ফল১৬ বিঘায় মাল্টা বাগান, এ মৌসুমে ২০ লাখ টাকার বিক্রির আশা পিরোজপুরের নাসিরের
পিরোজপুর সদরের পোরগোল্লার নাসির হাওলাদার এক বিঘায় বারি মাল্টা-১ দিয়ে শুরু করে বাগান বাড়িয়েছেন ১৬ বিঘায়; গত বছর বিক্রি করেছিলেন প্রায় ১৬ লাখ টাকার মাল্টা।
ফলপিরোজপুর সদরের পোরগোল্লার নাসির হাওলাদার এক বিঘায় বারি মাল্টা-১ দিয়ে শুরু করে বাগান বাড়িয়েছেন ১৬ বিঘায়; গত বছর বিক্রি করেছিলেন প্রায় ১৬ লাখ টাকার মাল্টা।
ফলমিরপুরের মালিহাদ ইউনিয়নের বাজিতপুরে প্রায় ১৭০টি মাল্টা ও কমলা গাছের বাগান করেছেন শিক্ষিত তরুণ আলামিন; উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ বাগান পরিদর্শন করে পরামর্শ দিয়েছে।
ফলট্যারিফ কমিশনের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ঢাকায় মাল্টার কেজি ৫২০ থেকে ৫৫০ টাকা, যেখানে ভারতে সর্বোচ্চ ১৬০ ও পাকিস্তানে ১৩০ টাকা; ৯৬ থেকে ১২২ শতাংশ শুল্ক, বাড়তি দামে শুল্কায়ন আর কয়েকজন আমদানিকারকের হাতে বাজারকে দায়ী করা হয়েছে।
ফলফলের সরবরাহ বাড়াতে আমদানিকারকদের দ্রুত ঋণপত্র খুলতে বলেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির; ব্যবসায়ীরা বলছেন, সপ্তাহে কখনো মাত্র ১২ থেকে ২৯ কনটেইনার মাল্টা আসছে।
গ্যালারিডেঙ্গু রোগীদের জন্য চাহিদা বাড়ায় চট্টগ্রামের খুচরা বাজারে বিদেশি মাল্টা ৪৮০ থেকে ৫০০ টাকায় আর দেশি মাল্টা ১২০ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে; কদমতলী, স্টেশন সড়ক ও নিউমার্কেটের ফলের দোকান ঘুরে ছবির গল্প।
ফলরাঙামাটি সদর, নানিয়ারচর, কাউখালী ও বাঘাইছড়ির পাহাড়ে ৬০ থেকে ৭০ হেক্টরে বারি মাল্টা-১ চাষ হচ্ছে; হেক্টরপ্রতি ১২ টন ফলন, ঢাকা ও চট্টগ্রামে যাচ্ছে পাহাড়ের মাল্টা।
পাবনার চাটমোহরের হোগলবাড়িয়া গ্রামের শারমিন খাতুন লিজ নেওয়া দুই বিঘা অনাবাদি জমিতে ভিয়েতনামী ও বারি-১ জাতের মাল্টার বাগান করে গত বছর দুই লাখ টাকার বেশি লাভ করেছেন; এবার সব খরচ বাদে অন্তত চার লাখ টাকা লাভের আশা তাঁর।
নেত্রকোণার দুর্গাপুরে কৃষি বিভাগের পরামর্শে ২০২১ সালে বারি-৩ ও ভিয়েতনামি জাতের মাল্টা লাগান রনি মিত্রেরা; বিনিয়োগ প্রায় ১০ লাখ টাকা, গত বছর সাড়ে ৩ লাখ টাকার ফল বিক্রি, এবার দ্বিগুণের সম্ভাবনা; বাগানে কেজি ৮০-১০০ টাকায় কিনছেন পাইকারেরা।
ফল২০২৬ সালের জুনে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যে দেখা যায়, দেশে প্রায় ৩৪ প্রজাতির বিদেশি ফল চাষ হচ্ছিল এবং এর ডজনখানেক বাণিজ্যিক সাফল্য পেয়েছিল। সবচেয়ে এগিয়ে ছিল ড্রাগন ও মাল্টা; দেশে উৎপাদিত ড্রাগন ফল সুইডেনে রপ্তানিও হয়েছিল।
চুয়াডাঙ্গায় এক ব্যতিক্রমী বাগান গড়ে তুলেছেন উদ্যোক্তা সজল আহমেদ। বিভিন্ন দেশ থেকে সংগ্রহ করা মাল্টা, কমলা ও নানা জাতের ফল গাছের দেশে চাষ উপযোগিতা যাচাই করছেন তিনি। পাশাপাশি নিয়েছেন ফল চাষ ও চারা তৈরির বাণিজ্যিক উদ্যোগ।
• মাল্টা চাষে রাবি শিক্ষার্থীর বাজিমাত• ফলনের দ্বিতীয় বছরেই ১০ লাখ টাকা বিক্রির সম্ভাবনা• জৈব-রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় নিরাপদ ও পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ • বারি মাল্টা-১ চাষে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে ফাহিম
জেলার গ্রামে-গ্রামে এখন সবুজ মাল্টার উৎসব চলছে। প্রায় তিন শতাধিক চাষি মাল্টা চাষে জড়িত। মাল্টা বিক্রি করে নগদ টাকা পেয়ে খুশি চাষি। অন্যদিকে ভোক্তারা ফরমালিনমুক্ত তাজা মাল্টা কিন
রংপুরে জমে উঠেছে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত গ্রিন মাল্টার বেচাকেনা। অল্প জমিতে এ ফলের উৎপাদন করে লাভবান হওয়ায় ব্যাপকহারে মাল্টা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন এখানকার কৃষকরা। ফলে রংপুর অঞ্চলে