শেষ হচ্ছে আম, বাড়ছে দাম
আমের বাণিজ্যিক রাজধানী নওগাঁর সাপাহারে কয়েক সপ্তাহ আগেও দাম তুলনামূলক কম ছিল। তবে মৌসুমের শেষ পর্যায়ে এখন বাজার ঊর্ধ্বমুখী।
আমের বাণিজ্যিক রাজধানী নওগাঁর সাপাহারে কয়েক সপ্তাহ আগেও দাম তুলনামূলক কম ছিল। তবে মৌসুমের শেষ পর্যায়ে এখন বাজার ঊর্ধ্বমুখী।
বরাবরই লিচুর জন্য বিখ্যাত দিনাজপুর। সেই লিচুর জেলায় বৈরী আবহাওয়াতেও এবার আমের বাম্পার ফলন হয়েছে। কিন্তু গৌড়মতি আমের দাম একটু বেশি হওয়ায় স্থানীয়ভাবে এর চাহিদা কম। অপরদিকে বিদেশেও রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টি না হওয়ায় লোকসানের আশঙ্কায় আমচাষিরা।
'গাছ লাগিয়ে যত্ন করি সুস্থ প্রজন্মের দেশ গড়ি' প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বরগুনায় সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষমেলার আয়োজন করা হয়েছে। সেখানেই এক আম গাছের দাম চাওয়া হচ্ছে ৩০ হাজার টাকা।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে চাষিদের জিম্মি করে ৫২-৫৪ কেজিতে মণ ধরে আম কিনছেন আড়তদাররা। সে হিসাবে এ জেলার উৎপাদিত আমের ৫ ভাগের একভাগ আম ফ্রি দিতে হচ্ছে চাষিদের। আর এই একভাগ আমের আনুমানিক মূল্য ৫০০ কোটি টাকা।
এ বছর এখন পর্যন্ত দুই হাজার ৭০০ টন আম রপ্তানি হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় এক হাজার টন বেশি। গত বছর মোট এক হাজার ৭৫৭ টন আম রপ্তানি হয়েছিল।
সম্প্রতি জিআই সনদ (ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের স্বীকৃতি) পেয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আশ্বিনা আম। তবে চলতি বছরই আশ্বিনা আম বিক্রি করে উৎপাদন খরচ উঠছে না চাষিদের। এতে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তারা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আম্রপালিসহ বিভিন্ন নাবি জাতের আমের দাপটে দরপতন হয়েছে আশ্বিনার।
মধুমাস (জ্যৈষ্ঠ) শেষ হয়েছে দেড়মাস আগেই। এ মধুমাস ঘিরে দেশে যেসব ফল পাওয়া যায়, তার প্রায় সবই ফুরিয়েছে। এখন মিলছে শুধু আম-কাঁঠাল। কাঁঠালও একেবারে শেষ দিকে। বাজারে মিলছেও কম। তবে কিছুটা ভিন্ন চিত্র আমের ক্ষেত্রে। মৌসুমের একেবারে শেষদিকেও বাজারে এখনো আমের সরবরাহ ভালো। আম্রপালি ও বারি জাতের কল্যাণে এখনো
আমের জন্য বিখ্যাত চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা। এ জেলার সুস্বাদু আম দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিদেশেও রপ্তানি হয়েছে বহুবার। সবশেষ মঙ্গলবার (১ আগস্ট) বিকেলে এক মেট্রিক টন গৌরমতি আম সুইডেনে রপ্তানির জন্য পাঠানো হয়েছে।
আমের জেলা নওগাঁ। এরইমধ্যে সারাদেশে এ জেলার আমের সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে। এমনকি বিদেশেও রয়েছে এ জেলার আমের চাহিদা। জেলার সাপাহার, পোরশা ও নিয়ামতপুর উপজেলা বরেন্দ্রভূমি। শুষ্ক মৌসুমে ধুলাবালি আর বর্ষায় কাদা। এঁটেল মাটি হওয়ায় এখানকার আম অত্যন্ত সুস্বাদু ও সুমিষ্ট।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের সবচেয়ে বড় আম বাজার কানসাটে সর্বোচ্চ দামে বিক্রি হচ্ছে বারি-৭ জাতের আম। প্রতি মণ আম বিক্রি হচ্ছে সাড়ে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকায়। যা গত বছর ছিল প্রায় সাড়ে ৭ হাজার। তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, চলতি মৌসুমে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় বারি-৭ জাতের আমের দাম সবচেয়ে বেশি।
চলছে আমের মৌসুম। এখনই সময় আম দিয়ে মজাদার সব পদ তৈরি করার। পাকা আমের বিভিন্ন ধরনের সুস্বাদু পদের মধ্যে ম্যাংগো পুডিং অন্যতম। এই ডেজার্ট দেখলে সবার জিভেই পানি চলে আসে।
দেশের সবচেয়ে বড় আমের বাজার বসে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাটে। আর এই জেলার আমের সুনাম রয়েছে দেশজুড়েই। তবে এবার ঘটছে ভিন্ন ঘটনা। এই খ্যাতি কাজে লাগিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলার আম নিয়ে এসে এই বাজারে বিক্রি করছেন বেশ কিছু ব্যবসায়ী। আর এসব আম কিনে প্রতারিত হচ্ছেন সাধারণ ক্রেতারা।
মুন্সিগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার দক্ষিণ বেতকা গ্রামের যুবক সাব্বির হোসেন রকি। বাজারে যখন ফরমালিনযুক্ত ফলের ছড়াছড়ি, তখন পরিবারের সদস্যদের ফরমালিনমুক্ত আম খাওয়াতে শখের বসে কিছু আমগাছ লাগিয়ে বাড়ির পাশে তৈরি করেছিলেন বাগান। সে গাছগুলোতে ভালো ফলন হওয়ায় ধীরে ধীরে বাগানের পরিধি বাড়ান। এখন শখের সেই বাগান বিশা