লালমনিরহাটে রাসেলস ভাইপার সন্দেহে মেরে ফেলা হলো দুটি সাপ
লালমনিরহাটের পাটগ্রামে রাসেলস ভাইপার (চন্দ্রবোড়া) সন্দেহে দুটি সাপ পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে। সাপ উদ্ধারে খবরে সর্বত্র জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
লালমনিরহাটের পাটগ্রামে রাসেলস ভাইপার (চন্দ্রবোড়া) সন্দেহে দুটি সাপ পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে। সাপ উদ্ধারে খবরে সর্বত্র জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
সম্প্রতি চন্দ্রবোড়া বা রাসেলস ভাইপার সাপ নিয়ে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। সঠিক তথ্য-উপাত্ত না থাকলেও গত কয়েক মাসে দেশের বিভিন্ন জেলায় সাপের কামড়ে বেশ কয়েকজন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। তবে তাদের মৃত্যু রাসেলস ভাইপার সাপের দংশনেই হয়েছে- এমন নিশ্চিত তথ্য-উপাত্ত নেই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় দেখা মিললো রাসেলস ভাইপারের। ৫ ফুট লম্বা সাপটি সোমবার (২৪ জুন) সকালে উপজেলার ধুলাসার ইউনিয়নের বৌলতলী গ্রামে নুর ইসলাম নামের এক ব্যক্তির বাড়ির আঙিনায় জালের সঙ্গে আটকে ছিল।
রাজশাহীর বরেন্দ্র অঞ্চল ও পদ্মার চর থেকে শুরু করে বাসা-বাড়িতেও দেখা মিলছে বিষধর রাসেলস ভাইপার সাপের। ভয়ে খেত-খামারেও নামতে পারছেন না কৃষকরা। দিন দিন বাড়ছে সাপে কাটা রোগী। এই সাপের কামড়ে চিকিৎসার জন্য আলাদা কোনো অ্যান্টিভেনম নেই রাজশাহীতে। সব সাপের কামড়ের চিকিৎসা চলে একই অ্যান্টিভেনম দিয়ে।
নোয়াখালীর ৯ উপজেলায় বিষাক্ত সাপ 'রাসেলস ভাইপার' আতঙ্ক বিরাজ করছে। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার দুই স্থানে সাপ পিটিয়ে মারার খবরে এবং অতিরিক্ত জোয়ারের দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় আতঙ্কের মাত্রা বেশি।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বিষধর রাসেলস ভাইপার নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয় পড়েছে। রোববার (২৩ জুন) বিকেল থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এ সাপ দেখা গেছে বলে গুজব ছড়ানো হচ্ছে।
চুয়াডাঙ্গায় মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে সাপের কামড়ে এক শিশুসহ দুজনের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু জেলার দুটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেই অ্যান্টিভেনম। এদিকে রাসেলস ভাইপার সাপ নিয়ে গুজব ছড়ালে ব্যবস্থা নেওয়ারও ঘোষণা দিয়েছে জেলা পুলিশ।
টাঙ্গাইল জেলাজুড়ে চলছে রাসেলস ভাইপার (চন্দ্রবোড়া) আতঙ্ক। জেলা শহর ও উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এ সাপ দেখা গেছে বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অনেকে পোস্ট দিচ্ছেন। আবার সেই পোস্ট মিথ্যা বা গুজব বলছেন অনেকে।
জীবন্ত রাসেলস ভাইপার সাপ নিয়ে ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সামনে এলেন কৃষক রেজাউল খান (৩২) নামে এক কৃষক। শনিবার (২২ জুন) সন্ধ্যায় ফরিদপুর প্রেসক্লাবে এসে সাংবাদিকদের সামনে জীবিত রাসেলস ভাইপার সাপটি দেখান তিনি।
আমাদের দেশে মোট ২৮ প্রজাতির বিষাক্ত সাপ ছিল, কিন্তু বর্তমানে প্রধানত ৫ প্রজাতির বিষাক্ত সাপ পাওয়া যায়- কোবরা (গোখরা), ক্রেইট (কালকেউটে), রাসেল ভাইপার (চন্দ্রবোড়া), গ্রীন পিট ভাইপার এবং সামুদ্রিক সাপ। এগুলোর মধ্যে কোবরা ও কালকেউটে বেশি, পার্বত্য চট্টগ্রামে গ্রীন পিট ভাইপার, সমুদ্রে সামুদ্রিক সাপ এবং
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে বিষাক্ত রাসেলস ভাইপার সাপ মনে করে একটি অজগর সাপের বাচ্চাকে পিটিয়ে মেরেছে এলাকাবাসী।
নাটোরের লালপুরে চারটি রাসেলস ভাইপার পিটিয়ে মেরেছে কৃষকরা। শনিবার (২২ জুন) দুপুরে পদ্মার চরের নসারা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।