৪ লাখে বিক্রি হবে সালাহউদ্দিনের ষাঁড়
সাদা-কালো রঙের বিন্যাস ও মোটাতাজা হওয়ায় সাড়া ফেলেছে সালাহউদ্দিনের ষাঁড়। ১৬ মণ ওজনের সুদর্শন এ ষাঁড়টি চার লাখে বিক্রি করতে চান তিনি। ষাঁড়টি দেখতে তার বাড়িতে ভিড় করছেন মানুষ।
সাদা-কালো রঙের বিন্যাস ও মোটাতাজা হওয়ায় সাড়া ফেলেছে সালাহউদ্দিনের ষাঁড়। ১৬ মণ ওজনের সুদর্শন এ ষাঁড়টি চার লাখে বিক্রি করতে চান তিনি। ষাঁড়টি দেখতে তার বাড়িতে ভিড় করছেন মানুষ।
গেন্ডারিয়ার বাসিন্দা সামিউল ইসলাম। গাবতলী পশুর হাট থেকে এবার ২ লাখ ৯০ হাজার টাকা দিয়ে একটি গরু কিনেছেন। তিনি বলছেন, গত বছর এ আকারের গরুর দাম প্রায় লাখ টাকা কম ছিল। এবার দাম অনেক বেশি। এরপরও গরুর ব্যাপারী ও গৃহস্থরা সহজে গরু বিক্রি করতে চাচ্ছেন না।
আগামী ১০ জুলাই উদযাপিত হবে পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ। এ উপলক্ষে কয়েকদিন ধরেই রাজধানীর বিভিন্ন হাটে আসছে গরু ও ছাগল। ঈদের মাত্র তিনদিন বাকি থাকায় এখন প্রতিটি হাটই গরু-ছাগলে ভরে উঠেছে। তবে বিক্রি এখনো সেভাবে জমে ওঠেনি। এখন বেশিরভাগ ক্রেতাই দাম যাচাই করতে পশুর হাটে ঢুঁ মারছেন।
কোরবানির পশু পরিবহনে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি বরদাশত করা হবে না বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ। এক্ষেত্রে তিনি পুলিশ কর্মকর্তাদের সজাগ ও সতর্ক থাকার জন্য কঠোর বার্তা দিয়েছেন।
মেহেরপুরের গাংনী থেকে দুটি বড় গরু নিয়ে রাজধানীর গাবতলী হাটে এসেছেন শহীদুল ইসলাম। প্রতিটি গরুর দাম হাঁকছেন সাড়ে ১৩ লাখ টাকা। দাবি করা হচ্ছে মাংস হবে দেড় টন। অনেক আশা করে গাবতলী হাটে দুটো গরু নিয়ে আসলেও কাঙ্ক্ষিত ক্রেতা মিলছে না। তবে ঈদের আগের দুদিন শুক্র ও শনিবার কাঙ্ক্ষিত ক্রেতা মিলবে বলে আশা করছেন
ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঝালকাঠির ৪ উপজেলার ২৮টি স্থানে বসেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী কোরবানির পশুহাট। স্থানীয় খামারি ও দূর-দূরান্ত থেকে নিয়ে আসা ফড়িয়াদের গরুতে সরগরম হয়ে উঠছে হাটগুলো। কিন্তু ঈদের মাত্র তিনদিন বাকি থাকলেও গরু বিক্রি হচ্ছে কম। ক্রেতা না পাওয়ায় দুশ্চিন্তায় হাট বিক্রেতা ও ইজারাদাররা।
আর মাত্র তিন দিন পর ঈদুল আজহা। এরই মধ্যে জমে উঠেছে জামালপুরের পশুহাটগুলো। হাটে বিভিন্ন সাইজের গরু আসছে। তবে দাম একটু বেশি হলেও ছোট গরুর দিকে ছুটছেন ক্রেতারা।
কোরবানির পশুর হাটে কেনাবেচা সহজ ও ঝুঁকিমুক্ত করতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ছয়টি হাটে ডিজিটাল লেনদেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। 'স্মার্ট হাট' নামের এ ই-ব্যাংকিং সুবিধা এরইমধ্যে হাটে আসা ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
কোরবানির ঈদের আর মাত্র চারদিন বাকি। এরই মধ্যে নারায়ণগঞ্জের পশুহাটগুলোতে বিভিন্ন জায়গায় থেকে আসছে গরু, ছাগল ও ভেড়া। পশুর সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে ক্রেতার পদচারণাও। এ বছর জেলায় ১ লাখ ২৯ হাজার গবাদিপশু বিক্রির কথা জানিয়েছে প্রাণিসম্পদ বিভাগ।
কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে নওগাঁয় জমে উঠেছে পশুহাট। প্রত্যেক হাটেই ব্যাপক পশুর আমদানি হচ্ছে। ক্রেতারা সাধ্যের মধ্যে পছন্দের গরু কিনছেন। বিক্রেতারাও কাছাকাছি দাম হলেই ছাড়ছেন। তবে বড় গরুর চেয়ে মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি।
কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জে জমে উঠেছে পশুহাট। শহরের প্রতি হাটেই উঠেছে নানা রং ও জাতের গরু। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে হাটগুলোতে গরু এনে ভিড়াচ্ছেন খামারিরা। একই সঙ্গে ভিড় বেড়েছে ক্রেতাদেরও।
কালো ও সাদার সংমিশ্রণে প্রকাণ্ডদেহী। হাতির সঙ্গে তুলনা করলে খুব বেশি বেমানান হবে না। গোল মাথায় ছোট শিং। তাতে কী! যে কেউ সামনে গেলেই ভড়কে যাবেন। তবে ছোট শিং দিয়ে কারও দিকে তেড়ে আসে না। গলার ঝুল নেই, তবে লেজ মাটি ছুঁই ছুঁই। বিশাল দুটি কান নেমে গেছে ঘাড়ের কাছে। চলনবলনে রাজার মতো। বিশাল দেহে সাদা কালোর
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় খামারে বেড়ে ওঠা প্রায় ৫৫ মণ ওজনের 'বরিশালের বস'র দাম হাঁকা হয়েছে ৩৫ লাখ টাকা। আর বাকেরগঞ্জ উপজেলায় ৩০ মণ ওজনের 'তুফান'র দাম হাঁকা হয়েছে ১০ লাখ টাকা। এরমধ্যে 'বরিশালের বস'ই জেলার সবচেয়ে বড় গরু বলে জানিয়েছেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা।