ফলঈশ্বরদীর লিচু বাগানে গাছে গাছে মুকুল, বাম্পার ফলনের আশা
২০২৬ সালের মার্চের শুরুতে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার লিচু-প্রধান এলাকাগুলোতে ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ গাছে মুকুল আসে। ২০২৫ সালের খারাপ ফলনের পর চাষি ও কৃষি কর্মকর্তারা বাম্পার ফলনের আশা করছিলেন।
ফল২০২৬ সালের মার্চের শুরুতে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার লিচু-প্রধান এলাকাগুলোতে ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ গাছে মুকুল আসে। ২০২৫ সালের খারাপ ফলনের পর চাষি ও কৃষি কর্মকর্তারা বাম্পার ফলনের আশা করছিলেন।
ফল২০২৬ সালের রমজানের প্রথম সপ্তাহে পাবনা শহরে প্রতি কেজি ফলের দাম রোজার আগের তুলনায় ৩০ থেকে ৭০ টাকা বেশি ছিল; সবচেয়ে বেশি বেড়েছিল আপেল ও মাল্টার দাম, যা নিম্ন আয়ের মানুষের নাগালের বাইরে চলে যায়।
ফসল২০২৬ সালের জানুয়ারিতে শীতের প্রতিটি ভোরে পাবনার গ্রামে গ্রামে পরিবারগুলো ডালের পেস্ট আর পাকা চালকুমড়া মিশিয়ে রোদে শুকানো কুমড়া বড়ি বানাচ্ছিলেন; কারিগররা জাগো নিউজকে জানান, প্রতি কেজি বড়ি তাঁরা পাইকারি ৯০-১১০ টাকায় বিক্রি করেন এবং এ কাজ তাঁদের বাড়তি আয় এনে দিচ্ছে।
পরিবেশপাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা পরিষদ চত্বরের পুকুরে আটটি কুকুরছানাকে বস্তায় ভরে ডুবিয়ে হত্যার ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে ব্যবস্থা চেয়ে ২০২৫ সালের ২ ডিসেম্বর ইউএনও ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠান সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী; তাঁর ভাষ্য, তখনো কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
পাবনায় সবচেয়ে বেশি আবাদ হয় ধানের। এরপর মোটা দাগে পেঁয়াজ ও বিভিন্ন সবজির আবাদ হয়। তবে এসব আবাদে বীজের ক্ষেত্রে কৃষকরা প্রায় পুরোপুরিই নির্ভরশীল সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওপর। পাবনায় ধান ব্যতীত এসব ফসলের বীজ সংরক্ষণ করেন না কৃষকরা। ফলে প্রতি মৌসুমে বীজ কিনে আবাদে যান তারা। এতে আবাদি ব্যয়
ঐতিহ্যবাহী ঈশ্বরদী রেশম বীজাগার। যেখানে আগে বছরজুড়ে তুত গাছের পাতা কাটা, পলু পোকা পালন, গুটি তৈরি আর সেগুলো থেকে সিল্কের সুতা তৈরির ধুম লেগে থাকতো। তবে কালের বিবর্তনে আজ সেই বীজাগারে ভূতুড়ে পরিবেশ তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিন কার্যক্রম বন্ধ থাকায় বীজাগারের বিশাল জায়গাজুড়ে এখন ঘন জঙ্গল, পরিত্যক্ত ভবন আর সাপ-
একসময় পেয়ারা ও কলা বাগান করেন শামীম আক্তার তুহিন। কিন্তু দফায় দফায় লোকসানে দিশেহারা হয়ে পড়েন তিনি। চাকরি ও অন্য ব্যবসা ছেড়ে কৃষিতে সফলতার স্বপ্ন দেখেছিলেন। সেই স্বপ্ন আচ্ছন্ন হয় হতাশার কালো আঁধারে। তবে এখন তাকে ঘিরে রচিত হয়েছে পদ্মার চরে সাফল্যের গল্প।
সড়কে পিচের চিহ্ন নেই, উঠে গেছে ইট-পাথর-সুরকি। সড়কজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় খানাখন্দ। এতে দুভোর্গে পড়েছে এই সড়ক নির্ভর ১৫টি গ্রামের অন্তত ৭০ থেকে ১ লাখ মানুষ। তবুও বছরের পর বছর সংস্কারহীন পড়ে আছে ঈশ্বরদী উপজেলার পদ্মা তীরবর্তী লক্ষ্মীকুন্ডা ও পাকশী ইউনিয়নের ১৭ কিলোমিটার সড়ক।
পাবনা সদর ও সুজানগরের পদ্মার চরসহ অধিকাংশ নিচু জমি থেকে সরে গেছে বর্ষার পানি। জমিতে আসতে শুরু করেছে জো। আর মাত্র দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যেই মুড়িকাটা পেঁয়াজ আবাদের মৌসুম শুরু হবে। এর জন্য আগের থেকেই জমি লিজ নেওয়া, বীজ সংগ্রহ ও অন্যান্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন এসব অঞ্চলের কৃষকরা। কিন্তু আবাদের শুরুতেই যেট
পাবনার ঈশ্বরদীতে রান্না করার সময় সাপের কামড়ে মোছা. স্নিগ্ধা খাতুন (১৯) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে।
রোজিনা আক্তার রোজী (৫৫) মহাসড়কের পাশে বসে পাট থেকে আঁশ ছাড়াচ্ছেন। এসেছেন সকাল ৮টায়, বাড়ি ফিরবেন বিকেল ৪টায়। এ সময়ের মধ্যে তিনি পাটের যে আঁশ ছাড়াবেন সবগুলোর পাটকাঠি তার। টানা ৮ ঘণ্টা কাজ শেষে যে পাঠকাঠি তিনি পাবেন, তার মূল্য ৪০০-৫০০ টাকা।
অতি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে পাবনার ঈশ্বরদীতে পদ্মার পানি প্রতিদিন বেড়েই চলেছে। এতে তলিয়ে গেছে উপজেলার পদ্মা তীরবর্তী লক্ষ্মীকুন্ডা, পাকশী ও সাঁড়া ইউনিয়নের শত শত হেক্টর জমির ফসল। সবজি, আখ ও কলার জমি ডুবে যাওয়ায় দিশাহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা।
• নষ্ট হচ্ছে কোটি কোটি টাকার সম্পদ• কর্মরতদের মাসিক বেতনবাবদ সরকারের ব্যয় প্রায় ১৪ লাখ টাকা • আখচাষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন কৃষকরা