সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৫%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

সাপের রাজা টাইটানোবোয়া

সাপের নাম শুনলে যেমন গা গুলিয়ে আসে তেমনি এর গল্প শুনলেও অনেকে পান ভয়। কিন্তু সিনেমায় দেখা বিশাল আকারের এনাকোন্ডার কথা চিন্তা করলেই ভয়ে গলা শুকিয়ে যাওয়া স্বাভাবিক। এনাকোন্ডাকেই বিশ্বের সবচেয়ে বড় সাপ মনে করেন অনেকেই। তবে জানেন কি এর চেয়েও ঢের বড় সাপ এই পৃথিবীতে রাজত্ব করে গেছে। নাম তার 'টাইটানোব

সাপের নাম শুনলে যেমন গা গুলিয়ে আসে তেমনি এর গল্প শুনলেও অনেকে পান ভয়। কিন্তু সিনেমায় দেখা বিশাল আকারের এনাকোন্ডার কথা চিন্তা করলেই ভয়ে গলা শুকিয়ে যাওয়া স্বাভাবিক। এনাকোন্ডাকেই বিশ্বের সবচেয়ে বড় সাপ মনে করেন অনেকেই। তবে জানেন কি এর চেয়েও ঢের বড় সাপ এই পৃথিবীতে রাজত্ব করে গেছে। নাম তার 'টাইটানোবোয়া চেরোনোসিস'।

যে সাপ দাপিয়ে বেড়াতো দক্ষিণ আমেরিকার বন-জঙ্গল। অতীতে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ঘন জঙ্গলের অভাব ছিল না। অনেকের ধারণা, দক্ষিণ আমেরিকা ছাড়াও বিশ্বের অনেক স্থানে ছিল বিশ্বের বড় এই সাপটি। টাইটানোবোয়া সম্বন্ধে এমনও বলা হয়েছে, সে কায়েম করতো সন্ত্রাসের রাজত্ব।

একেকটি টাইটানোবোয়া চেরোনোসিসের ওজন ছিল এক টনেরও বেশি। আর লম্বাও সেই অনুপাতে ৫০ ফুট। পুরো সাপটি দেখতে আজকের যুগের উঁচু দালানের সমান হবে নিশ্চয়ই!

আরও পড়ুন: ডাইনোসরের অস্তিত্ব থাকলে পৃথিবী কেমন হতো?

জানা যায়, প্রাগৈতিহাসিক যুগে এই ভয়ানক সরীসৃপের অস্তিত্ব ছিল। পৃথিবীতে দাপিয়ে বেড়াতো আজ থেকে প্রায় পাঁচ কোটি ৮০ লাখ বছর পূর্বে। এর ফসিলের সন্ধান মিলেছে উত্তর কলম্বিয়ার একটি বিশাল খনিতে। সাপটি এতই বৃহদাকার যে পুরো একটি কুমির খেয়ে ফেলতে পারত মুহূর্তেই। দেখে বোঝার উপায় নেই সাপটির পেটে আস্ত কুমির রয়েছে।

বছর কয়েক আগেও বিশাল আকৃতির এ সাপ সম্বন্ধে এতটুকুও ধারণা ছিল না বিজ্ঞানীদের। অর্থাৎ এ সম্বন্ধে তারা কিছুই জানতেন না। এর ফসিলের সন্ধান মিলার পরই টাইটানোবোয়ার কথা কমবেশি জানতে শুরু করেছেন বিজ্ঞানীরা।

বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় সাপটিও টাইটানোবোয়ার তুলনায় অনেক ছোট। অনেকের মতে, আজকের যুগের সবচেয়ে বড় বা বিশাল সাপটিও এর অর্ধেকের কম। এর ফসিল আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী কার্লোস ও তার সহযোগীরা। তারা বলেন, আমরা ভাবতেও পারিনি, এত বছর আগের এত বড় একটা প্রাণীর ফসিল আমরা পাবো। এটি আমাদের জন্য একটি ব্যাপক সাফল্য।

আরও পড়ুন: খুনি শামুকের কামড়ে মরতে পারে মানুষও

বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, টাইটানোবোয়া হতে পারে দক্ষিণ আমেরিকার অজগর জাতীয় সাপ বোয়া কন্সট্রিক্টর এর বংশধর। কেননা ফসিলের কার্বন ডেটিংয়ে দেখা যায় সাপটির সঙ্গে এসব প্রাণীর যথেষ্ট মিলও রয়েছে। তবে মজার ব্যাপার হলো, সাপটি দানবাকৃতির হলেও বিষাক্ত বা বিষধর ছিল না। শরীরে প্রচন্ড রকমের শক্তি ছিল। একবার কোনো প্রাণীকে ধরলে মুহূর্তেই চাপ দিয়ে দুমড়ে মুচড়ে ফেলতো। জানা গেছে, প্রতি বর্গইঞ্চিতে প্রায় ৪০০ পাউন্ড ওজনের সমান ছিল এর চাপের শক্তি।

সাপ সাধারণত নিজের শরীরের তাপমাত্রা ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। এর বেঁচে থাকার জন্য বাইরের তাপের ওপর নির্ভর করতে হয়। বিজ্ঞানী ব্লোচ বলেন, ডাইনোসরের বিলুপ্তি ঘটেছে আজ থেকে প্রায় ছয় কোটি বছর আগে। এর পরবর্তীতে তাপমাত্রা যথেষ্ট বেশি ছিল বিষুবরেখায়। আর এ কারণেই আকারে এত বিশাল হতো টাইটানোবোয়া। আর এটাই হচ্ছে এই সরীসৃপের বড় হওয়ার রহস্য। এদিকে আবারও বাড়ছে পৃথিবীর উষ্ণতা। তবে কি ফের দেখা মিলবে টাইটানোবোয়ার?

লেখক: শিক্ষার্থী ও গণমাধ্যমকর্মী।

কেএসকে/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

২০২৫ সালে বিশ্বে বন উজাড় কমেছে ১৫ শতাংশ, তবু ২০৩০ সালের লক্ষ্য নাগালের বাইরে

ফরেস্ট ডিক্লারেশন অ্যাসেসমেন্ট ২০২৬ বলছে, ২০২৫ সালে বিশ্বে ৭০ লাখ হেক্টর বন হারিয়েছে, যা ২০১৮-২০ সালের পর সবচেয়ে বড় বার্ষিক পতন। তবে ২০৩০ সালের মধ্যে বন উজাড় বন্ধের পথ থেকে বিশ্ব ১ কোটি ৭ লাখ হেক্টর পিছিয়ে।

ডাউন টু আর্থ১৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

খাবার পানি বাঁচাতে কৃষকদের এক মৌসুম ধান না লাগানোর অনুরোধ তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রীর

বৃষ্টির ঘাটতি প্রায় ২৮ শতাংশ, জলাধারে স্বাভাবিক ৪৬২ টিএমসির জায়গায় পানি মাত্র ২০০ টিএমসি ফুট। মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি বলছেন, আগামী বর্ষা পর্যন্ত খাবার পানি নিশ্চিত করতে কৃষিকে এক মৌসুম ছাড় দিতে হবে।

ডাউন টু আর্থ১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সমুদ্র ঠান্ডা হলেও ১৫০ বছর গলতে থাকবে অ্যান্টার্কটিকার ‘ডুমসডে’ হিমবাহ

ব্রিটিশ অ্যান্টার্কটিক সার্ভের মডেলিং গবেষণা বলছে, সমুদ্রের তাপে গলন পুরো বন্ধ করে দিলেও পশ্চিম অ্যান্টার্কটিকার থোয়াইটস হিমবাহ বরফ হারাতে থাকবে। এটি পুরোপুরি ধসে পড়লে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়বে প্রায় ৬৫ সেন্টিমিটার।

ইউরোনিউজ১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)