলে সতর্কতা জরুরি; ইউএসডিএ, এনএইচএস, এনআইএইচ ও ক্লিনিক্যাল গবেষণার তথ্যে সেই দাবিগুলো যাচাই করা হলো।
ফল২০২৬ সালের ৭ জানুয়ারি জাগো নিউজের এক প্রতিবেদনে শীতের সকালে খালি পেটে খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। গবেষণা বলছে খেজুরে শর্করা ও আঁশ বেশি, তবে খালি পেটে খেলে বাড়তি উপকারের প্রমাণ মেলেনি; ডায়াবেটিস থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি।
ফল২০২৫ সালের ১৬ জুন জাগো নিউজ ২৪ ভারতীয় স্বাস্থ্য ওয়েবসাইট হেলথশটসে লেখা পুষ্টিবিদদের বরাতে জাম খাওয়ার পাঁচটি সতর্কতা প্রকাশ করে: পানি, হলুদ, খালি পেট, দুগ্ধজাত খাবার ও আচার। স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ ও গবেষণা এসব বিষয়ে কী বলে, তা মিলিয়ে দেখা হলো।
ছোট ছোট লাল রঙা দানা খেতেও যেমন সুস্বাদু, দেখতেও তেমন সুন্দর। ডালিম বা বেদানা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী একটি ফল। সুপারফুড হিসেবে বিবেচিত এ ফলটি। এর প্রতিটি দানায় আছে সুস্থতার দাওয়াই। রক্ত স্বল্পতা থেকে শুরু করে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা এমনকি হার্টের অসুখেরও সমাধান আছে বেদানায়। এতে প্রচুর পরিমাণে ফাই
হাজারও পুষ্টিগুণে ভরপুর পেয়ারা। এই ফল বিভিন্ন রোগ নিরাময়েও সাহায্য করে। তবে জানলে অবাক হবেন, পেয়ারা কিন্তু সবার জন্য উপকারী নয়। এই সুস্বাদু ফল অনেকের জন্য বিপজ্জনকও হতে পারে। চিকিৎসকরা বলছেন, স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কিছু সমস্যার ক্ষেত্রে পেয়ারা খাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত।
ডায়াবেটিস রোগী আছে এখন প্রায় ঘরে ঘরেই। জীবনযাপনে অনিয়মের কারণেই মূলত এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। আর একবার ডায়াবেটিস হলে তা নিয়ন্ত্রণে রাখাই চ্যালেঞ্জের বিষয়। অনেকে তো নিয়মিত ওষুধ খেয়েও নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন না ডায়াবেটিস।
বর্ষা এলেই ইলিশ মাছের চাহিদা বেড়ে যায়। এ সময় সহজলভ্য হয়ে ওঠে জাতীয় এই মাছ। শুধু স্বাদেই নয়, স্বাস্থ্যের জন্যও অনেক উপকারী এই মাছ। বর্ষায় প্রায় প্রতিদিনই সবার ঘরে ইলিশের বাহারি পদ রান্না হয়। তবে দৈনিক ইলিশ মাছ খেলে কী হয় তা হয়তো অনেকেরই অজানা।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে রোগীদের সঠিক জীবনযাপন করা জরুরি। এক্ষেত্রে পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ ও শরীরচর্চা করা উচিত। এমন কিছু খাবার আছে যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে।