ফাহমিদার শখের পাখিতে সফলতা
মুহাম্মদ শফিকুর রহমান
মুহাম্মদ শফিকুর রহমান
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বেগুনবাড়ি ইউনিয়নের বান্দিগড় ডেরকা পাড়ায় অবস্থিত ডেরকা পুকুর। আয়তন মাত্র শূন্য দশমিক ৮৩ একর। মূলত পুকুরটি ডেরকা মাছের জন্য বিখ্যাত। তবে এবারের শীতে পরিযায়ী পাখির বিচরণ ও কিচিরমিচির শব্দে মুগ্ধ করেছে গ্রামবাসীকে। আশপাশে বড় বড় পুকুর থাকলেও পরিযায়ী পাখিরা ডেরকা পুকুরকেই বেছে নিয়েছে
প্রতিবছরের মতো এবারও শীতের শুরুতে সুদূর হিমালয় ও সাইবেরিয়াসহ শীতপ্রধান অঞ্চল থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে অতিথি পাখি আসতে শুরু করেছে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা নড়াইলের খাল-বিল ও জলাশয়ে দেখা গেছে এ অতিথিদের।
১৯৯১ সালের জানুয়ারি। মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ধলই ভেলীর পাত্রখলা চা বাগানের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কিছু মানুষ আসেন সিতেশ রঞ্জন দেবের কাছে। বন্য শূকর তাদের জমির ফসল নষ্ট করে ফেলছে। শূকরের হাত থেকে ফসল রক্ষার কোনো উপায় খুঁজে পাচ্ছেন না তারা। এ কারণে শূকরের হাত থেকে ফসল রক্ষার জন্য দ্বারস্থ হন সিতেশ বা
১৯৬২ সাল থেকে শখের বশে বন্যপ্রাণী নিয়ে কাজ শুরু করেন সিতেশ রঞ্জন দেবের বাবা শ্রীশ দেব। বিভিন্ন প্রাণী ধরে এনে বাড়িতে সেবা করতেন তিনি। প্রাণী ধরার কৌশল এবং তাদের প্রতি বাবার এমন মমত্ববোধ দেখে সিতেশ দেবও তা শেখেন। তার মধ্যেও জন্ম হয় প্রাণীর প্রতি ভালোবাসা। বাবার সঙ্গে তিনিও প্রাণীর সেবা করতেন। মৌলভীবা
ঝড়-বৃষ্টিতে বাসা ভেঙে নিচে পড়ে থাকা পাখির ছানাদের সন্তানের স্নেহে বড় করে বনে অবমুক্ত করেন বরগুনার তালতলী উপজেলার ওয়ার্কসপ মিস্ত্রি মোস্তফা। বর্তমানে দুটি বক ও একটি পানকৌড়ির বাচ্চা পালছেন তিনি। তার ওয়ার্কসপেই বেড়ে উঠছে পাখিগুলো।
ভালোবাসা হলো এক অমোঘ শক্তি। ভালোবাসা দিয়ে সব কিছু জয় করা যায়। এমনকি ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে বনের পাখিরাও মানুষের কাছে ছুটে আসে। চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে পাখির প্রতি ভালোবাসার এমনই এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন পাখিপ্রেমী মনিউর রানা। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ক্ষুধার্ত পাখিগুলো ছুটে আসে রানার কাছে। তখন রানা স্নেহ
বন্ধুর পরামর্শে প্রায় চার বছর আগে ১০ জোড়া দেশি কবুতর দিয়ে খামার শুরু করেন ভোলার নাজিম মাঝি (৪০)। বর্তমানে তার খামারে আছে রেসার, মিলি, গিরিবাজ, রেছেকার, মাছি জাতের প্রায় ৮০ জোড়া কবুতর। আর এসব কবুতর বিক্রি করে তার মাসিক ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা।
লক্ষ্মীপুরে ডাহুক পাখি শিকার করায় মো. বাবুল নামের এক যুবকের এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
শীত মৌসুমে মঙ্গোলিয়া, সাইরেরিয়া ও তিব্বতসহ বিভিন্ন দেশের পরিযায়ী পাখির কলকাকলিতে মুখরিত থাকতো উপকূলীয় জেলা ভোলার চরাঞ্চল। কিন্তু গত দুই বছরে চরাঞ্চলে পরিযায়ী পাখি ৭০ ভাগ কমেছে। এ জন্য খাদ্য সংকট, শিকারীদের দৌরাত্ম, জলবায়ু পরিবর্তন, আবাসস্থলে মানুষের বিচরণ ও পরিবেশগত কারণ দায়ী বলে জানা গেছে।
প্রতিবছর শীত এলেই জলাশয়, হাওড়, খাল-বিল ভরে যায় নানা রং-বেরঙের নাম না জানা পাখিতে। পরিযায়ী বা পরিযায়ী পাখি নামেই আমরা চিনি তাদের। পরিযায়ী পাখিরা ঝাঁকে ঝাঁকে আমাদের দেশে হাজির হয় নিজেদের জীবন বাঁচাতে।
সবুজ-শ্যামল এ দেশে পাখির অভাব নেই। তবে আলাদাভাবে মনোযোগ আকর্ষণ করে রঙিন মাছরাঙা। গ্রামাঞ্চলে সচরাচর দেখা মেলে এই শিকারি পাখির। বর্ণিল সাজে সজ্জিত এই পাখি নিয়ে লিখেছেন মনোনেশ দাস
২২ একর জমিজুড়ে আঁকাবাঁকা হ্রদ। পাশঘিরে ছোট ছোট চা-গাছের টিলা। হ্রদভর্তি শাপলা। আর সেখানে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন প্রজাতির পাখির আবাস। জায়গাটি ‘পাখির বাড়ি’ নামেই স্থানীয় মানুষের কাছে