সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৫%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

খাবার পানি বাঁচাতে কৃষকদের এক মৌসুম ধান না লাগানোর অনুরোধ তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রীর

বৃষ্টির ঘাটতি প্রায় ২৮ শতাংশ, জলাধারে স্বাভাবিক ৪৬২ টিএমসির জায়গায় পানি মাত্র ২০০ টিএমসি ফুট। মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি বলছেন, আগামী বর্ষা পর্যন্ত খাবার পানি নিশ্চিত করতে কৃষিকে এক মৌসুম ছাড় দিতে হবে।

খাবার পানি বাঁচাতে কৃষকদের এক মৌসুম ধান না লাগানোর অনুরোধ তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রীর
ফসল

ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি খাবার পানির সরবরাহ নিশ্চিত করতে কৃষকদের এক মৌসুমের ধান চাষ বাদ দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। বিজ্ঞানীরা যাকে ‘সুপার এল নিনো’ বলছেন, তার প্রভাবে রাজ্যে খরা তীব্র হচ্ছে। ১৫ অক্টোবর তিনি বলেন, কৃষকেরা সব সময় মানুষের ডাকে সাড়া দিয়েছেন, এবার খাবার পানির জন্য তাঁদের সাহায্য দরকার। খবরটি দিয়েছে ডাউন টু আর্থ।

অক্টোবরের মাঝামাঝি রাজ্যে বৃষ্টির ঘাটতি প্রায় ২৮ শতাংশ। সরকারের মূল্যায়নে আগামী আট থেকে দশ মাস খাবার পানির সরবরাহ হুমকিতে। জলাধারগুলোতে পানি আছে মাত্র ২০০ টিএমসি (হাজার মিলিয়ন ঘনফুট), যেখানে বছরের এই সময়ে স্বাভাবিক থাকে ৪৬২ টিএমসি। আগামী বর্ষা পর্যন্ত এই পানি দিয়ে চালাতে হলে সবচেয়ে বড় ব্যবহারকারী কৃষিকেই ছাড় দিতে হবে, এটিই মুখ্যমন্ত্রীর পরিকল্পনা।

আনুমানিক ১৩ লাখ হেক্টর জমিতে কৃষকেরা এবার ধান লাগাননি। তবে ৫৩ লাখ হেক্টরে ধান দাঁড়িয়ে আছে, পানির অভাবে সেই ফসলও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) বলছে, চলমান এল নিনো ১৯৫০ সালে পর্যবেক্ষণ শুরুর পর সবচেয়ে শক্তিশালী হতে পারে, এর চূড়া আসবে ডিসেম্বরের দিকে। বার্কলে আর্থের বিজ্ঞানী জিক হাউসফাদার জানান, প্রশান্ত মহাসাগরের নিনো ৩.৪ অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি, যা আগের কোনো এল নিনোতে দেখা যায়নি। ভারতের রাজ্যগুলো ঝুঁকিপূর্ণ জেলা চিহ্নিত করেছে, কয়েকটি রাজ্য খরা ঘোষণা করে ত্রাণ শুরু করেছে।

ডাউন টু আর্থের রিচার্ড মহাপাত্র লিখেছেন, উষ্ণ হয়ে ওঠা পৃথিবীতে ১৯৮২-৮৩, ১৯৯৭-৯৮ ও ২০১৫-১৬ সালের সুপার এল নিনোর অভিজ্ঞতা দিয়ে এবারের প্রস্তুতি নেওয়া যাবে না। তবে অর্থনৈতিক ক্ষতি যে বড় হবে তা নিশ্চিত: ১৯৯৭-৯৮ সালের এল নিনোতে বৈশ্বিক জিডিপি কমেছিল ৫ লাখ ৭০ হাজার কোটি ডলার।

ছবি: Adityamadhav83 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)

সূত্র: ডাউন টু আর্থ

ডাউন টু আর্থসূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

এগ্রোটেক

বিশ্ব খাদ্য দিবসের সেমিনারে প্রিসিশন অ্যাগ্রিকালচার ও এআইয়ে জোর

বার্ক মিলনায়তনে বিশ্ব খাদ্য দিবসের সেমিনারে নির্ভুল কৃষি, ড্রোন ও ডিজিটাল প্রযুক্তিতে তরুণদের প্রশিক্ষণ, জিন সম্পাদনা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় জলবায়ু-স্মার্ট কৃষির আহ্বান জানানো হয়।

বাংলা নিউজ ২৪১৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

খরিফে ধাক্কার পর রবি মৌসুমেও এল নিনোর শঙ্কা, ভারতের কৃষি জিডিপি সংকোচনের মুখে

বর্ষায় ১৩ শতাংশ কম বৃষ্টিতে খরিফ উৎপাদন কমেছে, মহারাষ্ট্র ও কর্ণাটকের ৪৯১টি তালুকে খরা ঘোষণা হয়েছে, ট্রাক্টর বিক্রি কমছে আর ছোলার দাম কেজিতে ১০০ রুপির দিকে। কৃষকেরা এখনও ত্রাণের অপেক্ষায়, লিখেছে রুরাল ভয়েস।

Rural Voice১৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

আগাম জাতের ধানে আকস্মিক বন্যার ক্ষতি কমছে সুনামগঞ্জের হাওরের ৩,০০০ পরিবারের

হাওর অঞ্চলে ইরির জলবায়ু-সহনশীল ধান মূল্যশৃঙ্খল প্রকল্প সরাসরি ৩,০০০ কৃষক পরিবারের কাছে পৌঁছেছে। নারীদের পরিচালিত পাঁচটি কমিউনিটি বীজ ব্যাংক হয়েছে, কৃষি উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ পেয়েছেন দুই হাজারের বেশি কৃষক।

IRRI১৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)