সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

জায়গা না থাকায় রাস্তা বন্ধ করে বসছে কাঁচাবাজার

সাতক্ষীরা শহরের প্রাণকেন্দ্র প্রাণসায়র খালপাড়ের সুলতানপুর বড়বাজার। এটি জেলার সবচেয়ে পুরাতন পাইকারি ও খুচরা বাজার। প্রতিদিন কয়েক কোটি টাকার শাকসবজি, ফল, মাছ-মাংসসহ সব ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী কেনাবেচা হয় এই বাজারে।

সাতক্ষীরা শহরের প্রাণকেন্দ্র প্রাণসায়র খালপাড়ের সুলতানপুর বড়বাজার। এটি জেলার সবচেয়ে পুরাতন পাইকারি ও খুচরা বাজার। প্রতিদিন কয়েক কোটি টাকার শাকসবজি, ফল, মাছ-মাংসসহ সব ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী কেনাবেচা হয় এই বাজারে।

বাজারে মাছ-মাংস ও চাল বিক্রেতাদের জন্য নির্ধারিত সরকারি টিনশেড থাকলেও কাঁচাবাজারের জন্য কোনো নির্ধারিত স্থান না থাকায় পৌরসভার চলাচলের রাস্তার ওপর চলে কাঁচাবাজার। সড়কের দুইপাশে বেশিরভাগ জায়গা দখল করে বসানো হয়েছে এসব দোকান। এতে প্রতিদিন সড়কে যানজট সৃষ্টি হয়ে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, প্রতিবছর কোটি টাকা রাজস্ব দেওয়া হলেও সাতক্ষীরার সুলতানপুর বড়বাজারে কাঁচামাল বিক্রেতাদের জন্য কোনো শেড নির্মাণ করা হয়নি। নির্ধারিত স্থান না থাকায় কাঁচাবাজার চলে রাস্তার ওপর।

বড়বাজারের কাঁচামাল ব্যবসায়ী ইদ্রিস আলী জাগো নিউজকে বলেন, কাঁচামাল বেচাবিক্রির জন্য বাজারে কোনো নির্ধারিত জায়গা নেই। বাধ্য হয়ে অন্যের দোকানের সামনে মাসিক ভাড়া ও খাজনা দিয়ে রাস্তার ওপর ব্যবসা করতে হয়।

তিনি বলেন, সাতক্ষীরা বড়বাজারে প্রতিদিন প্রায় ৪০০ কাঁচামাল ব্যবসায়ী রাস্তার ওপর বসেই দুই কোটি টাকার পণ্য কেনাবেচা করেন। এছাড়া এখানকার আড়তগুলোতে যশোর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদাহসহ বিভিন্ন জেলা থেকে সবজি ও ফল বিক্রি করতে আসেন ব্যবসায়ীরা।

কাঁচামাল ব্যবসায়ী মো. বাপ্পি জাগো নিউজকে বলেন, বাজারে আমাদের বসার কোনো জায়গা নেই। মাছ বাজারে টিনের শেড আছে, চাল বাজারের জন্যও শেড আছে। কিন্তু আমরা ব্যবসা করছি রাস্তার পাশে। এখানে যে দোকানের সামনে বসি, তাকে ভাড়া দেওয়া লাগে, আবার বাজারের ইজারাদারদের খাজনার টাকা দিতে হয়। ফলে আমরা রাস্তায় বসে পরিশ্রম করে যে টাকা আয় করি তার বড় একটি অংশ অন্যকে দিয়ে দিতে হয়।

তিনি বলেন, এভাবে রাস্তায় বসার কারণে অনেক সময় রোদে শাকসবজি শুকিয়ে যায় পচে যায়।

এদিকে, কাঁচামাল ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন, এই বাজার থেকে কয়েকবছরে পৌরসভাকে কোটি টাকার রাজস্ব দেওয়া হয়েছে। অথচ বাজারের উন্নয়নে কোনো পদক্ষেপ নেই। বিষয়টি জনপ্রতিনিধি, পৌর মেয়রসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বারবার জানিয়েও কোনো সুরাহা হয়নি। ফলে দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তি নিয়েই খুচরা বিক্রেতাদের রাস্তার ওপর ব্যবসা করতে হচ্ছে।

সাতক্ষীরা কাঁচাবাজার সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম বাবু জাগো নিউজকে বলেন, গত কয়েক বছরে বড়বাজারের কেবল কাঁচামাল ব্যবসায়ীদের থেকে ৮০ লাখ টাকা রাজস্ব দেওয়া হয়েছে। চলতি অর্থবছরের ছয় মাসে ২০ লাখ টাকা রাজস্ব দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বড়বাজারের রাস্তাটির অনেক খারাপ অবস্থা। এটি দীর্ঘদিনেও সংস্কার করা হয়নি। এছাড়া কাঁচাবাজারের জন্য সরকার নির্ধারিত কোনো জায়গা না থাকায় বাধ্য হয়ে রাস্তার পাশে বেচাকেনা করতে হয়। এসব দোকানে মূলত খুচরা ব্যবসায়ীরা বসেন। বড়বাজারের কাঁচামালের আড়তগুলো সব নিজস্ব জায়গায় বা অন্যের দোকান ভাড়া নিয়ে চলছে। কোনো আড়ত রাস্তার ওপর মালামাল কেনাবেচা করে না।

সাতক্ষীরা কাঁচাবাজার সমিতির সভাপতি কাজী কবিরুল হাসান বাদশা জাগো নিউজকে বলেন, সুলতানপুর বড়বাজারে প্রতিদিন কয়েক কোটি টাকার কাঁচামাল কেনাবেচা হয়। এখানকার খুচরা কাঁচামাল ব্যবসায়ীরা রাস্তার ওপর বসে ব্যবসা করেন। তাদের বসার জন্য কোনো সরকারি নির্ধারিত স্থান নেই। মাথার ওপর কোনো চাল নেই। এজন্য বাধ্য হয়ে রাস্তার ওপর বসতে হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে আমি একাধিকবার এমপি, পৌর মেয়রসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। তবে পৌর কর্তৃপক্ষ আমাদের আশ্বাস দিলেও তা বাস্তবায়ন হয় না।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা পৌরসভার প্যানেল মেয়র কাজী ফিরোজ হাসান জাগো নিউজকে বলেন, সুলতানপুর বড়বাজারের অধিকাংশ জায়গা জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে ইজারা নেওয়া। কাঁচাবাজারের জন্য কোনো জায়গা নেই। এছাড়া আমাদের পৌরসভার আর্থিক বরাদ্দ না থাকায় ইচ্ছা সত্ত্বেও অবকাঠামো নির্মাণ ও সম্প্রসারণ করা যাচ্ছে না। তবে জেলা প্রশাসন থেকে জায়গা বরাদ্দ পেলে আমরা কাঁচাবাজারের জন্য টিনশেড নির্মাণ করে দেব।

আহসানুর রহমান রাজীব/এমআরআর/এএসএম

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

কেরালার উপকূলীয় নারীদের ৮৪টি মাছের ব্যবসা, পারিবারিক আয় বেড়েছে ৩০-৩৫ শতাংশ

আইসিএআর-সিএমএফআরআইয়ের এক কর্মসূচির সহায়তায় ২০২২ থেকে ২০২৬ সালে কেরালার আট জেলায় ৮৪টি মৎস্যভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোগ গড়ে উঠেছে; সরাসরি উপকৃত ৪৬৯ জন, যাঁদের বেশির ভাগ তফসিলি জাতিভুক্ত।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

সৌরশক্তির রিসার্কুলেটিং ট্যাংকে পাহাড়ে ট্রাউট চাষ, পানি লাগবে ৮০ শতাংশ কম

ভারতের উত্তরাখণ্ডের এক খামারে সৌরশক্তিচালিত হাইব্রিড রিসার্কুলেটিং অ্যাকুয়াকালচার সিস্টেম চালু করেছে আইসিএআর-সিআইসিএফআর; প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এতে পানি প্রায় ৮০ শতাংশ কম লাগে এবং একজন ট্রাউটচাষি বছরে ৪ থেকে ৫ লাখ রুপি উদ্বৃত্ত পেতে পারেন।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

আট পদের পাঁচটিই শূন্য, তিনজনে চলছে শায়েস্তাগঞ্জের সরকারি মৎস্য বীজ খামার

১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ সরকারি মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারে ১২টি পুকুরে পোনা উৎপাদন চললেও আট পদের পাঁচটি শূন্য, নৈশপ্রহরী নেই, বরাদ্দ না থাকায় চাষি প্রশিক্ষণও বন্ধ।

মানবজমিন১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)