ফল উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষ সারিতে, প্রক্রিয়াজাতকরণে নেই গতি
ফল উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন বিশ্বসেরা কাতারে। দেশে উৎপাদন বাড়ছে জ্যামিতিক হারে। তবে প্রক্রিয়াজাতকরণ বা ফ্রুট-প্রসেসিংয়ে গতি নেই।
ফল উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন বিশ্বসেরা কাতারে। দেশে উৎপাদন বাড়ছে জ্যামিতিক হারে। তবে প্রক্রিয়াজাতকরণ বা ফ্রুট-প্রসেসিংয়ে গতি নেই।
দেশের আম গবেষণার অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান চাঁপাইনবাবগঞ্জের আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র। ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এ কেন্দ্রটি ১৯৯০ সালে বর্তমান নামে কার্যক্রম শুরু করে। সময়ের সঙ্গে গবেষণার পরিধি বাড়লেও দীর্ঘ ৩৬ বছরে কেন্দ্রটি মাত্র ১৬টি নতুন আমের জাত উদ্ভাবন করেছে। ফলে প্রতিষ্ঠানটির গবেষণা কার্
দেশে এখন ফল চাষ হয় অন্তত ৭৮ প্রজাতির। দেশে মোট উৎপাদিত ফলের প্রায় অর্ধেক দখল করে আছে আম, কলা ও কাঁঠাল। গত কয়েক বছরে তরমুজ, পেঁপে, পেয়ারা, লিচু, আনারস, বরই ও ড্রাগন ফলের উৎপাদন বাড়লেও তা এই তিন ফলকে ছাড়াতে পারেনি।
চলমান আম মৌসুমে ব্যবসায়ীদের আর্থিক লেনদেন নির্বিঘ্ন করতে বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলের আমের বাজারসংলগ্ন ব্যাংকগুলো সাপ্তাহিক ছুটির দিন শনিবারও খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বাংলাদেশের এখন পর্যন্ত ৬৪টি পণ্য ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই সনদ পেয়েছে। এর মধ্যে ফলের তালিকায় আমের আধিপত্য বেশি। পাশাপাশি যুক্ত হয়েছে বেশকিছু সুপরিচিত আঞ্চলিক ফল ও কলা। সব মিলিয়ে জিআই পাওয়া ফলের সংখ্যা এখন ১৪টি।
রাজশাহীর পবায় পারিবারিক বিরোধের জেরে 'ম্যাংগো লাভার' নামের একটি অনলাইনভিত্তিক আম বিক্রয় প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় বাধা দিতে গেলে প্রতিষ্ঠানের দুই কর্মচারীকে পিটিয়ে আহত করা হয়। ভুক্তভোগী প্রতিষ্ঠানের দাবি, হামলাকারীরা অফিস থেকে নগদ ১৫ লাখ টাকার বেশি নিয়ে গেছে
ফল২০২৬ সালের জুনে ক্রেতারা অভিযোগ করেন, জিআই স্বীকৃত নওগাঁর নাক ফজলি আম অপরিপক্ব অবস্থায় বাজারে বিক্রি হচ্ছে। জাগো নিউজকে বিজ্ঞানীরা বলেন, সময়ের আগে আম পাড়া ও ইথিলিনভিত্তিক রাসায়নিকে পাকানোই এর কারণ।
জাতীয় সংসদ ভবনে আজ এক অভূতপূর্ব ও ব্যতিক্রমী দৃশ্য দেখা যায়। কোনো রাজনৈতিক তর্ক-বিতর্ক বা আইন পাসের ব্যস্ততা নয়, বরং বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের একটি 'সারপ্রাইজ' উপহার ঘিরে মুখরিত ছিল গোটা সংসদ সচিবালয়।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারেও সুনাম কুড়িয়েছে। তবে সেই আম এখন চাষিদের মুখে হাসির বদলে বাড়াচ্ছে দুশ্চিন্তা। উৎপাদন খরচ বাড়লেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত দাম। চাষি ও ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বাজারে অতিরিক্ত সরবরাহ, মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব, ক্যারেট সংকট এবং পরিবহন ও কুরিয়ার ব্যয় বৃদ্ধির
ফল২০২৬ সালের ২০ জুন খামারবাড়ির কেআইবি চত্বরে তিন দিনের জাতীয় ফল মেলার শেষ দিনে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের স্টলে রাখা প্রায় ৫ কেজি ওজনের ‘ব্রুনাই কিং’ আম দেখতে ভিড় করেন দর্শনার্থীরা। কর্মকর্তাদের ভাষ্য, এ জাতের আম ৩ থেকে ৫ কেজি হয় এবং এটি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের জন্য উপযোগী।
জাতের নাম 'চার কেজি'। আবার ওজনেও চার কেজি। দিনাজপুরে ফল মেলায় উঠেছে এমনই একটি আম। বিশালাকৃতির আমটি দেখতে ফলপ্রেমীরা ভিড় করছেন।
ফল২০২৬ সালের ১৯ জুন খামারবাড়ির কেআইবি চত্বরে জাতীয় ফল মেলায় নরসিংদীর ‘ঘোড়াশাল’ আনারস, ‘থ্রি টেস্ট’ ও জাপানি জাতের মিয়াজাকি আম ক্রেতা-দর্শনার্থীদের নজর কাড়ে; সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় দেশি আম, প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১২০ টাকায়।
ফল২০২৬ সালের ১৮ জুন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে দেশি-বিদেশি ১৮৩ জাতের আম নিয়ে তিন দিনের আম মেলা শুরু হয়। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে মেলার লক্ষ্য ছিল হারিয়ে যেতে বসা দেশীয় জাতগুলো নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা।