আমবাগান দেখতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে যাচ্ছেন কৃষিমন্ত্রী
একদিনের সরকারি সফরে বৃহস্পতিবার (১৩ জুলাই) চাঁপাইনবাবগঞ্জে যাচ্ছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। এদিন জেলায় বিভিন্ন আমবাগান পরিদর্শন করবেন মন্ত্রী।
একদিনের সরকারি সফরে বৃহস্পতিবার (১৩ জুলাই) চাঁপাইনবাবগঞ্জে যাচ্ছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। এদিন জেলায় বিভিন্ন আমবাগান পরিদর্শন করবেন মন্ত্রী।
প্রায় দশ দিনের বেশি সময় ধরে আমের রাজধানী খ্যাত চাঁপাইনবাবগঞ্জে শুরু হয়েছে অতিবৃষ্টি। এতে আম বাগানে দেখা দিয়েছে মাছি পোকার (ফ্রুট ফ্লাই) উপদ্রব। মাছি পোকার কামড়ে ফেটে যাচ্ছে আম। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন হাজারো আমচাষি। গাছেই পচে নষ্ট হচ্ছে কোটি টাকার ফজলি আম।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শাহবাজ শরিফের জন্য শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে দেড় হাজার কেজি আম পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।আরও পড়ুন>> কোরআন পোড়ানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা চায় অধিকাংশ সুইডিশ
ফলের রাজা আম। এই ফল ছোট-বড় সবারই অনেক পছন্দের। বাজারে এখন পাকা আম উঠতে শুরু করেছে। আম দিয়ে বাহারি সব খাবার তৈরি করা যায়। তার মধ্যে ম্যাঙ্গো মিল্কশেক, ম্যাঙ্গো আইসক্রিম, ম্যাঙ্গো মাউস, ম্যাঙ্গো কাস্টার্ড, ম্যাঙ্গো লাচ্ছি অন্যতম।
চলছে কাঁঠালের মৌসুম। বাজারে এখন কাঁঠাল সহজলভ্য। জাতীয় ফল কাঁঠাল সবারই প্রিয়। কাঁঠালে আছে নানা শারীরিক উপকারিতা। তবে জানেন কি, শুধু কাঁঠালে নয় এর বীজেও আছে নানা পুস্টিগুণ। যা ভিন্ন রোগ থেকে মুক্তি দেবে।
মৌসুমের শুরুতে বৃষ্টি না হওয়ায় ঝরে গেছে ফুল। তাই ফলনও হয়েছে কম। আবার বৃষ্টির অভাবে পরিপক্ব হওয়ার আগেই ঝরে গেছে অনেক পেয়োরা। ফলে ফলন বিপর্যয়ে চাষিদের পাশাপাশি ক্ষতির আশঙ্কা করেছেন ব্যবসায়ীরাও। তাদের চোখে মুখে এখন হতাশার ছাপ।
চলছে পাকা আমের মৌসুম। আম দিয়ে অনেকেই মজার সব পদ তৈরি করে খান। যার মধ্যে আমের পায়েস, স্মুদি কিংবা শরবত অন্যতম।
ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বেড়েই চলেছে। এ সময় সুস্থ থাকাটা চ্যালেঞ্জের বিষয়। ডেঙ্গু হলে শরীর সুস্থ রাখতে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার খাওয়া জরুরি।
সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সমতলে বেড়েছে পাহাড়ের কাঁঠালের চাহিদা। পাহাড়ি জেলা খাগড়াছড়িতে ম-ম গন্ধ ছড়াচ্ছে কাঁঠাল। মৌসুমের শেষদিকে এসেও কাঁঠালে ঠাসা বিভিন্ন হাট-বাজার। হাট-বাজারের সবচেয়ে বড় জায়গা দখল করেছে জাতীয় ফল 'কাঁঠাল'। খাগড়াছড়িতে সবচেয়ে বড় কাঁঠালের হাট বসে গুইমারা ও মাটিরাঙ্গায়। সপ্তাহের দুদিন মাটি
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ পৌর এলাকার বাসিন্দা আহসান হাবিব। তাকে 'আমপাগল' নামেই চেনেন এখানকার মানুষ। এমনকি সাধারণ আম চাষিদের দাবি আদায়ের জন্যও কাজ করেন তিনি। তবে এবার তিনি নিজেই প্রতারিত হয়েছেন। স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শে সরকারি সংরক্ষণাগারে আম রেখে বিপাকে পড়েছেন তিনি।
দেশের সবচেয়ে বড় আমের বাজার বসে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাটে। এই বাজারে কিছুদিন আমের দাম কম থাকলেও এখন আবার হু হু করে বড়ছে। বর্তমানে এখানকার সবচেয়ে সুস্বাদু ও জিআই স্বীকৃতিপ্রপ্ত খিরসাপাত ৫-৭ হাজার টাকা মণ দরে বিক্রি হচ্ছে। সেটাও পরিমাণে অনেক কম। করণ এই সুস্বাদু জাতের আমের মৌসুম প্রায় শেষ। আমের পরিমাণ য
ভৌগোলিক নির্দেশক (জিওগ্রাফিক্যাল ইনডিকেশন বা জিআই) স্বীকৃতি পেলো চাঁপাইনবাবগঞ্জের ল্যাংড়া ও আশ্বিনা আম। এরইমধ্যে দুই মাসের যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শেষ হয়েছে। কয়েকদিন পরই স্বীকৃতি সনদ হাতে পাওয়া যাবে।
ব্রুনাইয়ের সুলতান হাসানাল বলকিয়াহর বাগানের আম এখন মাগুরার ব্র্যান্ডিং জাত হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। বিশাল আকৃতি এবং একেকটি আমের ওজন প্রায় ৪ কেজি। সুস্বাদু উন্নত জাতের এ আমের গাছ 'ব্রুনাই কিং' নামে এরই মধ্যে মাগুরা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বাগানে জায়গা করে নিয়েছে।