ফসলবাগেরহাটে বোরো ধান সংগ্রহ শুরু, জেলায় লক্ষ্য ৭ হাজার ৫১৩ টন
২০২৬ সালের ১৩ মে বাগেরহাটে সরকারিভাবে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান সংগ্রহ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। চলতি মৌসুমে জেলায় প্রতি কেজি ৩৬ টাকা দরে ৭ হাজার ৫১৩ টন ধান কেনার লক্ষ্য ঠিক করা হয়।
ফসল২০২৬ সালের ১৩ মে বাগেরহাটে সরকারিভাবে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান সংগ্রহ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। চলতি মৌসুমে জেলায় প্রতি কেজি ৩৬ টাকা দরে ৭ হাজার ৫১৩ টন ধান কেনার লক্ষ্য ঠিক করা হয়।
ফলচাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসন ২০২৬ সালের ১১ মে সিদ্ধান্ত নেয়, এবারও আম পাড়ার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ থাকবে না; আম পরিপক্ব হলেই পাড়া যাবে, তবে অপরিপক্ব আম বাজারজাত করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চলতি মৌসুমে নাটোরে আম সংগ্রহ ও বাজারজাতকরণের নির্ধারিত সময়সূচি ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন।
ফসল২০২৬ সালের মে মাসে শেরপুরের বোরো চাষিরা জানান, ধানের কম দাম, শ্রমিকের চড়া মজুরি, হাটে মণপ্রতি দুই কেজি বেশি ধান দেওয়া এবং তাদের ভাষায় সরকারি গুদামের সিন্ডিকেটের কারণে উৎপাদন খরচও উঠছে না।
বগুড়ার ধুনট উপজেলায় বোরো ধান কাটার মৌসুম শুরু হয়েছে। এবার ফলন ভালো হলেও ধানের দাম নিয়ে অসন্তোষ কৃষক। এক মণ ধানের দামেও একজন শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন কৃষকেরা।
মাগুরায় চলতি বোরো মৌসুমে ধান কাটায় পুরোদমে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। বৈশাখের শুরুতেই জেলার মাঠজুড়ে শুরু হয়েছে ধান কাটার ধুম। কোথাও জমি থেকে ধান কাটা হচ্ছে, কোথাও কাটা ধান ঘরে তোলা হচ্ছে—পুরো জেলায় এখন কৃষকের ব্যস্ততা চোখে পড়ার মতো। তবে ধানের দাম কম পাওয়ায় হতাশ কৃষকরা।
ফসলএপ্রিলের শেষে অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে হাওরের বোরো ধান তলিয়ে যাওয়ার পর ২০২৬ সালের ৯ মে জাগো নিউজে প্রকাশিত কলামে এনসিপির কৃষক উইংয়ের নেতা সাঈদ উজ্জ্বল বাঁধ সংস্কার, সরাসরি ধান কেনা, ঋণসুবিধা ও ফসল বিমাসহ সমন্বিত, কৃষককেন্দ্রিক নীতির দাবি জানান।
'১০ বিঘা জমিতে ধান চাষ করেছিলাম। পানিতে সব তলিয়ে গেছে। ৪ হাজার ৫০০ টাকা শ্রমিক মজুরি দিয়ে দেড় বিঘা জমির ধান কেটেছি। যাতে অন্তত মাস দেড়মাস পরিবারের খাদ্যের সংকট না হয়। বাকি সব ধানের আশা ছেড়ে দিয়েছি। এতো টাকা খরচ করে এই বছর শূন্য হাতে ফিরলাম হাওর থেকে।'
ফল২০২৬ সালের মে মাসে বাজারে ওঠার আগে ঝড়-শিলাবৃষ্টিতে দিনাজপুরে লিচু ফেটে ঝরে পড়ায় ফলন কমার শঙ্কায় ছিলেন চাষিরা। কৃষি বিভাগ বলেছিল, এক থেকে দেড় হেক্টরের লিচু নষ্ট হয়েছে, যা উল্লেখ করার মতো নয়।
দেশের বাজারে আটা-ময়দার চাহিদা আকাশচুম্বী। বছরে গমের চাহিদা প্রায় ৮০-৮২ লাখ মেট্রিক টন, যার সিংহভাগই আমদানি নির্ভর। প্রতি বছর গম আমদানিতে দেশ থেকে বেরিয়ে যায় প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা। আমদানির এ বিশাল বোঝা কমাতে এবং দেশি উৎপাদনে বিপ্লব ঘটাতে 'ম্যাজিক' দেখিয়েছেন দিনাজপুরের বাংলাদেশ গম ও
সুনামগঞ্জের দেখার হাওরের কৃষক লাল মিয়া। ৩০ বিঘা জমিতে বোরো ধানের চাষাবাদ করলেও তারমধ্যে অর্ধেক ধান তলিয়েছে বৃষ্টির পানিতে। বাকি অর্ধেক ধান ঘরে তোলার প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। কিন্তু নৌকার অভাবে সেই কাজটিও পাড়ছেন না তিনি। প্রথমে ত্রিপল দিয়ে কাটা ধান তুলে আনার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন লাল মিয়া।
টানা বৃষ্টি ও উজানি ঢলে কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলসহ জেলার ১৩টি উপজেলায় ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির চিত্র সামনে এসেছে। এখন পর্যন্ত জেলার প্রায় ১৩ হাজার ১২২ হেক্টর জমির ধান পানি নিচে রয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন প্রায় ৫০ হাজার কৃষক। কৃষি বিভাগের হিসাবে, এ ক্ষতির আর্থিক পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৫৯ কোটি টাকা।
বৃষ্টিপাত কমে আসায় কিশোরগঞ্জের নদ-নদীর পানি নামতে শুরু করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বেশিরভাগ পয়েন্টে পানি কমলেও একটি পয়েন্টে সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে টানা মেঘলা আবহাওয়ার পর রোদ ওঠায় হাওরাঞ্চলে ফিরেছে স্বস্তি। ধান শুকাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা।