ভিডিওডাক্তার দম্পতির ছাদকৃষি | Rooftop Farming | পর্ব ১৯৩
মনোরম ছাদকৃষি সাজিয়েছেন হাতির ঝিল পাড়ের এক ডাক্তার দম্পতি। হাতির ঝিলের সৌন্দর্য্যরে সঙ্গে মিশেছে তাদের আয়োজন। তারা বলছেন, এই সময়ে কেবলমাত্র কৃষি অনুশীলনই হতে পারে নাগরিকদের আনন্দসঙ্গী।
ভিডিওমনোরম ছাদকৃষি সাজিয়েছেন হাতির ঝিল পাড়ের এক ডাক্তার দম্পতি। হাতির ঝিলের সৌন্দর্য্যরে সঙ্গে মিশেছে তাদের আয়োজন। তারা বলছেন, এই সময়ে কেবলমাত্র কৃষি অনুশীলনই হতে পারে নাগরিকদের আনন্দসঙ্গী।
ভিডিওবাইরে থেকে বড় বড় শেড দেখলে মনে হয় কোন শিল্প কারখানা। আসলে এটি গবাদিপশুর খামার। খামারটি উন্নত বিশ্বের ক্যাটেল ফার্মের মতই। এই খামারের উদ্যোক্তা লুৎফর রহমান স্বপন দীর্ঘদিন প্রবাসে ছিলেন। দেশে ফিরে প্রবাসের অভিজ্ঞতাগুলোকে কাজে লাগিয়েই চেষ্টা করেছেন এই খামার গড়তে।
ভিডিওসামুদ্রিক শৈবাল স্পিরুলিনার চাষ হচ্ছে বাড়ির উঠোনে। রাজশাহীর এক উদ্যোক্তা চৌবাচ্চা স্থাপন করে স্পিরুলিনা চাষ করছেন। পুষ্টিকর ওই কৃষিপণ্য উৎপাদনের ব্যাপক সম্ভাবনার কথাও জানাচ্ছেন তিনি।
ভিডিওকোরবানি ঈদ আসন্ন। সারাদেশের গরু খামারগুলো প্রস্তুত হচ্ছে বাজার ধরতে। সব খামার উদ্যোক্তার চিন্তাই বাণিজ্যিক। তারপরও কেউ কেউ খামার গড়েছেন সুদূরপ্রসারি ও কল্যাণমুখি চিন্তা থেকে। এমনই একজন ঢাকার ভাটারার প্রকৌশলী মকবুল হোসেন।
ভিডিওরাজধানী ঢাকার বংশাল। পুরান ঢাকার ঘন বসতি এই এলাকার ৬ তলা ভবনের উপরে ২ হাজার বর্গফুটের ছাদকৃষি গড়েছেন মাহবুব হোসেন খোকন। ছোটবেলা থেকে পারিবারিক ব্যবসা আর বংশপরম্পরায় নগরে বসতি গড়ে কোনদিন কৃষির কথা মনেই আনেননি। তিনিই এখন কৃষির নেশায় মেতেছেন। মাত্র পাঁচমাসের উদ্যোগে ছাদের ছোট পরিসরটিকে পরিণত করেছেন এক
ভিডিওগত কয়েক বছরের ছাদকৃষি অনুষ্ঠানের ভেতর বেশ কয়েকটি সরকারি ভবনের ছাদে আমাদের যাওয়া হয়েছে। নগরের কেন্দ্রস্থলের সেগুন বাগিচায় দুর্নীতি দমন কমিশ দপ্তরের ছাদে রয়েছে দৃষ্টিনন্তন ছাদকৃষি। চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের পুরোনো সরকারি ভবনের বিস্তীর্ণ ছাদে কৃষি আয়োজন করেছিলেন জেলা প্রশাসক।
ভিডিওদর্শক, ২০১৬ সালে ঢাকায় বাড্ডার স্বাধীনতা সরণির জানে আলম জনির ছাদকৃষি এর আগে আপনাদের সামনে তুলে ধরেছিলাম। দেখেছিলাম কীভাবে তিনি ছয়তলা বাসভবনের ছাদটিকেও পরিণত করেছেন ছোটখাটো এক কৃষি ক্ষেত্রে।
ভিডিওব্যাংকিং চাকরি থেকে অবসর নিয়েছেন বেগম হেনা। অনেক আগে থেকেই গাছ গাছালির প্রতি অদম্য টান তার। নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝিতে এই বাড়িটি নির্মাণ শেষ হতে হতেই ছাদে শুরু করেন কৃষিচর্চা। আগে এখানে যতটুকু মনোযোগ দিতে পেরেছেন, এখন পারছেন অনেক বেশি। আর এই সময়েই নানান উদ্ভিদ ও ফল ফসলের এক বিচিত্র সংগ্রহশালা হয়ে উঠে
ভিডিওতিনতলা বাড়ি, মাত্র ১৩’শ বর্গফুটের ছাদ। কিন্তু গাছের ভীড়ে এখানে যেন তিল ধারণের ঠাঁই নেই। ঘনবসতিপূর্ণ এই উদ্ভিদ পরিবার গড়েছেন মেহেরুননেছা মায়া। এই ঘনবসতিপূর্ণ হয়ে ওঠার কারণ তার নিামটির সঙ্গে মেলানো। গাছ গাছালির প্রতি তার অপরিসীম মায়া। কোনোটিই ফেলতে চান না, কোনোটির প্রতিই অবজ্ঞা বা অনীহা নেই।
ভিডিওব্যবসায়ি আব্দুল কাদের শত ব্যস্ততার ফাঁকে একটু প্রশান্তি খোঁজার তাগিদে ছাদকৃষি শুরু করেন। ৬ তলা ভবনের ৩ হাজার ৭০০ বর্গফুটের এই ছাদকৃষি দেড়বছর আগে আপনাদের সামনে তুলে ধরেছিলাম।
ভিডিওসকালের সূর্য আলো ছড়াচ্ছে। হাতিরঝিলের ধারে বাড়ির ছাদগুলো ভরে আছে ফুল, ফল আর ফসলে। সবুজ গাছ-গাছালি যে নান্দনিকতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ আজকের দিনে এ সত্য অনেকেই উপলব্ধি করতে শিখে গেছেন।
ভিডিওছাদকৃষি রীতিমত একটি সামাজিক আন্দোলনে রূপ নিয়েছে। উদ্ভিদের সঙ্গে যারা সখ্য গড়তে চান, এমন মানুষ যে অবস্থানেই থাকুন, কৃষির প্রতি তার মনযোগ এখন আর মনে মনে থাকে না, চোখে দেখা যায়। এখন আমরা খুব স্বস্তি নিয়ে বলতে চাই, দেশের বহু সরকারি প্রতিষ্ঠানের ছাদে কৃষিকাজ করা হচ্ছে। দেশের বহু সংখ্যক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে
ভিডিওছাদেই সমন্বিত কৃষিখামার গড়ে তুলেছেন ঢাকার মিরপুরের ফিরোজুল আহসান। ছয়তলা বাড়ির ১ হাজার ৮শ বর্গফুটের ছাদ থেকে তিনি মেটাচ্ছেন পারিবারিক পুষ্টিচাহিদা। তিনি ছাদটিকে পরিণত করেছেন পরিবারের প্রাণকেন্দ্রে।