ফসলরাজস্থানে ৪০ হাজার কৃষকের সরিষা চাষে রিজেনারেটিভ পদ্ধতি, ১৬ কোটি রুপির ‘সরসোঁ সংকল্প’
ভারতের ভোজ্যতেল শিল্পের সংগঠন এসইএ, এডব্লিউএল অ্যাগ্রি বিজনেস, সলিডারিডাড ও ভারতখণ্ড ফাউন্ডেশন বুন্দি, টঙ্ক ও ঝালাওয়ারে পাঁচ বছরের এই কর্মসূচি চালাবে।
ফসলভারতের ভোজ্যতেল শিল্পের সংগঠন এসইএ, এডব্লিউএল অ্যাগ্রি বিজনেস, সলিডারিডাড ও ভারতখণ্ড ফাউন্ডেশন বুন্দি, টঙ্ক ও ঝালাওয়ারে পাঁচ বছরের এই কর্মসূচি চালাবে।
ভারতের সলভেন্ট এক্সট্র্যাক্টরস অ্যাসোসিয়েশন ও মোজাম্বিকের নামপুলা প্রদেশ সরকার নাকালা বন্দর হয়ে টেকসই তেলবীজ ও ভোজ্যতেল করিডর গড়ার সম্ভাবনা খুঁজতে তিন বছরের আগ্রহপত্রে সই করেছে।
বাজার ব্যবস্থাপনা২০২৬-২৭ খরিফ মৌসুমে উত্তর প্রদেশ, কর্ণাটক ও তেলেঙ্গানায় ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে অড়হর, মুগ, সয়াবিন ও সূর্যমুখী কেনা হবে মূল্য সহায়তা প্রকল্পের আওতায়।
ফসল২০২৭-২৮ মৌসুমে গমের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য ১ শতাংশেরও কম বেড়ে কুইন্টালপ্রতি ২ হাজার ৬১০ রুপি, আর ফসল বৈচিত্র্যে উৎসাহ দিতে কুসুমফুল, সরিষা ও মসুরে বেড়েছে ৩৯০ থেকে ৬৭৫ রুপি।
ফসল৩৬০ কোটি ডলারের এই শিল্পের সংগঠন এফএসআইআই তেলবীজ ও ডালের জন্য একক জাতীয় নিয়ন্ত্রণ কাঠামো, দ্রুত অনুমোদন ও মেধাস্বত্ব সুরক্ষা চেয়েছে।
বাজার ব্যবস্থাপনাসর্বশেষ পূর্বাভাসে ২০২৬/২৭ মৌসুমে মার্কিন সয়াবিনের ফলন একরপ্রতি ৫২.৮ বুশেল, উৎপাদন প্রায় ৪৫০ কোটি বুশেল, রপ্তানি ১৬৯ কোটি বুশেল এবং মৌসুমি গড় দাম বুশেলপ্রতি ১২ ডলার ধরা হয়েছে।
ফসলNational Sunflower Association-এর নির্বাহী পরিচালক John Sandbakken খরাক্লিষ্ট হাই প্লেইনস ছাড়া প্রবণতার ওপরে ফলন আশা করছেন; ইউএসডিএর প্রথম ২০২৬-২৭ পূর্বাভাসে একরে ১,৭৭৫ পাউন্ড, ২৩১ কোটি পাউন্ড বীজ ও ৩৫.৯ কোটি পাউন্ড শেষ-মজুত, আর রাশিয়ার বড় ফসল সত্ত্বেও বিশ্বে সূর্যমুখী তেলের মজুত টানাটানি।
ফসলপিনাট বাটারের ভোগ ১০ বছরের গড়ের চেয়ে ৬ শতাংশ বেশি, অথচ চিনাবাদামের অন্য পণ্যের ভোগ কমছে; ২০২৪/২৫ সালে রেকর্ড ৬.৫ বিলিয়ন পাউন্ড ফলন ক্রাশিং ও রপ্তানিও বাড়িয়েছে।
ফসলচট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ২০২৫-২৬ মৌসুমে ৬৬৫ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদ হয়েছে, যা ২০১৯-২০ সালে ছিল মাত্র ৪০ হেক্টর। ২০২৬ সালের মার্চে উপজেলা কৃষি অফিস এ তথ্য জানায়; কৃষকেরা তখন ভালো ফলনের সরিষা ঘরে তুলছিলেন।
ফসল২০২৬ সালের মার্চে যশোরের শার্শা ও বেনাপোল এলাকায় কৃষি অফিসের বিনামূল্যের বীজ ও সার নিয়ে পতিত ও এক ফসলি জমিতে সূর্যমুখী চাষ করেছেন কৃষকরা। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার হিসাবে চলতি মৌসুমে প্রায় সাড়ে ৭০০ শতক জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ হয়েছে।
ফুল২০২৬ সালের মার্চে টাঙ্গাইলের ১২ উপজেলার ১৭৮ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী ফুটেছিল; কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছিল, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কৃষকেরা লাভবান হবেন।
ফসলমাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার নহাটা ইউনিয়নে কৃষক মো. তামজিদ হোসেন ১৫ শতক জমিতে ভিয়েতনামি সরিষা ও প্রায় ১৩ শতক জমিতে কিনোয়া চাষ করেছেন। জাগো নিউজের ২০২৬ সালের ৭ মার্চের প্রতিবেদন অনুযায়ী উপজেলায় এই দুই ফসলের চাষ এবারই প্রথম; ফলন দেখে স্থানীয় কৃষকেরা আগ্রহী হয়েছেন।
ফসলদোআঁশ মাটি, নভেম্বরে বোনা আর হেক্টরে ৮ থেকে ১০ কেজি বীজ: বারি সূর্যমুখী-২ রবি মৌসুমে হেক্টরে ২.০ থেকে ২.৩ টন ফলন দেয়, বীজে তেল ৪২ থেকে ৪৪ শতাংশ। জাত, পরিচর্যা, খরচ ও আয়ের তথ্য এক জায়গায়।