ভিডিওএক্সক্লুসিভ ক্যান ভবন তৈরির সময়ই ছাদকৃষিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিলো
গাজীপুরের এক্সক্লুসিভ ক্যান ফ্যাক্টরির ছাদে কৃষি আয়োজন
ভিডিওগাজীপুরের এক্সক্লুসিভ ক্যান ফ্যাক্টরির ছাদে কৃষি আয়োজন
পরিবেশসম্মত শিল্প উৎপাদন এখন সময়ের চাহিদা। কেউ কেউ ভাবছেন শিল্প পরিমণ্ডলে ছাদকৃষি সম্প্রসারণের কথা। এমন উদ্যোগ নিয়ে সাফল্যের সঙ্গে অগ্রসর হচ্ছে গাজীপুরের এক্সক্লুসিভ লিমিটেড।
ভিডিও৭ তলার উপরে মাত্র দুই হাজার বর্গফুটের ছাদকৃষি। এই পরিসরটিকে দারুণভাবে সাজিয়েছেন ড. জেসমনি পারভীন সীমা। গাছগাছালি ও মাটির কাছাকাছি থাকার নেশা শিক্ষা-জীবন থেকেই।
ছাদকৃষি থেকে জীবনী শক্তি সংগ্রহ করছেন বহু মানুষ। দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্তরাও প্রাণের সন্ধান পাচ্ছেন ওই উদ্যোগ থেকে। তারা বিশ্বাস করছেন, গাছপালা ও ফলফসলের গতিপ্রকৃতির মাঝে লুকিয়ে আছে জীবনের অন্যরকম আলো। সেখান থেকে আসতে পারে আরোগ্য।
রমজানে বৈচিত্রময় খাদ্য ও পুষ্টির যোগান আসতে পারে ছাদকৃষি থেকে। যাদের সমৃদ্ধ ছাদকৃষি আছে, তারা নিতে পারছেন এই সুবিধা।
জনবহুল ঢাকা শহরকে বাসযোগ্য রাখতে অনেক বড় ভূমিকা ছাদকৃষির। ছাদে ফল ফসলের ক্ষেত্র গড়তে পারলে সেটিই হতে পারে বিশুদ্ধ নিঃশ্বাসের কেন্দ্র। পথ দেখাতে পারে উৎপাদনমুখী বাণিজ্যেরও।
ভিডিওজাবেদ হাসান পেশায় একজন টেক্সটাইল প্রকৌশলী। গাছগাছালি নিয়ে তার কোনো ভাবনা কখনও ছিল না। ২০২০ সালে করোনার শুরুতে অফিস বন্ধ হয়ে গেলে ঘরে বসে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আসক্ত হয়ে পড়েন সৃজনশীল কৃষির প্রতি।
ভিডিওছাদকৃষি এখন নগরের নতুন ট্রে-, সময়ের বহুমুখি প্রয়োজনেই স্কুলের ছাত্র থেকে শুরু করে গৃহবধু, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা থেকে শুরু করে প্রভাবশালী মন্ত্রী সবাই ছাদকৃষি করছেন। গণমাধ্যমের অব্যাহত প্রচারণা আর মানুষের বিপুল আগ্রহকে পুঁজি করেই সুবিধাজনক ছাদকৃষির গবেষণা শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি উ
ভিডিওশতভাগ দেশাত্ববোধ থেকে সবুজের প্রতি ভালোবাসা ছাদকৃষি উদ্যোক্তা ডা. এম এ ওদুদ সরকার। আর পতাকাকে বুকে ধারণ করেন বলে, কৃষি আয়োজনের ভেতর দিয়ে ছড়িয়ে দিতে চান লাল সবুজের বর্ণিল শোভা। ছাদকৃষি নিয়েই এক স্বপ্নের পথচলা তার।
ছাদকৃষি নিয়ে গবেষণা অব্যাহত রেখেছে শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগ। এবার ছাদে মাটিসহ ও মাটি ছাড়া টমেটো উৎপাদন নিয়ে প্রয়োগিক গবেষণা করেছে তারা। জোর দিচ্ছে অল্প জায়গায় বেশি ফলনের দিকেও।
কংক্রিটের শহর থেকে দ্রুতই হারিয়ে যাচ্ছে ফুল ফলের গাছ। কিন্তু মানুষ তার শিকড়কে সহজে ভুলতে পারে না। কিছু মানুষের সখের ছাদবাগানে পরশ মেলে সবুজ প্রকৃতির। তেমনই সৌখিন এক ব্যক্তি মো. আব্দুল ওয়াহাব। জনতা ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র অফিসার মো. আব্দুল ওয়াহাবের ছাদবাগানে দেখা মেলে ভিন্ন এক প্রকৃতির। যেখানে গে
ভিডিওবাড্ডার ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার ভেতর পাঁচতলা ভবনের ছোট্ট আয়তনের ছাদ, এখানেই প্রাত্যহিক কৃষিকাজ অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা মোবারক হোসেনের। সবজির আসল স্বাদ খুঁজে পেতে ছোটো এক উদ্যোগ থেকেই ফল ফসলের এই প্রাঙ্গন।
ভিডিওআটতলা ভবনের ছাদে ১০০ জাতের গাছ